Jago News logo
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০১৭ | ১৪ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ

জঙ্গিদের উসকানিদাতা কারা : প্রশ্ন ফখরুলের


নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭:২৪ পিএম, ১১ জানুয়ারি ২০১৭, বুধবার | আপডেট: ০৯:২০ পিএম, ১১ জানুয়ারি ২০১৭, বুধবার
জঙ্গিদের উসকানিদাতা কারা : প্রশ্ন ফখরুলের

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার জঙ্গিবাদের উসকানিদাতাদের গণআদালতে বিচারের কথা বলছে। জঙ্গিদের উসকানিদাতা কারা। যারা জঙ্গিবাদে অভিযুক্ত হচ্ছে, তাদের সঙ্গে সঙ্গে মেরে ফেলছেন। পরে তদন্ত হচ্ছে না, জানা যাচ্ছে না। সম্ভবত এ কারণেই জানা যাচ্ছে না যে, যদি সঠিক তদন্ত হয়, সত্য উদঘাটিত হয়, তাহলে আপনাদের চেহারা বদলে যাবে, মুখোশ উন্মোচিত হবে।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কচিকাঁচার মিলনায়তনে প্রয়াত চিত্রপরিচালক চাষী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, সরকার জনসভা করে, সরকারের মদদপুষ্ট বিরোধী দলের এরশাদও করেছেন। যারা তথাকথিত মহাজোটে রয়েছেন, তারাই সমাবেশ করতে পারছেন। আজ এক-এগারো। সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে সংবিধানসম্মত সরকারকে উৎখাত করে একটি বেআইনি সরকার প্রতিষ্ঠা পাওয়ার দিন। এক-এগারোর ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্রের চেহারা জাতি দেখতে পেয়েছে।

তিনি বলেন, এক-এগারোর উদ্দেশ্য ছিল বিরাজনীতিকরণ। ১০ বছরে এখন ভিন্ন আঙ্গিকে বিরাজনীতিকরণ চলছে। কীভাবে জাতীয়তাবাদী দর্শন ও রাজনীতিকে ধ্বংস করা যায়, সে চেষ্টাও চলছে। এর ধারাবাহিকতা এখনও চলছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে ফখরুল বলেন, দেশে আইনের শাসন, সুশাসন, কোথায় কীভাবে আছে, আমরা বুঝতে পারি না। কারণ, সব কিছু এখন একাকার হয়েছে। একজনই রাষ্ট্রপ্রধান। একজনই সরকার প্রধান। বিচারেরও প্রধান, তদন্তেরও প্রধান।

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, কোর্টে এ বিষয়ে মামলা চলছে। আর উনি রায় দিয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী আপনি একটি সরকারের প্রধান? আপনি নির্বাহী ব্রাঞ্চের প্রধান? একটি মিথ্যা মামলা হয়েছে, সেই মামলার অনুসন্ধান হয়েছে, এখন বিচার চলছে। আর আপনি ইতোমধ্যে অনুসন্ধানও করে ফেলেছেন, অভিযুক্তও করেছেন, ট্রায়ালও করে বলছেন যে, টাকা চুরি করেছেন। এখন আর বিচারকের প্রয়োজন আছে, রায় দেয়ার?

ফখরুল আরও বলেন, আপনি নির্বাহী ক্ষমতার চিফ হিসেবে যখন এমন বক্তব্য দেন, সেই রায় কোন দিকে যাবে, তা আমরা সহজেই বুঝতে পারি। একজন সরকার প্রধান হয়ে সাবেক একজন প্রধানমন্ত্রীর মামলায় কথা বলতে থাকেন, তখন রায় কি হবে, আমরা জানি।

তিনি বলেন, একটি সহায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে দেশে শান্তি আসবে। আজকে আওয়ামী লীগের সংলাপ হয়েছে। শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কি করবেন, তার উপরে নির্ভর করবে, নির্বাচন কমিশনের ভবিষ্যৎ।

সভায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, কবি আবদুল হাই শিকদারসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন।

এমএম/আরএস/আরআইপি

আপনার মন্তব্য লিখুন...