‘ভোটারের অনুপস্থিতি একটি নীরব প্রতিবাদ’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:২৪ পিএম, ২২ মার্চ ২০১৯

‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে এটা দিনের আলোর মতো সত্য হয়ে গেছে যে, নির্বাচনে জনগণের ভোটের অধিকার বাকি যতটুকু ছিল তাও হরণ করা হয়েছে। মানুষ যে ভোটের প্রতি পুরোপুরি আস্থাহীন, চলমান উপজেলা নির্বাচনে তার প্রমাণ মিলেছে। ভোটকেন্দ্রে ভোটারের অনুপস্থিতি একটি নীরব প্রতিবাদ।

শুক্রবার মনিসিংহ-ফরহাদ স্মৃতি ট্রাস্টের আজাদ মুনির সেমিনার কক্ষে বাম ঐক্যফ্রন্টের ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি ও আজকের প্রেক্ষিত’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, ভোটের অধিকারের পাশাপাশি নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ সব মৌলিক অধিকারও ভূলুণ্ঠিত। শাসনতান্ত্রিক সংকট থেকেই এ পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। মানুষের নীরব প্রতিবাদ সরব হওয়ার ভাষা পেলেই এ সংকট থেকে মুক্তির পথ মিলবে।

তারা বলেন, শাসনতান্ত্রিক সংকট থেকে মুক্তি পেতে বর্তমানের ঔপনিবেশিক ধাঁচের স্বৈরতান্ত্রিক সংবিধান বাতিল করে প্রয়োজন হয়ে পড়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান প্রণয়ন করা।

গণমুক্তি ইউনিয়নের আহ্বায়ক ও বাম ঐক্যফ্রন্টের সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন আহম্মেদ নাসুর সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য দেন তেল গ্যাস রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, বিশিষ্ট আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার মুর্শেদ, বাসদ নেতা মহিনউদ্দিন চৌধুরী লিটন, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চার আহ্বায়ক জাফর হোসেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের আহ্বায়ক মাসুদ খান, ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নোমান খান, গণমুক্তি ইউনিয়নের রাজা মিয়া, শিবলীল বারী রাজু, ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী প্রমুখ।

এইউএ/জেডএ/এমকেএইচ