‘বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ’র প্রতিশ্রুতি জাসদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৪৪ পিএম, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকল নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়াসহ ৩৮ দফা প্রতিশ্রুতির ইশতেহার দিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। ‘পরিবর্তনের ধারা সংহত করা ও এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে’ শিরোনামে গুলিস্তানে অবস্থিত দলটির কার্যালয়ে বুধবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাসদের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এ নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ করেন।

৩৮ দফার এ ইশতেহারের ৩৬ দফায় বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছে। ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ শীরোনামের এ দফায় বলা হয়েছে, ‘জাতীয় সংসদে আলোচনা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের জনগণের অংশগ্রহণ ও আলোচনার মাধ্যমে সমন্বিত জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করা হবে। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকল নাগরিককে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।’

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ইনু বলেন, ‘যারা দেশবিরোধী, জঙ্গি, সন্ত্রাসী, ডাকাত তাদেরকে এ বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ থেকে বাদ দেয়া হবে।’

ইশতেহার ঘোষণার শুরুতে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ঐক্যফ্রন্টের সমালোচনা করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দল নানা উছিলা তৈরি করে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরির অপচেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও তাদের চলন-বলন, কথা-বার্তা দেখে প্রতিয়মান হচ্ছে যে, তারা নির্বাচন বানচালের উছিলা তৈরি করছে।

‘অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে তারা নির্বাচন বন্ধ ও বানচালের গোপন এজেন্ডাতেই আছে। তারা তাদের অস্বাভাবিক রাজনীতির পথ পরিহার করেনি এবং জামায়াত-যুদ্ধাপরাধী-জঙ্গিবাদের সঙ্গে রাজনৈতিক পার্টনারশিপও ত্যাগ করেনি, শোধরায়নি এবং তওবাও করেনি’-বলেন জাসদের শীর্ষ নেই নেতা।

জাসদের ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য দফাসমূহ

১. সরকার পরিচালনায় ভারসাম্য, রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে জন আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো: জাসদ সরকার গঠনে ভূমিকা রাখলে সরকারের ভেতরে শ্রমিক-কর্মচারী-কৃষক-নারীর পক্ষে ভারসাম্য সৃষ্টি, সরকারের নীতিনির্ধারণে জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা চালাবে। বিশেষ করে শ্রমিক-কর্মচারী-কর্মজীবী-পেশাজীবী-মেহনতি মানুষ, কৃষি ও শিল্পে দেশীয় উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারী নারী, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু, আদিবাসীসহ সমাজের শোষিত-বঞ্চিত-পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করা, সরকারকে জনগণের প্রতি সংবেদনশীল ও গণমুখী রাখার জন্য সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা চালানো হবে।

২. রাষ্ট্রীয় মূলনীতি অনুসরণ : সরকার পরিচালনার সকল ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তথা ১৯৭২ সালের সংবিধানে বিধৃত মূল রাষ্ট্রীয় চার নীতি-গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ অনুসরণ করা, তথাকথিত মুক্ত বাজারের হাতে দেশ ও জনগণের ভাগ্য ছেড়ে না দিয়ে জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ‘পরিকল্পিত জাতীয় অর্থনীতি’ এবং ‘সামাজিক অর্থনীতি’ অনুসরণ করা হবে। মৌলিক মানবাধিকারবিরোধী সকল কালাকানুন বাতিল করা হবে।

৩. মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা : মুক্তিযুদ্ধের মীমাংসিত বিষয়কে অমীমাংসিত না করা ও ঐতিহাসিক সত্যকে বিকৃত ও অস্বীকার না করা, মুক্তিযুদ্ধে যার যা অবদান তার স্বীকৃতি ও সম্মান প্রদর্শন করা হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের জাতীয় বীরের মর্যাদাসহ রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও আর্থিক মর্যাদা সুনিশ্চিত করা হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানীভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের শহীদ-শহীদ পরিবার-মুক্তিযুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের তালিকা প্রণয়ন করা হবে এবং তাদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান করার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে।

৪. দুর্নীতি মোকাবেলা : জাসদ সরকার গঠনে ভূমিকা রাখলে সরকার এবং সংসদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণতা নিয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণে সোচ্চার ভূমিকা রাখবে। দুর্নীতি দমন কমিশনকে লোকবল ও প্রশিক্ষণ দিয়ে শক্তিশালী ও স্বাধীন করা হবে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা-নেত্রী, সচিব, সরকারি অধিদফতর-পরিদফতর-বিভাগ-সেক্টর-কর্পোরেশনের প্রধান থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্রের ক্ষমতাবানদের আয়-ব্যয় এবং সম্পদের বিবরণী প্রতি বছর প্রকাশ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির ক্ষেত্র ও উৎসগুলো চিহ্নিত করে সে সকল ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করার প্রচেষ্টা চালানো হবে।

৫. জঙ্গিবাদ দমন : জাসদ সরকার গঠনে ভূমিকা রাখলে জঙ্গিবাদ ও জঙ্গিবাদী সব নেটওয়ার্ক ধ্বংস করে জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জঙ্গিবাদবিরোধী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। জঙ্গিবাদবিরোধী আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার জোর প্রচেষ্টা চালানো হবে।

৬. যুদ্ধাপরাধের বিচার : জাসদ সরকার গঠনে ভূমিকা রাখলে ১৯৭১ সালে জাতির ওপর পরিচালিত যুদ্ধাপরাধের বিচার অব্যাহত রাখার জন্য সোচ্চার থাকবে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে যুদ্ধাপরাধী সংগঠন হিসেবে জামায়াত-রাজাকার-আলবদর-আলশামস বাহিনীসহ অপসংগঠনের বিচারের দাবিতে সোচ্চার থাকবে। পাশাপাশি জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়ে সোচ্চার থাকবে।

৭. ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ তথা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ : জনগণকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দ্বারা ক্ষমতাবান করতে জনগণের তথ্য জানার অধিকার আরও সহজ করতে সরকারি সেবাগুলোকে সহজলভ্য ও জনগণের নাগালের মধ্যে নিতে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ তথা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণের জন্য সোচ্চার থাকবে। ই-গভর্নেন্স ও ই-পরিষেবা সম্প্রসারিত করতে অব্যাহত ভূমিকা রাখবে।

৮. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, সুশাসন ও আইনের শাসন : জাসদ সরকার গঠনে ভূমিকা রাখলে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকারকে সকল বিষয়ে সংসদের কাছে জবাবদিহির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সংসদীয় সব কমিটি গঠন এবং সংসদীয় কমিটির প্রকাশ্য গণশুনানির ব্যবস্থা চালু করা হবে। সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংসদ সদস্যদের স্বাধীন ভূমিকা নিশ্চিত করা হবে। তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের সকল বিষয়ে জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করা হবে। সংবিধান ও আইন অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হবে। যত ক্ষমতাবানই হোক না কেন কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে ওঠার সুযোগ দেয়া হবে না। সকল মানুষের অধিকার রক্ষা করা হবে বা অধিকার অধিকার খর্ব হলে প্রতিকার পাবার ব্যবস্থা করে আইনের শাসন সুনিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চালানো হবে।

৯. আইনশৃঙ্খলা : আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশসহ সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সংবিধান ও আইন অনুযায়ী পরিচালনা করানো হবে এবং তাদেরকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়া হবে। এ সকল সংস্থার দক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা, ফৌজদারি অভিযোগের তদন্ত ও প্রসিকিউশন পৃথক করা, পুলিশ বিভাগ সংস্কার-পুনর্গঠন-শৃংখলা প্রতিষ্ঠা ও কার্যকর করার জন্য পুলিশ কমিশন গঠন করা হবে।

১০. সংসদ ও নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার: বর্তমান এক কক্ষবিশিষ্ট সংসদের বদলে শ্রমজীবী-কর্মজীবী-পেশাজীবী-নারী-ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা-আদিবাসী-স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি নিয়ে সংসদে উচ্চ কক্ষ গঠন করে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় ব্যবস্থা চালু করা হবে। বর্তমান সংসদ গঠনের জন্য অঞ্চলভিত্তিক প্রতিনিধিত্বের বদলে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি চালু করা হবে।

১১. স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ : জাসদ সরকার গঠনে ভূমিকা রাখলে নিয়মিত উপজেলা, জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠান হবে। স্থানীয় সরকারের ওপর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ মন্ত্রী, এমপি, আমলাদের সকল ধরনের নিয়ন্ত্রণ ও খবরদারি বন্ধ করে স্থানীয় সরকার কমিশনের ওপর স্থানীয় সরকারকে গতিশীল দায়বদ্ধ ও শক্তিশালী করতে আর্থিক ক্ষমতাসহ সকল দায়িত্ব অর্পণ করা হবে।

১২. শিক্ষা : জাসদ সরকার গঠনে ভূমিকা রাখলে শিক্ষাব্যবস্থার নিম্নমান-নৈরাজ্য-বিশৃঙ্খলা-বিপর্যয়-সংকটকে জাতীয় জরুরি অবস্থা হিসেবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার প্রদান করে শিক্ষা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে জাতীয় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। জাতীয় সংসদে আলোচনা এবং শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষক-গবেষক-বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে অবিলম্বে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে। যাতে করে সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষানীতি বদলের পুরাতন নোংরা রাজনীতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে। পাঠ্যপুস্তক থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ঐতিহ্যবাহী বাঙালি জাতীয় সংস্কৃতিবিরোধী সব উপাদান দূর করা হবে। সাম্প্রদায়িকতাভাবাপন্ন সব উপাদান রহিত করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে গ্রহণ করা হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

১৩. তরুণদের ভবিষ্যত নির্মাণ : জাসদ সরকার গঠনে ভূমিকা রাখলে দেশের প্রতিটি তরুণের জন্য নিশ্চিত ভবিষ্যত গড়তে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করার মতো মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করবে। শিক্ষা শেষে দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র বিস্তৃত করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিজ উদ্যোগে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র বিস্তৃত করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে যাতে করে প্রতিটি তরুণ যেন বেকার না থাকে এবং জাতীয় উন্নয়ন, সমাজ ও পরিবারের জন্য অবদান রাখতে পারে।

১৪. কর্মসংস্থান : গ্রাম-শহর, শিক্ষিত-নিরক্ষর, দক্ষ-অদক্ষ নির্বিশেষে সকল কর্মক্ষম নাগরিকের তালিকা প্রণয়ন করে তাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রদান করা হবে। প্রতি পরিবারে কমপক্ষে একজনের জন্য বছরে অন্তত ১০০ দিনের নিশ্চয়তাসহ কাজের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য প্রশিক্ষণ ও অর্থায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিদেশে শ্রমবাজার সৃষ্টির জন্য বিশেষ কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। কর্মসংস্থান কমিশন গঠন, চাকরি প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ও ডাটাবেজ তৈরি, সরকারি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি চাকরি প্রার্থীদের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হবে।

বিদেশ থেকে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী প্রবাসীদের কর্মস্থলে অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ নেয়া হবে। অদক্ষ শ্রমিকদের বিদেশে যাওয়ার পূর্বে সরকারি উদ্যোগে ভাষাগত প্রশিক্ষণ প্রদানে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা প্রদান, প্রবাসীদের দেশে আসা যাওয়ার পথে বন্দরে এবং এলাকায় বিশেষ মর্যাদা ও নিরাপত্তা প্রদান করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৫. মাদকের ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করা : মাদক ও নেশাদ্রব্যের সহজপ্রাপ্যতা রোধ, মাদক নেটওয়ার্ক ধ্বংসের কাজ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি কর্তব্য হিসেবে বিবেচনা করে শূন্য সহিষ্ণুতা দিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান কঠোরভাবে এগিয়ে নেয়া হবে।

এমএএস/এসআর/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :