দাম বাড়লেও কৃষক ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না : দুদু

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:২৭ পিএম, ১৯ নভেম্বর ২০১৯

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই নৈরাজ্য বেড়ে যায়, দুর্ভিক্ষ হয়, খুন হয়, ধর্ষণ হয়, দেশে এক দল সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়লেও কৃষক ন্যায্যমূল্য মূল্য পাচ্ছে না।

পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী কৃষক দল আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দুদু বলেন, পেঁয়াজসহ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বেড়ে গেছে। এই জিনিসগুলোর যে দাম বেড়েছে এই দামটা কিন্তু কৃষকরা পাচ্ছে না। এ সমস্ত টাকা একটি গোষ্ঠী, একটি সিন্ডিকেট যারা সরকারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তারা নিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, গত ১২ বছর ধরে দেশের জনগণ দুর্বিসহ যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।এদেশের জনগণের ১৬ টাকা সের চাল যে নেত্রী খাওয়াইছেন সেই নেত্রীকে জেলে আটক করে রেখেছে সরকার।

সরকারের কারণে প্রশাসনের লোকজন জনগণের কাছে অপবাদের শিকার হচ্ছেন মন্তব্য করে দুদু আরও বলেন, সরকার এই দেশটাকে সারাবিশ্বে স্বৈরতান্ত্রিক রূপে প্রতিষ্ঠা করেছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের জাতি, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জাতি, অধিকার আদায়ের জাতি; সেই জাতিকে সারাবিশ্বে স্বৈরতান্ত্রিক জাতি হিসেবে রূপান্তরিত করেছে সরকার।

তিনি বলেন, স্বৈরতন্ত্র গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। বাংলাদেশে ন্যূনতম গণতন্ত্র নেই। যদি দেশের জনগণ বিরোধী দল মিডিয়া এই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলে তাহলে তারা আপনাদের নামে মামলা দিয়ে বাধ্য করবে চুপ থাকতে। সুতরাং এই দেশে আবার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে না পারলে এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে না।

কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা এস কে সাদীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য তকদির হোসেন মো. জসিম, এ এন এম রহমাতুল্লাহ, কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. মাইনুল ইসলাম, শাহজাহান মিয়া সম্রাট, আলিম হোসেন, লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, এম জাহাঙ্গীর আলম, যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কেএইচ/বিএ/এমকেএইচ