আওয়ামী লীগ প্রার্থী আচরণবিধি ভাঙছেন : রবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২৭ পিএম, ০৯ মার্চ ২০২০

ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি অভিযোগ করে বলেছেন, ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচনী আচরণ বিধি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যে সমঝোতা হয়েছে তা লঙ্ঘন করছেন। তিনি নির্ধারিত স্থানের বাইরে ব্যানার-পোস্টার লাগাচ্ছেন। এছাড়া বিভিন্নভাবে তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন।

সোমবার বিকেলে নিউমার্কেট এলাকায় গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রবিউল আলম এসব কথা বলেন।

ধানের শীষের এ প্রার্থী নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন যেন তাকে এ বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করেন এবং নির্বাচনী প্রচারণা বিষয়ে কমিশনের নিয়ম পালনে বাধ্য করেন। সরকার ও নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষ নির্বাচন করে তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর ভরাডুবি হবে। ধানের শীষের প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।

এর আগে বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন ধানের শীষের এ প্রার্থী। এসময় তার প্রচারণায় প্রথমবারের মতো যোগ দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি ও দলটির যুগ্ম মহাসচিব হাবীব উন নবী খান সোহেল।

পরে তারা নিউমার্কেট, নিউ সুপার মার্কেট, উত্তর ডি-ব্লক, বাটা সিগন্যাল, বাংলামোটর হয়ে হক টাওয়ারের নীচে এসে পথসভার মাধ্যমে নবম দিনের গণসংযোগ শেষ করেন।

পথসভায় হাবীব উন নবী খান সোহেল বলেন, আমাদের ঘরে ঘরে মানুষের কাছে যেতে হবে। ধানের শীষ মার্কায় ভোট চাইতে হবে। আমাদের লড়াই শুধু বিএনপির প্রার্থীকে বিজয়ী করা নয়, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা এবং তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার লড়াই।

তিনি বলেন, শেখ রবি বন্যার জলে ভেসে আসেনি। প্রধানমন্ত্রীর ভ্যানিটি ব্যাগে টাকা দিয়ে মনোনয়ন পাননি। তিনি রাজপথে লড়াই করে নেতা হয়েছেন। নির্বাচনী লড়াইয়েও তিনি বিজয়ী হবেন।

এর আগে সকালের প্রচারণায় শেখ রবিউল আলম গণসংযোগ করেন রাইফেলস স্কয়ার, স্টার কাবাব, পপুলার হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায়। এসময় ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তিনি তাদের নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান।

bnp

এসময় তিনি বলেন, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস করে আওয়ামী লীগ গণধিকৃত দলে পরিণত হয়েছে। তারা যত তাড়াতাড়ি এটা বুঝতে পারবে ততোই তাদের জন্য মঙ্গল, দেশের জন্য মঙ্গল।

রবি বলেন, নির্বাচনী এলাকার একটি বৃহৎ অংশ আগে অভিজাত আবাসিক এলাকা ছিল কিন্তু দিন দিন তা অভিজাত বস্তিতে রূপ নিচ্ছে। ধানমন্ডি এলাকাকে আবাসিক এলাকার মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে হবে। মাদক ও জলাবদ্ধতার কবল থেকে রক্ষা করতে হবে। এখানকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা নিতে হবে। সেগুলো বাস্তবায়নে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে। আমি জনগণের যথাযথ প্রতিনিধি হয়ে এসব ক্ষেত্রে জোরালো ভূমিকা রাখতে পারব বলে বিশ্বাস করি।

এসময় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশীদ (ভিপি হারুন), মহানগর বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক যুবায়ের এজাজ, নিউমার্কেট থানা বিএনপির সভাপতি মকবুল হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারী, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু তাহের, ধানমন্ডি থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কাবিরুল হায়দার চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসাইন সৈকত, শ্রমিক দলের সভাপতি আবু কাওছারসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে রাজধানীর ঝিগাতলা থেকে শুরু করে ১৪ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ করবেন বিএনপির এই প্রার্থী।

কেএইচ/এমএফ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]