উৎপাদনে ডিজিটাল প্রযুক্তি, সেবাখাতের বিল কেন সনাতনে

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:১১ পিএম, ০১ জুলাই ২০২০

মহসীন কাজী

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় পাল্টে গেছে মানুষের জীবন। ডিজিটাল হয়ে গেছে সবকিছু। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পায়ন থেকে কৃষি উৎপাদন সবকিছুতে চলছে প্রযুক্তির জয়জয়কার। প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি অনুষঙ্গই এখন ডিজিটাল। ‘ডিজিটাল’ সাম্প্রতিক সময়ে একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ। কে না জানে ডিজিটালের খবর। সবাই পরিচিত এর সাথে। ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আধুনিক থেকে আধুনিকতর হচ্ছে মানুষ। জীবনধারার প্রতি পরতে ডিজিটালের হাতছানি।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে বাংলাদেশে। এ প্রযুক্তির বিস্ময় এবং সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত মাধ্যমে হচ্ছে মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোনের সাথে পরিচিত নেই এমন মানুষ নেই বললেই চলে। ১৭ কোটি জনসংখ্যার দেশে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন সাড়ে ১৬ কোটি। কার হাতে নেই মোবাইল ফোন। এটি এখন যেন জীবনের সাথে জড়িয়ে গেছে। কি গ্রাম কি শহর সর্বত্রই আছে মোবাইল ফোন। মোবাইল এখন কথা বলায় সীমাবদ্ধ নেই। মোবাইল সেটে অ্যান্ড্রয়েড প্রযুক্তি এর সাথে যুক্ত করেছে নতুনমাত্রা।

কথা বলা থেকে ভিডিও চ্যাটিং সহজ থেকে সহজতর করেছে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। গুগল, ইয়াহু, ক্রোম, ইউটিউব, হোয়াটস অ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, টিন্ডার, স্কাইপ, ম্যাসেঞ্জার, জুম সবকিছুতে চলে যোগাযোগ। ভাবের আদানপ্রদান। ভিডিও চ্যাটিং থেকে সেমিনার কনফারেন্স সবই চলে এসব মাধ্যমে। গণমাধ্যমও এখন এসব নির্ভর। বিশ্বের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তকে হাতের মুঠোয় এনেছে প্রযুক্তির এ বিস্ময়।

অর্থের নগদ লেনদেন থেকে ব্যাংকিং পর্যন্ত হচ্ছে মোবাইল ফোনে। এখন একটি অ্যান্ড্রয়েড সেট থাকা মানেই পৃথিবী আপনার হাতের মুঠোয়। তামাম দুনিয়ার সাথে সংযুক্ত থাকার জন্য একটি মোবাইল ফোনই যথেষ্ট। বিশ্বময় চলমান করোনা মহামারি মানুষের কাছ থেকে মানুষকে আলাদ করতে পারেনি। ডিজিটাল প্রযুক্তি একে অপরকে রেখেছে কাছাকাছি। মহামারিকালীন শিক্ষা, চিকিৎসা সবই চলছে ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর ভর করে। অনলাইনে রোগীর সেবা ও শিক্ষার্থীর ক্লাস সবই প্রযুক্তির উৎকর্ষতার কারণেই সম্ভব হচ্ছে।

শুধু কি তাই, প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে বেড়েছে শিল্পায়ন ও কৃষির উৎপাদন সক্ষমতা। শিল্পায়নের ধাপে ধাপে যুক্ত হচ্ছে প্রযুক্তি। প্রযুক্তির উৎকর্ষে প্রতিনিয়ত বাড়ছে শিল্পের উৎপাদন। কৃষি ক্ষেত্রে রীতিমতো বিপ্লব এনেছে প্রযুক্তি। সনাতন পদ্ধতিতে চাষের জায়গায় প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিতে উৎপাদন বেড়েছে কয়েকগুণ। ফলে দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে কমেছে বিদেশ নির্ভরতা।

এই ধরুন করোনা মহামারির শুরুর কথা। এ সময় ধানকাটা নিয়ে মহা বেকায়দায় পড়তে যাচ্ছিলেন হাওর এলাকার কৃষকরা। দুই সপ্তার মধ্যে পাকা ধান ঘরে না তুললে ধানী জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। করোনার কারণে ধানকাটা শ্রমিক না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়ে যান কৃষকরা। এ অবস্থায় হাওরের কৃষককে চিন্তামুক্ত করে হাসি ফোটায় কম্বাইন্ড হারভেস্ট মেশিন। যা দিয়ে ধান কাটা ও মাড়াই উভয় কাজ করা যায়। এ যন্ত্রে ১০০ শ্রমিকের কাজ একদিনে করা সম্ভব। এটাও হচ্ছে প্রযুক্তির সুফল।

আমাদের দেশের অন্যান্য খাতের উৎপাদন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রযুক্তিতে হলেও কিছুখাতে লেগে থাকা সনাতন পদ্ধতির কারণে মানুষের কাছে সুফল প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। ধরা যাক সেবাখাতগুলোর কথা। সেবাখাতে অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস। প্রযুক্তিগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে গত ১০ বছরে সরকার বাংলাদেশের নব্বই শতাংশেরও বেশি মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশবাসী এর সুফল পেতে শুরু করেছে। তবে বিলিং পদ্ধতি পুরোপুরি ডিজিটাল তথা প্রিপেইডের আওতায় না আসায় বিশাল অংশের জনগোষ্ঠীকে বাড়তি বিল, ভূতুড়ে বিল ও মনগড়া বিলের গ্যারাকলে পড়ে হয়রানিতে থাকতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে যেসব গ্রাহক প্রিপেইডের আওতায় এসেছেন তারা স্বাচ্ছন্দ্যেই বিদ্যুৎ ব্যবহার করে যাচ্ছেন।

চলমান করোনা মহামারিতে বিদ্যুতের বিল নিয়ে এক তুঘলকি কারবার শুরু হয়েছে। সনাতন পদ্ধতিতে মিটার রিডারের মাধ্যমে রিডিং নেয়া বিলে গ্রাহকরা অতিষ্ঠ। টানা তিনমাস ধরে সারাদেশেই গ্রাহকরা করছেন বাড়তি বিল আর মনগড়া বিল করার অভিযোগ। গণমাধ্যমে গ্রাহকদের অভিযোগ প্রচার হয়ে আসছিল টানা কয়েকদিন ধরে। গ্রাহকদের আনা অভিযোগের যৌক্তিকতার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিল সংশোধনের ঘোষণা দিয়েছে।

বছর পাঁচ হবে বিদ্যুতের বিলিং ব্যবস্থায় ডিজিটাল প্রযুক্তির সংযোজন শুরু হয়। তখন ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভাগীয় শহরগুলোর কিছু কিছু এলাকায় প্রিপেইড মিটার বসে। এ ব্যবস্থায় বিলিং পদ্ধতি প্রিপেইড মোবাইলের মতোই। যত টাকা রিচার্জ তত টাকার ব্যবহার। টাকা শেষ হয়ে আসলে দেবে অটোমেটিক সংকেত। কেনা দামের থেকে কর্তন করা হয় ভ্যাট, ট্যাক্স ও মিটারের দাম। এ পদ্ধতিতে বিল আদায়ে সন্তুষ্ট সংশ্লিষ্ট গ্রাহকরা। গ্রাহক সন্তুষ্টির মাঝপথে বিশাল অংশের গ্রাহককে অ্যানালগ রেখে বন্ধ হয়ে যায় প্রিপেইডভুক্ত করার প্রক্রিয়া।

আকস্মিকভাবে প্রিপেইড বিলিং পদ্ধতি বন্ধ করার নেপথ্যে শোনা যায় নানা কথা। বলা হয়, সনাতন পদ্ধতিতে বিলিং প্রক্রিয়ায় জড়িত মিটার রিডারদের নিয়ে গড়ে ওঠা একটি সুবিধাভোগী চক্রের কারণে মাঝপথে আটকে গেছে বিদ্যুতের প্রিপেইড বিলিং পদ্ধতি। বিদ্যুৎ বিভাগের এই গুণধর (!) মিটার রিটারদের নিয়ে নানা অভিযোগ শোনা যায় বছর ধরে। এমন অভিযোগ আছে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে উৎপাদিত বিদ্যুতের আয়ের একটি অংশ অবৈধভাবে চলে যায় অ্যানালগ মিটার রিডারদের পেটে। এদের কারণে ভোগান্তিতে থাকেন গ্রাহকরা।

এ অবস্থায় বিদ্যুতের মিটার রিডারদের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাদের কারণে সংস্থা এবং গ্রাহক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত- এটা প্রমাণিত। সম্প্রতি বিদ্যুতের মিটার রিডারদের বিরুদ্ধে আনীত গ্রাহকদের অভিযোগ তদন্তে মাঠে নেমেছে দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন)। এভাবে অন্যান্য সেবাসংস্থার মিটার সংশ্লিষ্টদের ব্যাপারেও দুদকের খোঁজ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন গ্রাহকরা।

বিদ্যুতের বিলিংব্যবস্থা আংশিকভাবে প্রিপেইড হলেও পানির বিল আদায় পদ্ধতি পুরোপুরি সনাতন পদ্ধতিতে থেকে গেছে। বিদ্যুতের মতো পানির উৎপাদনও হচ্ছে ডিজিটাল প্রক্রিয়ায়। ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ওয়াসা অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধরে চলছিল খুঁড়িয়ে। চালুর ৫৭ বছরের মাথায় যার উৎপাদন ক্ষমতা ছিল মাত্র ১২ কোটি লিটার। মোটাদাগে এনআরডাব্লিউ (নন রেভিনিউ ওয়াটার) বাদ গ্রাহক পেত ১০ কোটি লিটারেরও কম। ৭০ লাখ মানুষের এই শহরে প্রতিদিনই পানির হাহাকার লেগে থাকত। সেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় ১০ বছরের মাথায় বর্তমানে পানি সরবরাহ হচ্ছে ৩৬ কোটি লিটার। ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক প্রযুক্তিতে পানি উৎপাদন ও সরবরাহের এই চিত্রের বিপরীতে হতাশা বলতে আছে শুধু সনাতন পদ্ধতির বিলিংব্যবস্থা। বিদ্যুতের মতো মিটার রিডিং করে বিল করার কারণে গ্রাহক সন্তুষ্টি পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ধন্যবাদের পরিবর্তে প্রতিনিয়ত গ্রাহকদের কটুবাক্য শুনতে হয় কর্তৃপক্ষকে।

বিলিং পদ্ধতির সংস্কার এ মুহূর্তে ওয়াসার গ্রাহকদের এক নম্বর দাবি। গ্রাহকরা আগাম টাকায় রিচার্জ করে পানি কিনতে রাজি কিন্তু রিডিং তথা সনাতন পদ্ধতিতে আর বিল দিতে রাজি নন। এ পদ্ধতিতে বিলের কারণে কখনই সামঞ্জস্য রক্ষা হয় না। কোনো না কোনো গ্রাহক অসন্তষ্ট থেকে যান। মোটকথা হচ্ছে, বিলের হেরফের তথা শুভঙ্করের ফাঁকি লেগে থাকে। বিলিং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগেরও অন্ত থাকে না। বিল আদায় প্রক্রিয়া ডিজিটাল হলে ওয়াসার ওই বিভাগটিও কলঙ্কমুক্ত হয়।

প্রতিমাসে বিল-সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার বোর্ড সদস্য হিসেবে আমাকেও ফোন করেন পরিচিত অনেক গ্রাহক। এমন কোনো দিন সপ্তাহ, মাস থাকে না বিল জটিলতায় কেউ ফোন করেন না। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে তাদের সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করি। পরিচিতদের এমন অভিযোগ শুনতে নিজেরও খারাপ লাগে। অনেকে নেতিবাচকভাবে দু-চার কথা শুনিয়ে দিতেও কার্পণ্য করেন না। অভিযোগ করেন, বিল সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও। অনেক বোদ্ধাগ্রাহক পরামর্শ দেন সনাতন পদ্ধতি বাদ দিয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বিল আদায়ের। গ্রাহকদেরই পরামর্শ, বিল প্রক্রিয়া প্রিপেইড হলে গ্রাহকদের কোনো অভিযোগই থাকবে না। তাছাড়া এ পদ্ধতি অনুসরণ করলে পানি চুরি ও পানির অপচয়ও হবে না। তাছাড়া গ্রাহকরাও পানি ব্যবহারে আরও অনেক সচেতন হবেন। কল ছেড়ে কাপড়চোপড় ও তৈজষপত্র ধোয়াও বন্ধ করবেন নিজের গরজে।

আমি নিজেও বিদ্যুতের প্রিপেইড গ্রাহক। বিল নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যে হৈচৈ শুরু হয়েছে তা থেকে আমরা মুক্ত। সে হিসেবে মনে করি পানির বিলিং প্রক্রিয়ায়ও সে পদ্ধতির অনুসরণ প্রয়োজন। চট্টগ্রাম ওয়াসার বিল আদায় প্রিপেইড করার বিষয়ে ৫৩তম বোর্ড সভায় প্রস্তাব উত্থাপন করি। পানির বিলিং পদ্ধতি অটোমেশন করে প্রিপেইড প্রক্রিয়ায় বিল আদায়ের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরি। এ ব্যবস্থায় বিল আদায় হলে গ্রাহক হয়রানি নামের কোনো শব্দ ওয়াসাতে থাকবে না বলেও অভিমত ব্যক্ত করি। সভায় আমার প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হয়।

ওই সভায় ওয়াসার রাজস্ব বিভাগকে এ সংক্রান্ত একটি উন্নয়ন প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। পাইলট প্রকল্প হিসেবে চকবাজার, বাগমনিরাম ও জামালখান ওয়ার্ডের গ্রাহকরা প্রথমে প্রিপেইডের আওতায় আসবে। আশা করছি, বিলিং পদ্ধতির সংস্কারের ফলে ওয়াসার উৎপাদন থেকে বিল আদায়ের সকল প্রক্রিয়াই পুরোপুরি ডিজিটাল হবে। এতে গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি আসবে। পাশাপাশি ওয়াসার পানির অপচয় হবে না। গ্রাহকরাও সন্তুষ্ট থাকবেন।

আরেক সেবাখাত গ্যাসের প্রিপেইড গ্রাহকরাও স্বস্তিতে আছেন। তারাও আগাম রিচার্জ করে গ্যাস ব্যবহার করছেন। টাকা শেষ হলে বিদ্যুতের মতো মিটারের সংকেত বেজে ওঠে। রিচার্জ করলে করলেই চুলো জ্বলে। তবে বিদ্যুতের মতো গ্যাসের ডিজিটালাইজেশনও আংশিক। ফিক্সড বিলের গ্রাহকরা এখনও গ্যাসের অপচয় করেন নানাভাবে। সব গ্রাহক প্রিপেইডের আওতায় আসলে দিনভর চুলো জ্বালিয়ে রাখা ঘর গরম রাখা, চুলো জ্বালিয়ে কাপড় শুকানোর প্রবণতা থাকবে না। অবশ্য ফিক্সড বিলের কারণে গ্যাসের সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে হয়রানি না থাকলেও অন্য জায়গায় থেকে ব্যাপক ঘাপলা। শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্যাসের বিলিং নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ। সকল গ্রাহককে ডিজিটাল তথা প্রিপেইড বিলের আওতায় আনলে গ্যাস সেক্টরকেও কলঙ্কমুক্ত রাখা সম্ভব।

লেখক : যুগ্ম মহাসচিব, বিএফইউজে এবং বোর্ড সদস্য, চট্টগ্রাম ওয়াসা।

এইচআর/বিএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]