জাসদ নেতা নূর আলম জিকুর দশম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৪৭ এএম, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আজ ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিলো আমাদের মুখের ভাষা। ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালে অর্জিত হয় কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা।

আর এই বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের অন্যতম পথিকৃৎ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত জাসদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হলো নূর আলম জিকু। গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিপ্লবী আন্দোলনের অন্যতম এই নেতার আজ (২১ ফেব্রুয়ারি) দশম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১০ সালের এই দিনে তিনি মারা যান। তিনি জাসদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কার্যকরী সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

জাসদের এই প্রয়াত নেতার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। এর মধ্যে সকাল ৬ টায় দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলণ ও দলীয় পাতাক অর্ধনমিতকরণ, সকাল ১০টায় মিরপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে নূর আলম জিকুর সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পণ এবং সকাল সাড়ে ১০টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্স চত্বরে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এক যৌথ বিবৃতিতে দলটির প্রয়াত নেতা নূর আলম জিকুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছেন, নূর আলম জিকু ষাটের দশকের শুরুতেই জাতীয়তাবাদী ছাত্র আন্দোলনকে স্বাধীনতার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। প্রয়াত নূর আলম জিকুই স্বাধীনতার সংগ্রামের অন্যতম রূপকার সিরাজুল আলম খানকে ১৯৬২ সালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করতে প্রধান ভূমিকা পালন করেন।

জাসদের এই দুই শীর্ষ নেতা আরও বলেন, নূর আলম জিকু ১৯৬২ সালে ছাত্রলীগ থেকে বিদায় নিয়ে আওয়ামী লীগের তরুণ নেতা এবং বঙ্গবন্ধুর মনোনীত দূত হিসেবে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করতে কাজ করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে মুজিব বাহিনীর দক্ষিণ আঞ্চলের ডেপুটি কমান্ডার হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালন করেন। তিনি স্বাধীন দেশের প্রথম বিরোধী দল জাসদ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে জাসদ নেতা হিসাবে গণতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে ভূমিকা রাখেন।

এফএইচএস/এমএফ/এমকেএইচ