কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন : সুষ্ঠু তদন্ত চায় জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:০৩ পিএম, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯

রাজধানীর কেরানীগঞ্জের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত ও অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিট পরিদর্শন ও চিকিৎসাধীন দগ্ধ রোগীদের খোঁজখবর নেয়ার পর জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল এ দাবি জানান। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের প্রচার বিভাগের মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ সাইফ স্বাক্ষরিত বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বুলবুল বলেন, কেরানীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে বহু মানুষ হতাহতের মর্মান্তিক দৃশ্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। অগ্নিদগ্ধ মানুষের অসহনীয় কষ্ট আমাদের সবাইকে বিমর্ষ করে তুলেছে। সরকারের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতায় একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, মূলত জনগণের কাছে জবাবদিহিতা না থাকায় সরকারের কাছে মানুষের জীবনের নিরাপত্তার বিষয়টি সবসময় অবহেলিত ও উপেক্ষিত থাকছে।

এসময় অন্যদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য কামাল হোসাইন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলওয়ার হোসাইন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য আশরাফুল আলম ইমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে কেরানীগঞ্জের ওই প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত।

এ ঘটনায় ৩০ জনকে দগ্ধ অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন উইনিটে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। ১০ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেইউ/এসআর/পিআর