দুই নম্বরি করলে ৩০ তারিখ থেকে সরকার পতনের আন্দোলন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৫৮ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২০

নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠান এবং ফলাফল ঘোষণা- এটাই শেষ খেলা নয় বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

তিনি বলেন, তারা (আওয়ামী লীগ) মনে করতে পারে এটাই ফাইনাল খেলা। কিন্তু এবার বিএনপি এবং বিরোধী দল ঘোষণা করেছে যদি দুই নম্বরি করে তবে ৩০ তারিখ থেকে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত সিটি নির্বাচনে ইভিএম বাতিলের দাবিতে এক মানববন্ধনে তিনি একথা বলেন।

মান্না বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এক অদ্ভুত জীব। তাকে যাই বলেন উনি শুনবে, শোনার পর তার নিজের কথাই বলবে। উনি যে কিছু শুনেছেন এটা মনে হবে না। আমরা যে কয়েকবার গিয়েছি তার সঙ্গে কথা বলতে, এই একই ঘটনা দেখেছি। যেখানে নির্বাচন কমিশনার নিজেই চোর, নিজেই ডাকাত। তার আবার ইভিএম নিয়ে এত কথাবার্তা, এটা শুনে আমাদের লাভ নেই।

ইভিএম নিয়ে তিনি বলেন, কোনো কারণে যদি কারো আঙুলের ছাপ না মিলে তাহলে প্রিসাইডিং অফিসার সেখানে ১০০টির মধ্যে ২৫টি ভোট নিজে দিতে পারবেন। এর চাইতে ফরটুয়েন্টি আর কি হতে পারে।

বিভিন্ন দেশের ইভিএম বাতিল নিয়ে মান্না বলেন, জার্মানি ইভিএম আবিষ্কার করেছিল কিন্তু সেখানে ইভিএমে কোনো ভোট হয় না। আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডসেও সে পদ্ধতি বাতিল করেছে। ভারতেও নির্বাচন কমিশন বিভিন্নজনের মতামত নিয়ে ইভিএমের পরিবর্ধন সংশোধন করেছে। সেখানেও ইভিএম নিয়ে প্রচুর কথাবার্তা হয়েছে।

বাংলাদেশে যিনি এই ইভিএমের ডিজাইন করেছিলেন তিনি বলছেন, ডিজাইনটা ঠিকমতো অনুসরণ করা হয়নি। জামিলুর রেজা চৌধুরী সেটাতে স্বাক্ষর পর্যন্ত করেননি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, এটা চালু করেছি যাতে দিনের ভোট রাতে না হয়। তার মানে আগে যে ভোট রাতে হয়েছিল সেটা তিনি স্বীকার করেছেন।

তিনি আরও বলেন, একটা মেশিন আমরা যেভাবেই কাজে লাগাতে চাই, সেভাবে কাজে লাগানো যায়। আমরা যদি মনে করি ইভিএমের মধ্যে আমরা সেরকম কমান্ড দেব, আপনি যেখানেই চাপ দেন নৌকা মার্কায় সিলটা যাবে। ভেতরের ঘটনা তো দেখতে পাচ্ছেন না। সুতরাং এটা বাতিল করতে হবে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন গণতন্ত্র ফোরামের সভাপতি ভিপি ইব্রাহিম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

কেএইচ/জেএইচ/পিআর