খোকনকে গুলি : ওসির প্রত্যাহার চেয়ে ইসিতে বিচার দাবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৩৮ পিএম, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার জন্য নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদের বিচার দাবি করা হয়েছে। ওসি সরাসরি হত্যা চেষ্টার সঙ্গে জড়িত জানিয়ে ১২ ঘণ্টার মধ্যে তাকে প্রত্যাহার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন খোকনের ছেলে ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব।

রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার কাছে দেয়া এক চিঠিতে এই দাবি জানানো হয়। চিঠিতে এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তও দাবি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও তার ব্যক্তিগত সহকারী ইকবাল হোসেনসহ একাধিক নেতাকর্মীকে লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়েন ওসি আবদুল মজিদ। শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি সদরে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় আহত মাহবুব উদ্দিন খোকনকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-১ (চটাখিল-সোনাইমুড়ী একাংশ) আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক।

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি সদরে মাহবুব উদ্দিন খোকন নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকেই পুলিশ বাধা নিয়ে আসছে। এ ছাড়া নেতাকর্মীদের অবৈধভাবে আটক ও হয়রানি করা হচ্ছিল-এমন অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে দেয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সোনাইমুড়ী এলাকায় গণসংযোগ চালানোর জন্য গত ১৪ ডিসেম্বর (শুক্রবার) পুলিশের সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো হয়। তারা বলেন, কোনো বাধা দেয়া হবে না। ১৫ ডিসেম্বর সেখানে শান্তিপূর্ণ গণসংযোগ শেষ করার পর পুলিশ তাদের মিছিলের পেছনে অবস্থান নেয়। এরপর সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মজিদসহ একদল পুলিশ সদস্য মিছিলের সামনে এসে অনবরত গুলিবর্ষণ শুরু করেন। ছররা গুলি মাহবুব উদ্দিন খোকনের থুতনিতে বিদ্ধ হয়। তিনি সঙ্গে সঙ্গে পেছনে ফিরলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মজিদ পুনরায় ছররা গুলি ছোড়ে। এতে তার পিঠে পাঁচটি ও হাতে দুইটি গুলি লাগে। তার ব্যক্তিগত সহকারী ইকবাল হোসেন ও অন্যান্য কর্মী-সমর্থকরা তাকে রক্ষার জন্য এগিয়ে এলে পুলিশ তাদেরও লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে সবাইকে নোয়াখালী সদর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়।

এইচএস/এসআর/এমএস