সরকার শুধু আছে টেলিভিশনে : ফখরুল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৪৪ পিএম, ০৫ মে ২০২০

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ‘সরকার কোথাও নেই, শুধু আছে টেলিভিশনে’ বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন। গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। এতে বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান ও শামসুদ্দিন দিদার উপস্থিত ছিলেন।

ফখরুল বলেন, ‘‘আমি তো এখন দেখছি যে, সরকার কোথায়? সরকার এখন রাস্তাতেও নেই।”

তিনি বলেন,‘‘সরকার এক জায়গায় আছে, শুধু টেলিভিশনে। আর কিন্তু তারা (সরকার) কোথাও নেই। আপনি খেয়াল করে দেখবেন- এভরি বডি ইজ ইন দি টেলিভিশন, নো বডি ইজ এ্যানি হোয়ার।”

সংকট মোকাবিলায় বিরোধী দলকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ এবং স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদদের নিয়ে টাস্ক ফোর্স গঠন করার দাবিও কর্ণপাত না করায় সরকারের সমালোচনা করেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘ আমরা বলেছিলাম সর্বদলীয় একটা উদ্যোগ গ্রহণ করার কথা। সেই উদ্যোগও গ্রহণ করেনি তারা। এটা বাদ দিয়ে ব্যুরোক্রেট-বিশেষজ্ঞ ছাড়া স্বনামধন্য যারা আমাদের দেশে আছেন তাদের নিয়েও টাস্ক ফোর্স গঠন করার দাবি আমরা করেছিলাম। সেটাও করা হয়নি। যেমন ধরেন- ড. রেহমান সুবহান সাহেব আছেন, মির্জা আজিজুল ইসলাম সাহেব আছেন, হোসেন জিল্লুর রহমান সাহেব, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্ আছেন, ড. সালেহউদ্দিন সাহেব আছেন, রাশেদ তিতুমীর সাহেব আছেন। এনাদের ডেকে তো পরামর্শ নিতে পারতেন। কিন্তু সেটা তারা নেননি।”

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে একটা টেকনিক্যাল কমিটি করেছে। সেখানে দেখবেন অনেক বরণ্যে চিকিৎসক বাদ পড়েছে এবং এই ধরনের ভাইরাল ডিজিজের সঙ্গে যারা লেখাপড়া করেছেন তাদের সম্পৃক্তই করা হয়নি। সেখানে দলীয়কলণ করা হয়েছে।”

ফখরুল বলেন, ‘‘এই সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের দূরদৃষ্টি একেবারেই নেই, রাজনীতি বলেন বা রাষ্ট্র পরিচালনার প্রজ্ঞা, সেই প্রজ্ঞারও অভাব। চরম উদাসীনতা এবং দাম্ভিকতা-অহংকার ছাড়া আর কিছুই তাদের কাছে নেই। যার ফলে আজকে যতই তারা বলুক তারা জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে, সেটা জনগন মেনে নিতে পারছে না।”

শপিংমল খুলে দেয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফখরুল বলেন, ‘‘ গত ৪ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারিকৃত এই প্রজ্ঞাপনে সরকার রমজান ও ঈদের কথা বলে প্রথমে তাৎক্ষণিকভাবে এবং পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত বদলিয়ে ১০ মে থেকে দোকানপাট খুলে দিয়েছে পারস্পরিক দূরত্ব ও অন্যান্য প্রতিপালনের শর্তসাপেক্ষে। এটা আমাদের কাছে বোধগম্য না। কাকে সুযোগ করে দিচ্ছেন?”

তিনি বলেন, ‘‘শপিংমল খুলে দিচ্ছেন, খুব ভালো কথা। ঈদে আপনার মানুষগুলো যারা কাজ করে, কাপড় তৈরি করে, কেনাবেচা করে ছোট-বড় ব্যবসায়ী, তাদের জন্য প্রয়োজন আছে। সেটা কী আমার মানুষের জীবনের বিনিময়ে? একটা মাস কি সেটা নিয়ন্ত্রণ করা যেত না। একটা মাস নিয়ন্ত্রণ করে সুযোগ সৃষ্টি করা যেত না। আসলে সরকার ব্যর্থ হয়েছে, সমাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যর্থতার কারণে আজকে দেশকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।”

তিনি বলেন, ‘‘সরকার যে শাটডাউন তুলে নিচ্ছে, এতে করে যে ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে- এটা কেন করছে? এটা আমাদের কাছে যেটা মনে হয়, সেটা হচ্ছে যে, তাদের অজ্ঞতা, উদাসীনতা এবং জনগণের কাছে যে জবাবদিহি নেই কারণে এটা করতে তারা সমর্থ হচ্ছে। আজকে যদি সত্যিকারঅর্থে জনগণের নির্বাচিত সরকার থাকত, তাহলে কিন্তু এটা করা সম্ভব হত না।”

ফখরুল বলেন, ‘‘ মানুষের জীবন-জীবিকা দুইটাই যেমন রাখতে হবে ঠিক, সংক্রমণ যেহেতু এখনও ঊর্ধ্বমুখী, সেহেতু আরও কিছুদিন ধরে অবরুদ্ধ সমাজিক দূরত্ব নীতিমালা কঠোরভাবে পালন করা উচিত ছিল। কারখানাগুলো এমনভাবে খোলা যেতে পারত যে, ধীরে ধীরে একটা কারখানায় সব ব্যবস্থাকে নিশ্চিত করে, শ্রমিকদের যে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সেটা নিশ্চিত করেই কারখানাগুলো করা যেত। সেটা তো করা হয়নি। এতো আপনার রেকলেসলি একেবারে বলা যেতে পারে, কোনো রকমের কোনো দূরদর্শিতার প্রমাণ সরকারের দেখতে পাইনি। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের অদূরদর্শিতা, সমন্বয়হীনতা এবং চরম উদাসীনতা এখানে প্রমাণ হচ্ছে।”

তিনি বলেন, ‘‘ আজকে শুনলাম এক ভদ্রলোক বলছেন, শপিংমল খুলবে না কেন? অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তো চালু রাখতে হবে। আমরাও তো চাই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু রাখতে। বাট ওয়াট কজ। সেটা কী জনগণের জীবনের মূল্যে? তাদের বাঁচিয়ে রেখেই তো সব কিছু করবেন। এটাই তো রাষ্ট্র। রাষ্ট্র যারা পরিচালনা করেন তাদের দায়িত্ব যে,দেশের মালিক জনগণ, তাদের কীভাবে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, কীভাবে তাদের কল্যাণ করা যায়, তা দেখতে হবে।”

ফখরুল আরও বলেন, ‘‘ করোনা সমস্যা শুধু বাংলাদেশের নয়, বৈশ্বিক সমস্যা। অন্যান্য দেশ কীভাবে কাজ করছে, এর মধ্যে তো অনেক দেশ আছে তারা কীভাবে সফল হয়েছে তা সরকারের দেখা উচিত। কীভাবে ভিয়েতনাম পারলো, কীভাবে গ্রীসের মতো দেশ পারলো। আসলে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা যেসব বিধি দিয়েছিল সেগুলোকে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে অনুসরণ করেই কিন্তু তারা সফল হয়েছে।”

‘লকডাউনে’ গার্মেন্টস খোলার বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপি মুখপাত্র বলেন, ‘‘ এখন সবই খুলে দেয়া হয়েছে। আমরা টেলিভিশনের যেটা দেখছি, সেটা হচ্ছে-ভয়ংকর পরিস্থিতি একটা। বেশির ভাগ কারখানায় নিরাপত্তার যে ন্যূনতম ব্যবস্থা, সেইগুলো নেই। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সরকার ঋণ প্যাকেজ ঘোষণা করলেও অধিকাংশ শ্রমিক এখনও বেতন-ভাতা পাননি।'

গার্মেন্টসসহ শিল্প কল-কারাখানায় সরকারের জেলাওয়ারি একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘ গার্মেন্টসসহ শিল্পকারখানায় করোনা পজেটিভ রোগীর সংখ্যা ১১,১০৯ জন আর মারা গেছেন ১৯৪ জন।”

সরকারি ত্রাণসামগ্রী প্রসঙ্গ তিনি বলেন, ‘‘ এখন আমরা দেখছি যে, কিছু কিছু জায়গায় ত্রাণ দিচ্ছে তা চাহিদার তুললায় এতই অপ্রতুল যে, স্থানীয় প্রতিনিধি আছেন সরকারের উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিউয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তারা বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। আমি আমার এলাকা (ঠাকুরগাঁও) যোগাযোগ করে দেখেছি যে, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আছেন তারা বলছেন, এটা না দিলে আমরা ভালো থাকতাম। কারণ, প্র্রয়োজন হচ্ছে ৪৫০ হাজার লোকের সেই জায়গায় পাচ্ছি আমরা ৪‘শ। কীভাবে আপনি সমাধান করবেন? ঘটনা কিন্তু তাই।”

কৃষিখাতে প্রসঙ্গে টেনে ফখরুল বলেন, ‘‘ সরকার বলছেন, ২২ লাখ টন চাল কিনবেন। এখন পর্যন্ত বোরো ধান কেনার কাজ শুরু হয়নি। যার ফলে কৃষকরা ক্ষেতের মধ্যে অত্যন্ত কম মূল্যে ৬০০ টাকা মূল্যে ধান বিক্রি করছে। ময়মনসিংহে হাওর অঞ্চলে এই দামে ধান কৃষকরা বিক্রি করছে বলে আমার কাছে খবর এসেছে।”

করোনা মোকাবিলায় দলের ত্রাণ কার্য্ক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘ বিএনপি রাজধানীসহ সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে জরুরি খাদ্য সহযোগিতা নিয়ে। ইতোমধ্যে ত্রাণ যে বিতরণ করা হয়েছে তা সারাদেশে ১২ লক্ষে পৌঁছেছে।”

ফখরুল বলেন, ‘‘যুক্তরাজ্যেও বিএনপির পক্ষ থেকে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সেখানে খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে হাসপাতালগুলোতে ন্যাশনাল ইন সার্ভিস যেটা আছে তাদের কাছে।”

কেএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১,৯৮,৫৩,১৭১
আক্রান্ত

৭,৩০,৫০২
মৃত

১,২৭,৫৩,১৬১
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ২,৫৭,৬০০ ৩,৩৯৯ ১,৪৮,৩৭০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫১,৫১,৯০১ ১,৬৫,০৯২ ২৬,৩৮,৬৮১
ব্রাজিল ৩০,১৩,৩৬৯ ১,০০,৫৪৩ ২০,৯৪,২৯৩
ভারত ২১,৬৭,৪২০ ৪৩,৫৮৩ ১৪,৮৯,০০৫
রাশিয়া ৮,৮৭,৫৩৬ ১৪,৯৩১ ৬,৯৩,৪২২
দক্ষিণ আফ্রিকা ৫,৫৩,১৮৮ ১০,২১০ ৪,০৪,৫৬৮
মেক্সিকো ৪,৭৫,৯০২ ৫২,০০৬ ৩,১৮,৬৩৮
পেরু ৪,৭১,০১২ ২০,৮৪৪ ৩,১৯,১৭১
কলম্বিয়া ৩,৭৬,৮৭০ ১২,৫৪০ ২,০৪,৫৯১
১০ চিলি ৩,৭১,০২৩ ১০,০১১ ৩,৪৪,১৩৩
১১ স্পেন ৩,৬১,৪৪২ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
১২ ইরান ৩,২৬,৭১২ ১৮,৪২৭ ২,৮৪,৩৭১
১৩ যুক্তরাজ্য ৩,১৩,৪৮৩ ৪৬,৫৬৬ ৩৪৪
১৪ সৌদি আরব ২,৮৮,৬৯০ ৩,১৬৭ ২,৫২,০৩৯
১৫ পাকিস্তান ২,৮৪,১২১ ৬,০৮২ ২,৬০,২৪৮
১৬ ইতালি ২,৫০,১০৩ ৩৫,২০৩ ২,০১,৯৪৭
১৭ আর্জেন্টিনা ২,৪১,৮১১ ৪,৫৫৬ ১,০৮,২৪২
১৮ তুরস্ক ২,৩৯,৬২২ ৫,৮২৯ ২,২২,৬৫৬
১৯ জার্মানি ২,১৬,৯১১ ৯,২৬১ ১,৯৭,৪০০
২০ ফ্রান্স ১,৯৭,৯২১ ৩১,০১৭ ৮২,৮৩৬
২১ ইরাক ১,৫০,১১৫ ৫,৩৯২ ১,০৭,৭৭৫
২২ ফিলিপাইন ১,২৯,৯১৩ ২,২৭০ ৬৭,৬৭৩
২৩ ইন্দোনেশিয়া ১,২৫,৩৯৬ ৫,৭২৩ ৮০,৯৫২
২৪ কানাডা ১,১৯,২২১ ৮,৯৭৬ ১,০৩,৫৬৬
২৫ কাতার ১,১২,৯৪৭ ১৮৪ ১,০৯,৭০৯
২৬ কাজাখস্তান ৯৮,৭০১ ১,০৫৮ ৭২,২৭৩
২৭ মিসর ৯৫,৩১৪ ৪,৯৯২ ৫১,৬৭২
২৮ ইকুয়েডর ৯৩,৫৭২ ৫,৯১৬ ৭১,৬০৫
২৯ বলিভিয়া ৮৯,০৫৫ ৩,৫৮৭ ২৮,৯০৪
৩০ চীন ৮৪,৬১৯ ৪,৬৩৪ ৭৯,১৬৮
৩১ ইসরায়েল ৮২,৫১৫ ৫৯৭ ৫৭,৪৮৩
৩২ সুইডেন ৮২,৩২৩ ৫,৭৬৬ ৪,৯৭১
৩৩ ওমান ৮১,৫৮০ ৫১৩ ৭৪,৬৯১
৩৪ ইউক্রেন ৮০,৯৪৯ ১,৮৯৭ ৪৩,৯৭২
৩৫ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৭৮,৭৭৮ ১,২৮৯ ৪২,৫৩৮
৩৬ পানামা ৭৩,৬৫১ ১,৬০৯ ৪৭,৪৮৪
৩৭ বেলজিয়াম ৭৩,৪০১ ৯,৮৭০ ১৭,৭৬৬
৩৮ কুয়েত ৭১,৭১৩ ৪৭৮ ৬৩,৫১৯
৩৯ বেলারুশ ৬৮,৮৫০ ৫৮৭ ৬৪,৯৩৫
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬২,৫২৫ ৩৫৭ ৫৬,৫৬৮
৪১ রোমানিয়া ৬১,৭৬৮ ২,৭০০ ৩০,১১৯
৪২ নেদারল্যান্ডস ৫৮,৫৬৪ ৬,১৫৭ ২৫০
৪৩ গুয়াতেমালা ৫৬,১৮৯ ২,১৯৭ ৪৪,০৭২
৪৪ সিঙ্গাপুর ৫৫,১০৪ ২৭ ৪৮,৫৮৩
৪৫ পর্তুগাল ৫২,৫৩৭ ১,৭৫০ ৩৮,৩৬৪
৪৬ পোল্যান্ড ৫১,৭৯১ ১,৮০৭ ৩৬,৬৯১
৪৭ হন্ডুরাস ৪৬,৯৭৩ ১,৪৭৬ ৬,৪২৮
৪৮ নাইজেরিয়া ৪৬,১৪০ ৯৪২ ৩৩,০৪৪
৪৯ জাপান ৪৫,৪৩৯ ১,০৩৯ ৩১,৩০৭
৫০ বাহরাইন ৪৩,৬২৯ ১৬২ ৪০,৫৪৯
৫১ ঘানা ৪১,০০৩ ২১৫ ৩৮,৩৩০
৫২ আর্মেনিয়া ৪০,৪১০ ৭৯১ ৩২,৫২০
৫৩ কিরগিজস্তান ৩৯,৯১৯ ১,৪৬৮ ৩১,৮২২
৫৪ আফগানিস্তান ৩৭,০৫৪ ১,৩১২ ২৫,৯৬০
৫৫ সুইজারল্যান্ড ৩৬,৬০৩ ১,৯৮৬ ৩২,০০০
৫৬ আলজেরিয়া ৩৪,৬৯৩ ১,২৯৩ ২৪,০৮৩
৫৭ আজারবাইজান ৩৩,৫৬৮ ৪৯০ ৩০,৩৬৪
৫৮ মরক্কো ৩২,০০৭ ৪৮০ ২২,১৯০
৫৯ উজবেকিস্তান ৩০,৪৬৪ ১৯২ ২১,৮১৩
৬০ সার্বিয়া ২৮,০৯৯ ৬৪১ ১৪,০৪৭
৬১ মলদোভা ২৭,৪৪৩ ৮৪১ ১৯,১০০
৬২ আয়ারল্যান্ড ২৬,৬৪৪ ১,৭৭২ ২৩,৩৬৪
৬৩ কেনিয়া ২৫,৮৩৭ ৪১৮ ১১,৮৯৯
৬৪ ভেনেজুয়েলা ২৪,৯৬১ ২১৫ ১৩,৩৫৬
৬৫ নেপাল ২২,৯৭২ ৭৫ ১৬,৩৫৩
৬৬ কোস্টারিকা ২২,৮০২ ২২৮ ৭,৫৮৯
৬৭ ইথিওপিয়া ২২,২৫৩ ৩৯০ ৯,৭০৭
৬৮ অস্ট্রিয়া ২২,০৩৩ ৭২১ ১৯,৯২৩
৬৯ অস্ট্রেলিয়া ২১,০৮৪ ২৯৫ ১১,৫৬১
৭০ এল সালভাদর ২০,৪২৩ ৫৪৯ ৯,৬২৬
৭১ চেক প্রজাতন্ত্র ১৮,২৩৫ ৩৯০ ১২,৭৬৪
৭২ ক্যামেরুন ১৮,০৪২ ৩৯৫ ১৫,৩২০
৭৩ আইভরি কোস্ট ১৬,৬২০ ১০৪ ১২,৮৯৩
৭৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১৪,৫৯৮ ৩০৫ ১৩,৬৪২
৭৫ ডেনমার্ক ১৪,৪৪২ ৬১৭ ১২,৮৪০
৭৬ ফিলিস্তিন ১৪,২০৫ ৯৬ ৭,৯৪৫
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১৩,৬৮৭ ৩৯৪ ৭,৩৭৩
৭৮ বুলগেরিয়া ১৩,৩৪৩ ৪৪৫ ৭,৭১৮
৭৯ মাদাগাস্কার ১৩,০৮৬ ১৪৮ ১০,৮১৬
৮০ সুদান ১১,৮৯৪ ৭৭৩ ৬,২৪৩
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১১,৭৫৪ ৫২৩ ৭,৬২২
৮২ সেনেগাল ১১,১৭৫ ২৩২ ৭,৩৫২
৮৩ নরওয়ে ৯,৬১৫ ২৫৬ ৮,৮৫৭
৮৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৯,৪৫৪ ২২৪ ৮,৩২৪
৮৫ মালয়েশিয়া ৯,০৮৩ ১২৫ ৮,৭৮৪
৮৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮,২৬৭ ৪৮ ৭,৫০১
৮৭ জাম্বিয়া ৮,০৮৫ ২৩৫ ৬,৬৯৮
৮৮ গ্যাবন ৭,৯২৩ ৫১ ৫,৭০৪
৮৯ গিনি ৭,৮৭৫ ৫০ ৬,৮২৮
৯০ তাজিকিস্তান ৭,৭০৬ ৬২ ৭,২৩৫
৯১ হাইতি ৭,৬১১ ১৮২ ৪,৮৯৩
৯২ ফিনল্যাণ্ড ৭,৫৮৪ ৩৩১ ৬,৯৮০
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৭,১৬৯ ১২০ ৫,৮৪৮
৯৪ প্যারাগুয়ে ৬,৭০৫ ৭২ ৫,১৮১
৯৫ মৌরিতানিয়া ৬,৫১০ ১৫৭ ৫,৫২৭
৯৬ আলবেনিয়া ৬,২৭৫ ১৯৩ ৩,২৬৮
৯৭ লেবানন ৬,২২৩ ৭৮ ২,০৪৩
৯৮ ক্রোয়েশিয়া ৫,৬০৪ ১৫৭ ৪,৮৬১
৯৯ গ্রীস ৫,৪২১ ২১১ ১,৩৭৪
১০০ জিবুতি ৫,৩৩৮ ৫৯ ৫,০৮৩
১০১ লিবিয়া ৫,২৩২ ১১৩ ৬৯১
১০২ মালদ্বীপ ৪,৮৯৮ ১৯ ২,৭৯১
১০৩ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৪,৮২১ ৮৩ ২,১৮২
১০৪ হাঙ্গেরি ৪,৬৯৬ ৬০২ ৩,৪৯৯
১০৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৬৪১ ৫৯ ১,৭১৬
১০৬ মালাউই ৪,৬২৪ ১৪৩ ২,৩২৯
১০৭ জিম্বাবুয়ে ৪,৫৭৫ ১০২ ১,৪১৬
১০৮ হংকং ৪,০৮০ ৫১ ২,৮৪৭
১০৯ নিকারাগুয়া ৩,৯০২ ১২৩ ২,৯১৩
১১০ কঙ্গো ৩,৬৬৪ ৫৮ ১,৫৮৯
১১১ মন্টিনিগ্রো ৩,৫৮৮ ৬২ ২,৪০৭
১১২ থাইল্যান্ড ৩,৩৫১ ৫৮ ৩,১৫১
১১৩ সোমালিয়া ৩,২২৭ ৯৩ ১,৭২৮
১১৪ ইসওয়াতিনি ৩,১২৮ ৫৬ ১,৫৬৫
১১৫ মায়োত্তে ৩,০৬৮ ৩৯ ২,৮৩৫
১১৬ কিউবা ২,৮৮৮ ৮৮ ২,৪৪২
১১৭ শ্রীলংকা ২,৮৪১ ১১ ২,৫৭৯
১১৮ কেপ ভার্দে ২,৮৩৫ ৩২ ২,০৭৩
১১৯ নামিবিয়া ২,৮০২ ১৬ ৫৭৫
১২০ স্লোভাকিয়া ২,৫৯৬ ৩১ ১,৮৬৪
১২১ মালি ২,৫৬৫ ১২৫ ১,৯৬০
১২২ দক্ষিণ সুদান ২,৪৬৩ ৪৭ ১,১৭৫
১২৩ সুরিনাম ২,৩০৬ ২৯ ১,৫৫৮
১২৪ লিথুনিয়া ২,২৫২ ৮১ ১,৬৭০
১২৫ স্লোভেনিয়া ২,২৪৯ ১২৭ ১,৯২৭
১২৬ মোজাম্বিক ২,২৪১ ১৬ ৮৩২
১২৭ এস্তোনিয়া ২,১৫২ ৬৯ ১,৯৬১
১২৮ রুয়ান্ডা ২,১৩৪ ১,৩০০
১২৯ গিনি বিসাউ ২,০৫২ ২৯ ৯৪৪
১৩০ আইসল্যান্ড ১,৯৫৫ ১০ ১,৯০৭
১৩১ বেনিন ১,৯৩৬ ৩৮ ১,৬০০
১৩২ সিয়েরা লিওন ১,৮৯৫ ৬৮ ১,৪৪২
১৩৩ ইয়েমেন ১,৭৯৭ ৫১২ ৯১০
১৩৪ তিউনিশিয়া ১,৬৭৮ ৫১ ১,২৫৯
১৩৫ অ্যাঙ্গোলা ১,৫৭২ ৭০ ৫৬৪
১৩৬ নিউজিল্যান্ড ১,৫৬৯ ২২ ১,৫২৪
১৩৭ উরুগুয়ে ১,৩৩৫ ৩৭ ১,১১২
১৩৮ লাটভিয়া ১,২৯০ ৩২ ১,০৭০
১৩৯ উগান্ডা ১,২৬৭ ১,১১৫
১৪০ জর্ডান ১,২৪৬ ১১ ১,১৭৮
১৪১ লাইবেরিয়া ১,২৩৪ ৭৯ ৭১৪
১৪২ সাইপ্রাস ১,২৩৩ ১৯ ৮৫৬
১৪৩ জর্জিয়া ১,২২৫ ১৭ ১,০০০
১৪৪ বুর্কিনা ফাঁসো ১,১৭৫ ৫৪ ৯৭৪
১৪৫ নাইজার ১,১৫৭ ৬৯ ১,০৫৭
১৪৬ সিরিয়া ১,১২৫ ৫০ ৩৩১
১৪৭ গাম্বিয়া ১,০৯০ ১৯ ১৪৬
১৪৮ মালটা ১,০৮৯ ৬৮৪
১৪৯ টোগো ১,০৪৬ ২৩ ৭২১
১৫০ জ্যামাইকা ১,০০৩ ১৩ ৭৪৫
১৫১ এনডোরা ৯৫৫ ৫২ ৮৩৯
১৫২ চাদ ৯৪২ ৭৬ ৮৩৯
১৫৩ বাহামা ৮৭৮ ১৪ ৯৯
১৫৪ ভিয়েতনাম ৮৪১ ১১ ৩৯৫
১৫৫ বতসোয়ানা ৮০৪ ৬৩
১৫৬ লেসোথো ৭৪২ ২৩ ১৭৫
১৫৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৫৮ সান ম্যারিনো ৬৯৯ ৪৫ ৬৫৭
১৫৯ রিইউনিয়ন ৬৮১ ৬৩১
১৬০ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৯৭ ৪৮ ৫৫৫
১৬১ গায়ানা ৫৫৪ ২৩ ১৮৯
১৬২ আরুবা ৫০৯ ১১৪
১৬৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৬৪ তাইওয়ান ৪৮০ ৪৪৩
১৬৫ বুরুন্ডি ৪০৫ ৩১২
১৬৬ কমোরস ৩৯৯ ৩৬৯
১৬৭ মায়ানমার ৩৬০ ৩১২
১৬৮ মরিশাস ৩৪৪ ১০ ৩৩৪
১৬৯ মার্টিনিক ৩৩৬ ১৬ ৯৮
১৭০ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৭১ ফারে আইল্যান্ড ৩০৩ ২১৫
১৭২ মঙ্গোলিয়া ২৯৩ ২৬৩
১৭৩ গুয়াদেলৌপ ২৯০ ১৪ ১৮৬
১৭৪ ইরিত্রিয়া ২৮৫ ২৪৫
১৭৫ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ২৭৫ ১৩৫
১৭৬ কম্বোডিয়া ২৪৮ ২১৭
১৭৭ পাপুয়া নিউ গিনি ২১৪ ৫৩
১৭৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৩ ২০২
১৭৯ জিব্রাল্টার ১৯৭ ১৮৪
১৮০ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১৯৭ ৩৯
১৮১ সিন্ট মার্টেন ১৮৯ ১৭ ৮৬
১৮২ বারমুডা ১৫৭ ১৪৪
১৮৩ বেলিজ ১৪৬ ৩২
১৮৪ ব্রুনাই ১৪২ ১৩৮
১৮৫ বার্বাডোস ১৩৮ ১০৮
১৮৬ মোনাকো ১৩১ ১১২
১৮৭ সিসিলি ১২৬ ১২৫
১৮৮ ভুটান ১০৮ ৯৬
১৮৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯২ ৭৬
১৯০ লিচেনস্টেইন ৮৯ ৮৫
১৯১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬৯ ৬২
১৯২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫৬ ৪৯
১৯৩ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৯৪ সেন্ট মার্টিন ৫৩ ৪১
১৯৫ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৬ কিউরাসাও ৩১ ৩০
১৯৭ ফিজি ২৭ ১৮
১৯৮ সেন্ট লুসিয়া ২৫ ২৪
১৯৯ পূর্ব তিমুর ২৫ ২৪
২০০ গ্রেনাডা ২৪ ২৩
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৩ ২২
২০২ লাওস ২০ ১৯
২০৩ ডোমিনিকা ১৮ ১৮
২০৪ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৭ ১৬
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৬ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৭ সেন্ট বারথেলিমি ১৩
২০৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ পশ্চিম সাহারা ১০
২১২ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৩ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]