জাতি ড. আফতাব হত্যার প্রকৃত রহস্য জানতে চায় : মোস্তফা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:১৮ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
ফাইল ছবি

ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা বলেছেন, ‘দেশের প্রখ্যাত রাষ্ট্র বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আফতাব আহমেদ হত্যার ১৪ বছর হলেও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার এখনও হয়নি। হত্যাকাণ্ডের রহস্য জাতি আজও জানতে পারেনি। যা দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। জাতি ড. আফতাব আহমেদ হত্যার প্রকৃত রহস্য জানতে চায়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায়। আইনের শাসনের অভাবের কারণেই তার হত্যার বিচার আজও হয়নি।’

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নয়াপল্টনে ড. আফতাব আহমেদের ১৪তম হত্যাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন আয়োজিত স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আবাসিক কোয়ার্টারে ঢুকে অধ্যাপক আফতাব আহমেদকে হত্যার ঘটনায় কূল কিনারা করতে পারছে না পুলিশ। প্রায় দেড় দশকেও তদন্ত শেষ করতে পারেনি তারা। ফলে এর আদৌ বিচার হবে কি না, এ নিয়ে সংশয় কাটছে না। মামলার বাদী নূরজাহান আফতাব এরই মধ্যে মারা গেছেন। তার স্বজন, সহকর্মী বা বিভাগের (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) শিক্ষার্থীরাও এই মামলা নিয়ে আর সোচ্চার নন। যা হতাশাজনক।’

মোস্তফা বলেন, ‘একজন প্রাজ্ঞ দেশপ্রেমিক শিক্ষক ছিলেন তিনি। জয় বাংলা স্লোগানেরও অন্যতম প্রবক্তা ছিলেন আফতাব আহমেদ। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি একজন সক্রিয় মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধাদের ‘বীরশ্রেষ্ঠ’, ‘বীরউত্তম’, ‘বীরবিক্রম’, ‘বীরপ্রতীক’ এই খেতাবগুলোর প্রস্তাব তিনিই প্রথম করেন। রাজনৈতিক পথের ভিন্নতা থাকলেও এ কথা বলতেই হবে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এবং দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন। যা থেকে আমাদের শেখার আছে অনেক কিছু।’

সংগঠনের সমন্বয়ক কৃষক মো. মহসিন ভুইয়ার সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন- সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ও এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, সাংবাদিক এহসানুল হক জসীম, রাজনীতিক স্বপন কুমার সাহা, মো. কামাল ভুইয়া, শ্রমিক নেতা আবদুল্লাহ আল কাউছারী প্রমুখ।

কেএইচ/এফআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]