আত্মাহুতির যুদ্ধে যাওয়া যাবে না : আলাল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৩২ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

বাস্তবতার নিরিখে বিচার করে তারপর অগ্রসর হওয়ার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের তাগিদ দিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

তিনি বলেছেন, এমন কোনো যুদ্ধে যাওয়া যাবে না যে যুদ্ধে নিশ্চিত পরাজয় জেনে আত্মাহুতি দিতে হবে। বরং অনেক যুদ্ধ আছে যেখানে পরাজয় বরণ করলেও সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী নবীন দলের উদ্যোগে ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইসহাক সরকারের মুক্তির দাবিতে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আলাল বলেন, রাজনীতিতে যে পরিবর্তনটা দরকার, ধাপে ধাপে সবকিছুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়া, বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও দেশের পরিস্থিতির সঙ্গে গণতন্ত্রের বিকাশ ও ধ্বংস এই দুটিকে গভীর পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ করে, একটার সঙ্গে তাল মেলানো আর একটাকে প্রতিহত করা– এই দায়িত্বটা আমরা ঠিকমত পালন করতে পেরেছি কিনা সেটা ভেবে দেখা দরকার। তা না হলে আমি কেন আপনাদের রাগকে পুঁজি করে রাজপথে নামতে বলবো? আপনাদের বাবা-মাকে আমার কী জবাব দেব? আপনার পরিবারের কাছে কী জবাব দেব? আবেগ সব সময় প্রাধান্য দিলে চলবে না। বাস্তবতার নিরিখে বিচার করে তারপরে অগ্রসর হতে হবে।

তিনি বলেন, পলাশীর প্রান্তরে লর্ড ক্লাইভ ও মীর জাফরের কাছে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হয়েছিলেন, কিন্তু এত বছর পরেও কোনো মা কি তার সন্তানের নাম মীর জাফর রাখেন? বরং নবাব সিরাজউদ্দৌলা নাম রাখে। অর্থাৎ পরাজিত লোকেরাই সম্মান বেশি পেয়ে থাকে। পরাজিত লোকে ইতিহাসে স্থান পেয়ে থাকে। ওই বিজয়ীরা কখনো স্থান পায় না। আজকের সরকার হচ্ছে ওই ধরনের বিজেতা। অর্থাৎ ইতিহাসে তাদের কোথায় স্থান হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তা দেখবে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন আহমেদ তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল রানা প্রমুখ বক্তব্য করেন।

কেএইচ/এমএসএইচ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]