লকডাউনের আগে পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৪৬ পিএম, ২৪ মার্চ ২০২০

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, কোভিড-১৯ ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউন করে চীন অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবতায় লকডাউন করার আগে আটকে পড়া মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার, পানি এবং ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার কথা ভাবতে হবে। কারণ, অনেক মানুষই দিন আনে দিন খায়। আবার টাকা থাকলেও তো অনেকেই খাবার কিনতে বের হতে পারবে না। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে হতদরিদ্রদের কথা ভাবতে হবে। অন্যথায় উপকারের চেয়ে অপকার হয়ে যেতে পারে।

মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে এক ভিডিও বার্তায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, কোভিড-১৯-এর আতঙ্কে আতঙ্কিত সারাবিশ্ব। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশেও। মানুষ বুঝতে পারছে না এই ভাইরাস আমাদের কতটা ক্ষতি করবে বা ভবিষ্যত কী হতে পারে।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারকে সব ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত আছে জাতীয় পার্টি। যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী আমরা সার্বিকভাবে সরকারকে সহায়তা করব। জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে সারাদেশে করোনা মেকাবিলায় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারণা চলছে। জাতীয় পার্টি সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করছে।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, রোগটি মারাত্মক ছোঁয়াচে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। অনেকেরই সর্দি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট হয়, সে অনুযায়ী স্বাভাবিক চিকিৎসা নেয়াই উত্তম। বর্তমান বাস্তবতায় হাসপাতালগুলোর জরুরি বিভাগে ভিড় করা ঠিক নয়। এতে প্রকৃত করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা ব্যাহত হবে।

তিনি বলেন, এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগে মৃত্যুর হার ২ থেকে ৩ ভাগ। ইতোমধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তারা বয়োবৃদ্ধ এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। স্বস্তির বিষয় হচ্ছে ৮ থেকে ১০ বছর বয়সের নিচের শিশুরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে না। আবার অধিকাংশ বয়স্করাও চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হতেও পরামর্শ দেন পার্টির চেয়ারম্যান।

জি এম কাদের বলেন, কেউ সর্দি, কাশি, জ্বর বা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাকে যেন অস্পৃশ্য ভেবে ঘৃণা না করি, তার চিকিৎসা যেন ব্যাহত না হয়। সবাই যেন মানবিক আচরণ করি আক্রান্ত মানুষদের সঙ্গে।

এইউএ/জেএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]