মোদিকে আমন্ত্রণ মানে শেখ মুজিবকে অপমান : জাফরুল্লাহ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৫৮ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো মানে শেখ মুজিবকে অপমান করা বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, আজকে বাংলাদেশের একটি নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে কীভাবে এই ঘৃণ্য ব্যক্তিকে প্রধান বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ করে, আমরা বুঝি না। আজকে মোদিকে এ দেশে আমন্ত্রণ করা মানে শেখ মুজিবকে অপমান করা। শেখ মুজিবের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন, আমরা বঙ্গবন্ধুর প্রতি অসম্মান মেনে নিতে পারি না। আমরা আশা করছি, আমাদের প্রধানমন্ত্রী এই আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করে দেবেন। আমন্ত্রণ প্রত্যাহার না করলে এ দেশের জনগণ বাধ্য হবে ‘নরেন্দ্র মোদি ফিরে যাও’ আন্দোলন করতে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দেশ ‘বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন’ সংগঠনের আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

জাফরুল্লাহ বলেন, হিটলারের উত্তরসূরী হলো এ যুগের ইবলিশ অমিত সাহা। অমিত সাহা ও নরেন্দ্র মোদি মিলে নাগরিক অধিকার আইনের নামে অত্যন্ত অযৌক্তিক অন্যায় করেছে। এতে ভারতের কিছু লোক প্রতিবাদে সরব হয়েছে। আমরা ভারতের জ্ঞানী মানুষদের ওপর আস্থা রাখতে চাই।

মোদির উদ্দেশে তিনি বলেন, এই শয়তানের পরিকল্পনা সফল হতে দেয়া যাবে না। এরা মানবতার শত্রু। এরা ভারতকে ধ্বংস করে মানবতায় অগ্নিসংযোগ করছে।

খালেদা জিয়ার জামিন প্রসঙ্গে জাফরুল্লাহ বলেন, গণতন্ত্রের নেত্রী আজকে ন্যায়বিচার পায় কি না, আমরা দেখতে চাই। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে আমি আশা করছি, তারা জামিন দেবেন। বঙ্গবন্ধুকে সম্মান করলে আজকে দায়িত্ব হবে মানবিক দিক বিবেচনা করে খালেদা জিয়াকে জামিনে মুক্তি দেয়া। দেশে চিকিৎসা কিংবা বিদেশে চিকিৎসা এটা তার ব্যাপার। কিন্তু এই মুহূর্তে তার একমাত্র চিকিৎসা উন্মুক্ত আলো-বাতাস। বিচারকরা খালেদা জিয়াকে দেখলেই বুঝতে পারবেন যে, তার জামিন অত্যাবশ্যক।

সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদ খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন, কল্যাণ পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান তামান্না, সংগঠনের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক আনোয়ার, রুবেল আকন্দ, কবির হোসেন জিহাদী, রায়হানুল ইসলাম রাজু, রাম সাহা প্রমুখ।

কেএইচ/জেডএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]