পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৫:০১ পিএম, ০১ জুলাই ২০২০

পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে কথিত গোল্ডেন হ্যান্ডশেক প্রক্রিয়ায় শ্রমিক বিদায়ের ঘোষণা বাতিলের দাবি জানিয়েছে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন।

বুধবার (১ জুলাই) পাটকল বন্ধ ও শ্রমিক ছাঁটাই ঘোষণার প্রতিবাদে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালিত হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ফেডারেশনের সভাপতি কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য ও ঘোষণা পাঠ করেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক আমিন। বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের দফতর সম্পাদক কামরুল হাসান, প্রচার সম্পাদক আনোয়ার আলী, করিম জুট মিল লেবার ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মো. জেল হোসেন ও সদস্য মকবুল হোসেন।

সমাবেশে সংহতি বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোস্তফা আলমগীর রতন, ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক কিশোর রায়। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন ফেডারেশনের সম্পাদক শাহানা ফেরদৌসি লাকী।

নেতারা বলেন, পাটমন্ত্রী লোকসানের কথা বলে, শ্রমিকদের ওপর তার দায় চাপিয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। অথচ লোকসানের জন্য দায়ী বিজেএমসি নামক মাথাভারী প্রশাসন, যারা পাট ক্রয়ে দুর্নীতি, মৌসুমে পাট সরবরাহে অনিয়ম, অসময়ে বেশি দামে পাট ক্রয় এবং উৎপাদিত পাটপণ্য বিপণনে ব্যর্থতা দেখিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

বক্তারা বলেন, পাট চাষ ও পাট শিল্প বাংলাদেশের ঐতিহ্য, বাংলাদেশের ব্র্যান্ড। দেশের ৪৫ লাখ কৃষক পাট চাষের সঙ্গে যুক্ত, পাট ও পাট শিল্পের সঙ্গে ৪ কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত। বাংলাদেশের আত্মপরিচয়ের আন্দোলনের সঙ্গে পাট ও পাটশিল্প জড়িত। পাটকল বন্ধ হলে পাটসংশ্লিষ্ট মানুষের জীবনে অন্ধকার নেমে আসবে। নেতারা পাট শিল্পকে লাভজনক করার জন্য সরকারি উদ্যোগে পুরোনো যন্ত্রের বদলে আধুনিক ও উন্নতমানের প্রযুক্তি সংযোজনের দাবি জানান। এতে তারা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

এফএইচএস/এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]