রায় নিয়ে বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করবে জনগণ, পুলিশ তো আছেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৫৩ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ০১:০৯ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
ফাইল ছবি

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে জনগণ তা প্রতিহত করবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

রোববার গুলশান ইয়ুথ ক্লাবে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার বক্তব্যে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি একথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রায়কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হবে না। আর যদি হয় জনগণ তা প্রতিহত করবে, আর পুলিশতো আছেই’।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন আদালত। শনিবার লা মেরিডিয়ান হোটেলে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় দলটির নেতারা খালেদার সাজা হলে শক্ত আন্দোলন গড়ে তোলার পক্ষে মত দিয়েছেন। এ কারণে ৮ ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে সংঘাতের শঙ্কায় রয়েছে দেশবাসী।

এদিকে রায়কে কেন্দ্র করে দেশের সব জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীকে সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশনা পাঠিয়েছে আওয়ামী লীগ। দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শনিবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সম্বলিত একটি চিঠি পাঠান।

সম্প্রতি বিএনপির শীর্ষ নেতা ও কর্মীদের ধরপাকড়ের অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে কোনো ধরনের নাশকতা হতে দেয়া হবে না। দেশের জনগণ কোনো ধরনের নাশকতা হতে দেবে না। পুলিশের প্রিজন ভ্যান থেকে আসামি ছিনতাই, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় যারা জড়িত ছিল ভিডিও ফুটেজ আর যথেষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের ধরা হচ্ছে।

উল্লেখ্য গত ৩০ জানুয়ারি বেগম খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরাকে কেন্দ্র করে হাইকোর্ট এলাকায় জড়ো হওয়া কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে রাখে পুলিশ। সে সময় খালেদার গাড়ি বহরের সঙ্গে একটি মিছিল ওই স্থানে এসে প্রিজন ভ্যান ভেঙে আসামিদের ছিনিয়ে নেয়। এ সময় পুলিশের দুইটি অস্ত্রও ভেঙে ফেলে তারা।

এ ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় দুইটি ও রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাসহ মোট ৭০০ থেকে ৮০০ জনকে আসামি করা হয়। মামলার পর রাজধানীর গুলশান থেকে গ্রেফতার করা হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে। এরপর আমানউল্লাহ আমানসহ বিএনপির প্রায় ৩ শতাধিক নেতাকর্মীকে এসব মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

এআর/এমএমজেড/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :