গণজোয়ার দেখে প্রতিপক্ষ ভয় পাচ্ছেন : তাবিথ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৩৪ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২০

জনগণের গণজোয়ার দেখে প্রতিপক্ষ ভয় পেয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) বিএনপির মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর আশকোনার হাজী ক্যাম্প এলাকায় জনসংযোগকালে তিনি একথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তাবিথ বলেন, আমাদের পক্ষে ব্যাপক যে গণজোয়ার, এটি দেখে আমার প্রতিপক্ষ আতিকুল ইসলাম ভয় পেয়ে গেছেন। মানসিকভাবে উনি অস্বস্তিতে আছেন। তাই উনি এ রকম সত্য ঘটনাকেও (তাবিথের ওপর হামলা) বিব্রত কথা বলে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করেছি যে, ওই এলাকায় (গাবতলী) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী উপস্থিত থেকে আমাকে চিহ্নিত করে হামলাটি করেছিলেন। বিশেষ করে উনারা চেষ্টা করেছিলেন, আমি যেনো মাথায় এবং মুখে আঘাত পায়। যদিও তাতে তারা সফল হয়নি। এখন উনারা আবার পুলিশকে দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। আমরা চেয়েছিলাম একটা অভিযোগ দাখিল করতে। কিন্তু দারুস সালাম থানার ওসি আমাদের অভিযোগ নেননি। এখন নির্বাচন কমিশনের তদন্তের অপেক্ষায় আছি। উনারা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে কি পায় সেটা দেখে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।

তাবিথ বলেন, আমরা কখনও তাদের সঙ্গে (আওয়ামী লীগ) মুখোমুখি হয়নি। আমরা যখন গণসংযোগ করতে গেছি তখন অনেক আওয়ামী লীগের কাউন্সিলরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছি। আমরা তাদের অফিসেও গিয়েছি, দোয়া চেয়েছি, শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। আজকেও দেখছি আমার উল্টো দিকে আওয়ামী লীগের কিছু সমর্থকরা জড়িত হয়েছেন। আমাদের নেতা আ স ম আব্দুর রব যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন আমি লক্ষ্য করেছি তাদের অনেকেই উনাকে সমর্থন দিয়েছেন। উনার কথার সঙ্গে এক হয়েছেন। এতে বুঝা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের সব কর্মীরাও উনাদের নেতাদের আচরণ দেখে ঘৃণা করছেন। উনাদের নেতাদের কথা শুনে বিরক্ত হচ্ছেন। কারণ সবাই চায় শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করতে।

হামলাার ঘটনায় ইসি কি ব্যবস্থা নিচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সিম্পল একটা ইনভেস্টিগেশন চালু করেছে। ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করছি উনাদের তদন্ত কি পায়, সেটি দেখার জন্য। তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল আরও আগ থেকে প্রোডাক্টিভ হওয়া। ম্যাজিস্ট্রেটের উচিত ছিল, মাঠ পর্যায়ে অ্যাকটিভ থাকা। আশা করছি, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের অভিযোগ প্রমাণ করে ম্যাজিস্ট্রেট রিপোর্ট দেবেন। তারপর আমরা মন্তব্য করব।

কেএইচ/জেএইচ/জেআইএম