পহেলা ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতির দাবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৫৬ পিএম, ০১ ডিসেম্বর ২০২০

মুক্তিযুদ্ধের নায়কদের সম্মান জানাতে পহেলা ডিসেম্বর দিনটিকে জাতীয়ভাবে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ) মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একসাগর রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ ও লাল-সবুজের পতাকা প্রতিষ্ঠিত করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। বার্ধক্যের কারণে দিনে দিনে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কমছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে বিজয়ের মাসের প্রথম দিনটি ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি যৌক্তিক।

মঙ্গলবার (০১ ডিসেম্বর) নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাপ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার নবনির্বাচিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে গোলাম মোস্তফা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ আর কষ্টে জন্ম বাংলাদেশের। অথচ সেই মুক্তির নায়কদের সম্মান ও স্মরণ করার নির্দিষ্ট একটি দিন নেই বাংলাদেশে। ২০০৪ সাল থেকে ১ ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। সরকারের সংশ্লিষ্টরা দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করলেও দেড় দশক ধরে উপেক্ষিত রয়েছে এই দাবি। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির আগেই এই দাবির বাস্তবায়ন করা উচিত।

ন্যাপ মহাসচিব আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা, একটি স্বাধীন দেশের জন্য কতটা ত্যাগ-তিতীক্ষা-মূল্য দিতে হয়েছে সেই ইতিহাস তুলে ধরার জন্য মুক্তিযোদ্ধা দিবস প্রয়োজন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. জসিমউদ্দিন মাহমুদ তালুকদার, জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফেজ সানাউল্লাহসহ জেলা নেতৃবৃন্দ।

কেএইচ/এসএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]