শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি ন্যাপের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৪১ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

হাট-বাজার, অফিস-আদালত, পরিবহন, শপিং মল, পর্যটন কেন্দ্রগুলো চলছে দীর্ঘদিন আগে থেকেই। এছাড়া নিয়মিত সভা-সমাবেশ, নানান দিবস উদযাপন এবং নির্বাচনী প্রচারণা চলছে। তাহলে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা কোথায়? এমন মন্তব্য করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে কোথাও কোনো স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। সব কিছু খোলা রেখে শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে, এটা বলা কতোটা যুক্তিসঙ্গত? সবকিছু তথাকথিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলে দেওয়া হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে এতো দ্বিধা কেন? শিক্ষক-কর্মকর্তাসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকলের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হলে তারা কি চুপ থাকতেন?’

তারা আরও বলেন, ‘সকলে এখন নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি নিয়েই ব্যস্ত। প্রায় এক বছর হতে চললো সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে আছে। এ নিয়ে কারো বিন্দুমাত্র মাথা ব্যথা নেই, যেমন নেই শিক্ষকদের। প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী আহমদ ছফা যথার্থই বলেছেন। শিক্ষক সমাজ থাকলে তারা চুপ করে আরাম আয়েশে দিন কাটাতেন না।’

তারা বলেন, ‘সরকার কী এমন আশঙ্কা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে ভয় পাচ্ছে? একটি শিক্ষার্থীর জীবন তাদের কাছে খুবই মূল্যবান। এখন পর্যন্ত কয়জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার খবর পেয়েছেন? কিন্তু এই বন্ধের সময়ে শিক্ষার্থীরা হতাশায়, মানসিক চাপে আত্মহত্যা করেছে সেদিকে তাদের ভ্রুক্ষেপ নেই।’

ন্যাপ নেতারা বলেন, ‘যাদের দেশের সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং যাদের জাতির কর্ণধার ভাবা হয়, তারা আজ মার খাচ্ছে। কর্তৃপক্ষ নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এভাবে মার খেলে, নিষ্পেষিত হলে, অবহেলিত হলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা কারা গড়বেন? ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ পর্যন্ত যারা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন আজ সেই শিক্ষার্থীরাই অবহেলিত। অনতিবিলম্বে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ খুলে দেওয়া হোক।’

কেএইচ/এমএইচআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]