গণমাধ্যমে ভুল বার্তা দেয়া হয়েছে, দাবি মেননের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৫৪ পিএম, ২০ অক্টোবর ২০১৯
ফাইল ছবি

নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে দেয়া বক্তব্যের অংশবিশেষ গণমাধ্যমে ভুলভাবে প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেন, ‘বরিশাল জেলা পার্টির সম্মেলনে আমার একটি বক্তব্য সম্পর্কে জাতীয় রাজনীতি ও ১৪ দলের রাজনীতিতে একটা ভুল বার্তা গেছে।’

রোববার (২০ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি এ দাবি করেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমার বক্তব্য সম্পূর্ণ উপস্থাপন না করে অংশবিশেষ উত্থাপন করায় এ বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এ যাবতকালের নির্বাচন ১৪ দলের সংগ্রামেরই ফসল এবং সরকারও গঠিত হয়েছে ১৪ দলের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে। আজকে মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতার যে বিপদ বিদ্যমান তাকে মোকাবিলা করতে ১৪ দলের ওই সংগ্রামকেই এগিয়ে নিতে হবে।’

গতকাল শনিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে বরিশালে ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সম্মেলন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীসহ আমিও বিজয়ী হয়ে এমপি হয়েছি। এরপরও আমি সাক্ষী বিগত নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। বিগত জাতীয়, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি দেশের মানুষ। মেনন প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন, কেন দেশের মানুষ বিগত নির্বাচনগুলোতে ভোট দিতে পারেনি।’

বিবৃতিতে মেনন বলেন, ‘আমি কেবল এখনই নয়, জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে পার্লামেন্টে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছিলাম, ‘একাদশ সংসদের সফল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু অভিজ্ঞতাটি সুখকর নয়। বিএনপি-জামায়াত নির্বাচনে আসলেও নির্বাচনকে ভণ্ডুল করা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার কৌশল প্রয়োগ করেছে। ...এটা যেমন সত্য তেমনি এ ধরনের পরিস্থিতিতে অতি উৎসাহী প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বাড়াবাড়ি করতে পারে। কিন্তু তাতে এ নির্বাচন অশুদ্ধ বা অবৈধ হয়ে যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বক্তৃতায় আমি বলেছি, স্বাধীনতার পর থেকে এ যাবত জিয়া-এরশাদ-বিএনপি-জামায়াত আমলের ধারাবাহিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও ক্ষমতার অপব্যবহার ঘটেছে। বিভিন্ন সময় আমি প্রার্থী হিসেবে এ সব ঘটনার সাক্ষী। আমি বলেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে মিলে ভোটাধিকার ও ভোটের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে আমরা যে লড়াই করেছি তা যেন বৃথা না যায়, সে জন্য নির্বাচনকে যথাযথ মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে হবে।’

এইউএ/আরএস/এমএস