মুরসির মৃত্যুতে জামায়াতের শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:২৭ পিএম, ১৮ জুন ২০১৯

মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট ড. মুহাম্মদ মুরসি আদালতের এজলাসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। জামায়াতের আমীর মকবুল আহমাদ এবং সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান গভীর শোক প্রকাশ করেন।

জামায়াতে ইসলামির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এম. আলম স্বাক্ষরিত বার্তায় বলেন, মিশরের ইতিহাসে প্রথমবার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট ড. মুহাম্মদ মুরসি দেশটির আদালতের এজলাসে আকস্মিকভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত।

ড. মুরসির ইন্তেকালে গোটা মুসলিম উম্মাহ গভীরভাবে মর্মাহত। ড. মুরসিকে ২০১৩ সালে জে. আব্দুল ফাত্তাহ আল-সিসি অবৈধভাবে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতাচ্যুত করেন। ক্ষমতাচ্যুত করার পর তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে প্রায় ৬ বছর কারাগারে আটক রাখে।

সেই থেকেই মিশরের জনগণ ও মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতা-কর্মীদের ওপর চলছে হত্যা, জুলুম-নির্যাতন। এ ছাড়া মুসলিম ব্রাদারহুডের হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। জে. সিসি মিশর থেকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, জনগণের ভোটাধিকার হরণ ও ন্যায়বিচার নির্বাসনে পাঠিয়ে গোটা দেশকে একটি বৃহৎ কারাগারে পরিণত করেছেন।

২০১১ সালে দেশটিতে ব্যাপক সহিংসতার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় মুরসির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন দেশটির আদালত। পরে তা বাতিল করে পুনর্বিচারের আদেশ দেয়া হয়।

চার বছরের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেও মাত্র এক বছরের মাথায় সেনা অভ্যুত্থানের মুখে ২০১৩ সালে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেন মুরসি। পরে মিসরের এই প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় ২০১১ সালে দেশটির হাজার হাজার নাগরিককে কারাবন্দি ও শত শত নাগরিককে হত্যার অভিযোগ ওঠে তৎকালীন ক্ষমতাসীন মুরসি সরকারের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে কারাবন্দিদের বিরুদ্ধে গণআদালতে বিচারও শুরু হয়।

জেইউ/এমআরএম/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :