সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীকে গ্রেফতারে উদ্বেগ ন্যাপ’র

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৫ পিএম, ২৩ অক্টোবর ২০২০

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ও দৈনিক সংগ্রামের চিফ রিপোর্টার রুহুল আমিন গাজীকে তার কর্মস্থল থেকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তারা বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে যে কোনো অভিযোগে প্রায়শই স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রেফতার পরিচালিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশিরভাগ মামলার কারণ ক্ষমতাসীন, জেলা প্রশাসন এবং ক্ষমতায় থাকা লোকদের সম্পর্কে সমালোচনা। হাইকোর্ট থেকে জামিনে থাকা এবং নিম্ন আদালত সেটা অবগত থাকার পরও সেই মামলায় হাজিরার দোহাই দিয়ে রুহুল আমিন গাজীর মত একজন সিনিয়র সাংবাদিককে গ্রেফতার করা কেন? আশ্চর্যের বিষয়, একজন সাংবাদিক নেতাকে বিনা নোটিশে না জানিয়ে কী করে এভাবে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ?

নেতৃদ্বয় বলেন, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সরকার তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও দণ্ডবিধির ১২৪-ক ধারায় মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। তাকে হয়রানি করার হীন উদ্দেশ্যে নন এফআইআর মামলায় প্রসিকিউশন দাখিল করে মূল মামলায় জামিনে থাকা সত্ত্বেও গ্রেফতার করে সরকার সংবিধান ও মৌলিক মানবাধিকার সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছে। এ ধরনের ঘটনা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা।

জেবেল রহমান গানি ও এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, দেশে স্বাধীন মুক্ত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাংলাদেশের অবস্থান সর্বনিম্ন। বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫১তম। দেশে মুক্তমত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই। গণতন্ত্রহীন, বিচারহীন, সাংবাদিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাহীন অবস্থায় চলছে। হাইকোর্ট থেকে জামিনে থাকার পরও নিম্ন আদালতের আদেশে কীভাবে তাকে গ্রেফতার করা হলো বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ।

বাংলাদেশ ন্যাপ নেতৃদ্বয় অবিলম্বে সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

কেএইচ/এইচএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]