সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্ভাবনা থাকলে আ.লীগ অংশ নেবে না : গয়েশ্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৩৪ পিএম, ১৯ জানুয়ারি ২০১৮

দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের ন্যূনতম সম্ভাবনা দেখা দিলে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না বা সেই নির্বাচন তারা বানচাল করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ৬ষ্ঠ তলায় জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব বিএনপির, আওয়ামী লীগের না। আওয়ামী লীগ এক দলে বিশ্বাস করে। বহুতে নয়। বহু দল নিয়ে গণতন্ত্র। সে কারণে আজকে বিএনপির এটা দায়িত্ব। আমি অনেক দিন আগে বলেছিলাম বাংলাদেশে ন্যূনতম সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে আওয়ামী লীগ নির্বাচন বয়কট করবে।

তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে তার একটা নমুনা দেখেছেন। সামনে নির্বাচনের (জাতীয় সংসদ নির্বাচন) খেলা, এই মুহূর্তে কারচুপি না করলে তাদের জয়লাভ হবে না। আবার কারচুপির চেষ্টা করলে আগামী নির্বাচন (জাতীয় নির্বাচন) অনিশ্চিত হয়ে যাবে। এ কারণে আওয়ামী লীগ পিছিয়ে গেছে।

‘এখন কেউ প্রশ্ন করতে পারেন আবেদনকারীর পরিচয়টা ভিন্ন। এখানে আবেদনকারীর পরিচয় বড় কথা নয়, সরকার সব কিছু করতে পারে। সরকারের হাত অনেক লম্বা, তার গোয়েন্দা আছে, শক্তি আছে, পুলিশ আছে। সুতরাং যারা রিট করেছে তারা স্বপ্রণোদিত হয়ে রিট করেছেন এ কথা আমি বিশ্বাস করি না, এটার মধ্যে সরকারের কলকাঠি আছে।’

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘দেখেন তারা কতটুকু দেউলিয়া, দলের মধ্যে কাউকে খুঁজে পায়নি, যাকে তারা মেয়র প্রার্থী নির্বাচিত করেছে তিনি কোনোদিন, কোনোকালে আওয়ামী লীগ করেছে এটা আমার জানা নেই। সে কারণে আজকে আবারও বলছি, এই দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের ন্যূনতম সম্ভাবনা দেখা দিলে আওয়ামী লীগ সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না।

নেতা কর্মীদের পাঠাগারের বই পড়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পাঠাগারের সারিবদ্ধ বইগুলো আমাদের পড়া দরকার, এর থেকে আমাদের অর্জনের অনেক কিছু আছে। বইগুলো পড়লে জিয়াউর রহমানকে জানার পথ বের হবে। আর জিয়াউর রহমানকে জানতে পারলে দেশটাকে জানা যাবে। যারা জিয়াউর রহমানকে ভালোবাসে তারা দেশকে ভালোবাসবে। আর দেশকে কেউ ভালোবাসলে জিয়াউর রহমানকে ভালোবাসতে বাধ্য।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, সিলেট বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, ঢাকা মহানগ দক্ষিণ বিএনপি সহ-সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রুবেল, দফতর সম্পাদক সাইদুর রহমান মিন্টু, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সঞ্জিত কুমার দেব জনি প্রমুখ।

এমএম/এমআরএম/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :