স্বাধীনতা স্বীকার না করা বামপন্থীরা অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫৬ পিএম, ১৯ মার্চ ২০১৯

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরে এবং প্রতিষ্ঠার আগে ৯ মাসে আমরা যেমন একটা সুখময় সময় দেখেছিলাম, একটি জাতির সর্বশেষ্ঠ সময় দেখেছিলাম, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরে আমরা দেখেছি এদেশে লুকিয়ে থাকা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি অথবা সুবিধাবাদীরা, যারা ১৬তম ডিভিশন নামে পরিচিত হয়েছিল, তারা এবং যারা স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিল...এমন কী বামপন্থীদের মধ্যে যারা সেই স্বাধীনতাকে স্বীকার করেনি তারা সেদিন সারাদেশে সৃষ্টি করেছিল এক ধরনের অস্থিরতা।

আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস’ উপলক্ষে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় ১৪ দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খান মেনন বলেন, এই লোকগুলো মেতে উঠেছিল, এমন কী আমাদের সাথিরাও মেতে উঠেছিল নিজেদের সম্পদ বৃদ্ধি করার কাজে চুরিতে, রাহাজানিতে, পাটের গুদাম পুড়িয়ে দিতে। সেই দিন বঙ্গবন্ধু সুস্পষ্ট উচ্চারণ করেছিলেন এদেশ দুর্নীতির দেশ হতে দেবো না, চোরের দেশ হতে দেবো না।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন আমি ভিক্ষা করে বিদেশ থেকে রিলিফ নিয়ে আসি, আর তোমরা তা চুরি করে খেয়ে ফেল। আমি তা হতে দেবো না। সেই সময় নতুন ধনী সৃষ্টি হয়েছিল, যারা টাকার পাহাড় বানিয়ে দেশকে তাদের স্বর্গ রাজ্য করতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর আঘাত ছিল তাদের প্রতি, তাদের গ্রেফতার করেছিলেন। কিন্তু আজকে বাংলাদেশে সেই সমতা নেই।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা পরবর্তী সকল বক্তব্য সংকলিত করে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিন। যাতে করে ৭ই মার্চের বক্তৃতার মতো বজ্রকণ্ঠে এই বক্তব্যগুলো আমরা শুনতে পারি। বঙ্গবন্ধু আছেন এবং থাকবেন। কিন্তু আমরা বঙ্গবন্ধুর সাথে থাকবো কি না, তাকে অনুসরণ করবো কি না আমরা হৃদয়কে সেই প্রশ্ন করে যদি উত্তর পায় তাহলে বঙ্গবন্ধুর কথাকে জানতে হবে, বুঝতে হবে, উপলব্ধি করতে হবে এবং তাকে অনুসরণ করতে হবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (বাংলাদেশ জাসদ) সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, সাবেক ত্রাণ ও পূর্ণবাসনমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন মায়া প্রমুখ।

এইউএ/এনএফ/জেআইএম