লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দাবি বাসদের

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:৩১ পিএম, ৩১ মে ২০২০

লিবিয়ায় অভিবাসন প্রত্যাশী ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার এবং নিহত-আহতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ (মার্কসবাদী)।

রোববার (৩১ মে) এক বিবৃতিতে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মুবিনুল হায়দার চৌধুরী এ দাবি জানান।

নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রতি বছর মানব পাচারকারী চক্রের ফাঁদে পড়ে দেশের অসংখ্য শ্রমিক হত্যা-নির্যাতন-সাগরে নৌকা ডুবে প্রাণ হারাচ্ছে। দেশের অনেক বেকার যুবক প্রলোভনে পড়ে ইউরোপ পাড়ি দিতে জায়গা-জমি বিক্রি করে জীবনের সব সঞ্চয় তুলে দেয় দালালদের হাতে। এই দালাল বা পাচারকারী চক্র বিভিন্ন দেশ ঘুরে লিবিয়া হয়ে অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি পাঠানোর চেষ্টা করে শ্রমিকদের।

মুবিনুল হায়দার বলেন, গত কয়েক বছরে প্রায়ই সংবাদমাধ্যমে দেখেছি, ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে শত শত বাংলাদেশি শ্রমিতের মৃত্যু হয়েছে। সাত বছরে ভূমধ্যসাগরে এভাবে নৌকা ডুবে মারা গেছে ৬ হাজার ৯০৬ জন, নিখোঁজ প্রায় ১২ হাজার, যাদের অধিকাংশ বাংলাদেশি। এছাড়া পাচারকারীরা পথে বিভিন্নভাবে শ্রমিকদের বন্দী বা জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে। কখনও হত্যা করে নয়তো সাগরে ফেলে দেয়। এবারের ঘটনাও অতীতের এসব ঘটনার ধারাবাহিকতা।

গত ২৮ মে লিবিয়া সাহারা মরুভূমি অঞ্চলের মিজদা শহরে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এতে আহত হয় আরও ১১ জন।

বাংলাদেশিসহ ওই অভিবাসীদের মিজদা শহরের একটি জায়গায় টাকার জন্য জিম্মি করে রেখেছিল মানবপাচারকারী চক্র। এ নিয়ে এক পর্যায়ে ওই চক্রের সঙ্গে মারামারি হয় অভিবাসী শ্রমিকদের। এতে এক মানবপাচারকারী নিহত হয়। তারই প্রতিশোধ হিসেবে সেই মানবপাচারকারীর লোকজন এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

এফএইচএস/এমএসএইচ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]