হত্যা-ধর্ষণ-দুর্নীতি সরকারের ভোটডাকাতির প্রতিফলন : জেএসডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৩৯ এএম, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

রাতের আঁধারে জনগণের ভোট কারচুপি করে যে সরকার রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে সে সরকার জনগণের জান-মাল এবং ইজ্জতের সুরক্ষা দেয়ার সামর্থ্য রাখে না বলে মনে করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি।

দলটি বলেছে, এটা গত কয়েক বছরে বহুবার প্রমাণিত হয়েছে। সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার জন্য অপরাজনীতিকে জাতীয় সংস্কৃতির অংশে পরিণত করেছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দলটির সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

জেএসডি নেতারা বলেন, ক্ষমতাসীনদের অপসংস্কৃতি শিরা-উপশিরা ধরে বহমান রক্তপ্রবাহের মতো সমাজের সর্বত্র ছড়িয়ে যাচ্ছে। হত্যা-খুন-ধর্ষণ এবং দুর্নীতি সরকারের ভোটডাকাতির প্রতিফলন। আইনের শাসনবিহীন একটি সমাজ কত ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ আজকের বাংলাদেশ।

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণসহ অব্যাহত নারী নির্যাতন, খুন ও দুর্নীতির ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেয়া বিবৃতিতে নেতারা বলেন, সরকারের প্রশ্রয় ছাড়া বাংলাদেশে কোনো অপরাধ সংঘটনের কারো ক্ষমতা নেই। হত্যা-ধর্ষণ-দুর্নীতি যতটুকু উদঘাটিত হচ্ছে সবখানেই সরকারের দলীয় লোক জড়িত।

‘সরকার ছাত্ররাজনীতিকে টেন্ডার-ধর্ষণে রূপান্তর করেছে, যাতে ছাত্ররাজনীতি ক্ষমতাসীনদের অধীনস্থ থাকে। ছাত্ররা যেন অপশাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ না করতে পারে। এগুলো শাসকশ্রেণির সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতি ক্রমাগত সমাজের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করেছে।’

বিবৃতিতে জেএসডি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, ধর্ষণ, হত্যা ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে যেমন বিচারের আওতায় আনতে হবে তেমনি বিদ্যমান শাসনব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করতে হবে। জনগনের সমর্থন, সম্মতি ও রায় ছাড়া ক্ষমতা যাওয়ার বা থাকার অপরাজনীতিকে বিদায় করতে না পারলে রাষ্ট্র আরও বড় ধরনের সংকটে নিমজ্জিত হবে এবং বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ রুদ্ধ হয়ে পড়বে। তারা বলেন, এসব মৌলিক প্রশ্নে জাতিকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

এইউএ/এসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]