মানুষের মুখের হাসি কেড়েছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:০০ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

সাধারণ মানুষের মুখের হাসি কেড়ে নিয়েছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

তারা বলেন, করোনার কারণে এক দিকে মানুষের আয় কমেছে, অন্যদিকে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।

নেতারা বলেন, স্বল্প আয়ের এসব মানুষের হাসি-কান্না অনেকটাই নির্ভর করে নিত্যপণ্যের মূল্যের ওপর। মূল্য কম থাকলে তারা পেটভরে খেতে পারেন। মূল্য লাগামছাড়া হলে অনেক সময় না খেয়ে কাটাতে হয় তাদের।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তারা এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে হঠাৎ করেই বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। এছাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে ভোজ্যতেল ও চালের দামও। সবজির দাম প্রতি সপ্তাহে বেড়েই চলেছে। পাশাপাশি বেড়েছে ডালের দামও। এসবের দাম নিয়ন্ত্রণের কেউ আছে বলে দেশবাসী জানে না।

তারা বলেন, বাজারে আগুন জ্বলছে। সত্যিই যেন সব বাজারে জ্বলছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির আগুন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বাড়তি দাম। সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের নতুন মূল্য। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের সঙ্গে সাধারণ মানুষের শ্রমের মূল্য তো বৃদ্ধি পায়নি।

কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, এই অস্থিতিশীল অবস্থা নিরসনে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া বাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

তারা আরও বলেন, দুর্নীতির পর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতা ও উদাসীনতা দেশবাসীকে হতাশ করেছে। দ্রব্যমূল্যের বাজারকে অসহনীয় করার জন্য দায়ী সরকারের ব্যর্থ মন্ত্রীরাই। তারা ব্যবসায়ীদের অসৎ সিন্ডিকেট ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছে। দলীয় ব্যবসায়িদের সিন্ডিকেট না ভাঙতে পারলে এবং টিসিবিকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

কেএইচ/এএইচ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]