ইবতেদায়ি শিক্ষকদের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান ন্যাপ’র

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৫১ এএম, ২৪ নভেম্বর ২০২০

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষাকে জাতীয়করণসহ সাত দফা দাবিতে আন্দোলনরত ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের সকল দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনরত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি শিক্ষকদের দাবি সম্পূর্ণ যৌক্তিক। সরকারের উচিত মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ বন্ধ করা।’

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ‘রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে জাতীয়করণ করার পরও বারবার ওয়াদা দেয়া সত্ত্বেও রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে জাতীয়করণ করছে না সরকার। এই সকল মাদ্রাসার বহু শিক্ষক ৩০-৩৫ বছর যাবৎ বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত। বেতন-ভাতা ছাড়াই অনেকেরই চাকরিজীবনের সমাপ্তি হয়ে যাচ্ছে। এটা অত্যন্ত অমানবিক।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘এই শীতের মধ্যে ১০দিন ধরে প্রেসক্লাবের সামনে রাস্তায় খোলা আকাশের নীচে অবস্থানরত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের দাবির প্রতি সরকার কোনো কর্ণপাত করছে না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক। তিন যুগ ধরে শিক্ষকদের কেউ কেউ বিনা বেতনে আবার কেউ সামান্য বেতনে শিক্ষাসেবা অব্যাহত রেখেছেন। বারবার সরকার পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু অসহায় শিক্ষকদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। তাই শিক্ষকরা রাজপথে নেমে এসেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা বলেন, ‘শিক্ষকরা বাধ্য হয়েই রাজপথে নেমে এসেছেন। তাদের ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে শিক্ষকদের সম্মানের সাথে ঘরে ফিরতে সাহায্য করুন।’

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক সমিতির আয়োজনে চলমান অবস্থান ধর্মঘটের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে তারা আরও বলেন, ‘শিক্ষকরা জাতীর সম্পদ। তাদের স্নেহ-মমতায় শিক্ষার্থীরা আদর্শবান হিসেবে গড়ে উঠে। শিক্ষকদের ভাগ্যের উন্নয়ন না করলে জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।’

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় অবিলম্বে স্বীকৃতপ্রাপ্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে জাতীয়করণসহ সাত দফা দাবি মেনে নেয়ার এবং আন্দোলনরত ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীরা যাতে ঘরে ফিরে গিয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে আত্মনিয়োগ করতে পারে তার ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

কেএইচ/এআরএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]