বিদ্যুতের বিষয়ে প্রথম থেকেই চুরির আশ্রয় নিয়েছে সরকার

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৪৪ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯

বিদ্যুৎ বিষয়ে এই সরকার প্রথম থেকেই প্রতারণা ও চুরির আশ্রয় নিয়েছে। গত ১১ বছরে তারা ভাড়াভিত্তিক কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোকে ৬৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি ভর্তুকি দিয়েছে। বিদুতের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির একমাত্র কারণ এটিই- কুইক রেন্টালের নামে লুণ্ঠন। এই সরকার সিন্ডিকেটের সরকার, বিদ্যুৎ হোক পেঁয়াজ হোক, সিন্ডিকেট বেধেই তারা জনগণের ওপর লুটপাট চালায়।

বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিদ্যুতের দাম সপ্তমবারের মতো বৃদ্ধির তৎপরতার প্রতিবাদে গণসংহতি আন্দোলনের আয়োজনে একটি প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া, মনিরউদ্দীন পাপ্পু, জুলহাসনাইন বাবু প্রমুখ।

Zonayed-saki-2.jpg

জোনায়েদ সাকি বলেন, বলা হয়েছিল কুইক রেন্টাল স্বল্প মেয়াদে কার্যকর থাকবে, এর মাঝে সরকার বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করবে যেখানে সস্তায় বিদ্যুৎ মিলবে। কিন্তু শুরুতে ২০১৩ সালের কথা বলে এখন তা ২০১৯ পর্যন্ত বাড়িয়ে নেয়া হয়েছে। এরপর এখন বলা হচ্ছে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কুইক রেন্টাল চলবে। অর্থাৎ কতিপয় লুটেরা গোষ্ঠীর বিদ্যুৎ নিয়ে লুটপাটের দায় জনগণকে দশকের পর দশক ধরে বয়ে বেড়াতে হবে।

সমাবেশে শেষে একটি মিছিল পল্টন মোড়, জিরো পয়েন্টের নূর হোসেন চত্বর, বায়তুল মোকাররম ঘুরে আবারও প্রেসক্লাবে আসে। এরপর কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় নেতা জুলহাসনাইন বাবু।

এফএইচএস/এমএসএইচ/এমএস