বিজয় মঞ্চ করেছে ১৪দল

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১০:০৫ পিএম, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করতে সারা দেশে বিজয় মঞ্চ করেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল।

মহান বিজয় দিবসে (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ বিজয় মঞ্চের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান।

নাসিম বলেন, ‘বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। এ মাসে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগ ও ১৪ দল পরাজিত হতে পারে না। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে দেশের মানুষ নৌকায় ভোট দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে আবারও বিজয়ী করবে।’

১৪ দলের উদ্যোগে বিজয় মঞ্চের সহযোগিতায় রয়েছে সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। সারা দেশে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত এ বিজয় মঞ্চ তৈরি করা হবে। এ মঞ্চ থেকে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের প্রার্থীদের নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানানো হবে।

নাসিম আরও বলেন, ‘৭১ সালে রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা ছিল, এখনও আছে। এবার নতুন করে মীরজাফরের জন্ম হয়েছে। ড. কামাল হোসেন, কাদের সিদ্দিকীরা রাজাকারদের পক্ষে সাফাই গায়। স্বাধীনতা বিরোধীদের নিয়ে প্রশ্ন করলে সাংবাদিকদের কামাল হোসেন ধমক দেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর নৌকায় ভোট দিয়ে এই ধমকের জবাব দিতে হবে।’

নৌমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, ‘আমাদের দুটি চ্যালেঞ্জ। একটি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী, রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোষরদের নির্মূল করতে নৌকায় ভোট নিয়ে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলকে জয়যুক্ত করা। আরেকটি দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে এবং হচ্ছে তা অব্যাহত রাখা। ড. কামাল হোসেন ঐক্যফ্রন্ট করে রাজাকারদের পক্ষ নিয়েছেন। আমরা বলতে চাই কোনো যুদ্ধাপরাধী ও তাদের সন্তান এ নির্বাচনে নির্বাচিত হলেও আমরা তাদেরকে সংসদে ঢুকতে দেবো না।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোর্শেদ, সম্মিলিতি সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব ওসমান আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র, যুব, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ মঞ্চে আলোচনা সভা, নাটক, আবৃত্তি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা করা হবে। চলবে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে এ মঞ্চের অনুষ্ঠান ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হতে পারে বলেও আয়োজকরা জানান।

এফএইচএস/এএইচ/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :