বিডিআর বিদ্রোহের সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি : ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:২৭ এএম, ২৮ নভেম্বর ২০১৭
ছবি-ফাইল

বিডিআর (বিজিবি) বিদ্রোহের ঘটনায় সেনাবাহিনী কর্তৃক পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের হল রুমে ২০ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) বিশেষ জাতীয় কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হয়নি। দেশের জনগণের জানার অধিকার আছে কেন সেই পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি?

তিনি বলেন, সেদিন কেন গোয়েন্দা বাহিনী ব্যর্থ হলো, কেন সিদ্ধান্ত নিতে কয়েক ঘণ্টা কেটে গেল- তা সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করা উচিত।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা সবাই দল ও ব্যক্তি স্বার্থে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিচ্ছি। অথচ বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে পরিকল্পিত ও সচেতনভাবে ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা যদি সে ষড়যন্ত্র বুঝতে না পারি, তাহলে দেশকে রক্ষা করতে পারব না।

জাগপার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপিকা রেহেনা প্রধানের সভাপতিত্বে কাউন্সিলে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপার সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজ কথায় কথায় সংবিধানের দোহাই দেন অথচ সংবিধান প্রণয়ন হয় যেখানে সেই সংসদের ১৫৪ জন সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত। এ সময় প্রধান বিচারপতির পদত্যাগের প্রক্রিয়াকে গুরুতর সাংবিধানিক সঙ্কট বলে দাবি করেন তিনি।

শফিউল আলম প্রধানের স্মৃতিচারণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি কখনও অন্যায়ের কাছে আপোস করেনি। আজ যখন স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রবিরোধী শক্তি বর্তমান সময়ে দেশকে ধ্বংসের দিকে দাঁড় করিয়েছে সেখানে তার মতো নেতার উপস্থিতি খুব দরকার ছিল।

বাংলাদেশে অস্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে মন্তব্য করে ঢাবির সাবেক ভিসি ড. এমাজউদ্দিন আহমদ বলেন, আগামী নির্বাচন যতদ্রুত এগিয়ে আসছে ষড়যন্ত্র আরও জোরদার হচ্ছে।

তিনি বলেন, সহায়ক সরকার কিংবা তত্ত্বাবধায়ক যে নামেই হোক আগামী নির্বাচন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই হতে হবে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো তথাকথিত নির্বাচন আর হতে দেয়া হবে না।

এমএম/এমএমজেড/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :