জনগণকে বিভ্রান্ত করতে খালেদা জিয়ার জন্মদিন নিয়ে রিট : ফখরুল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:১০ পিএম, ১৪ জুন ২০২১ | আপডেট: ০৭:৫৩ পিএম, ১৪ জুন ২০২১

জনগণকে বিভ্রান্ত করতেই বিএনপির চেয়ারপরসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মতারিখ নিয়ে রিট করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১৪ জুন) দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল এ মন্তব্য করেন।

হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার নথি তলবের বিষয়ে ফখরুল বলেন, ‘যে বিষয়টি (খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—সেটা তো ভুয়া। এভারকেয়ারের যে রিপোর্টের কথা বলা হয়েছে, এ ধরনের কোনো রিপোর্ট এভারকেয়ার করেনি। যে তারিখটা বসিয়েছে তারা—এটা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত হয়ে করেছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে তো রাজনীতি নেই। এখন উদ্দেশ্য তাদের একটাই- এ ধরনের (জন্মদিন) ইস্যুগুলো তুলে এনে জাতিকে বিভ্রান্ত এবং দৃষ্টি ভিন্ন দিকে নেয়ার চেষ্টা করা। মূল সমস্যা থেকে জনগণকে ভুল দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা। আর কিছুই না। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এসব তারা করছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখানে দুর্ভাগ্যজনকভাবে একদলীয় শাসনে দেশ চলছে। এটা থেকে প্রমাণিত হয় দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন নয়।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘যে ভদ্রলোক রিট করেছেন, তিনি তো ব্যক্তগতভাবে সংক্ষুব্ধ নয়। আমি যতোটুকু আইন বুঝি, কেউ ব্যক্তিগতভাবে সংক্ষুব্ধ হলে তিনি রিট করতে পারেন। এখানে তো তা হয়নি। খালেদা জিয়ার জন্মদিনের ব্যাপারে কী আছে, কী নেই; তা তাদের দেখার দায়িত্ব নয়।’

ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশে একটা জিনিস খেয়াল করে দেখবেন— বহুলোকের কিন্তু জন্মতারিখ আসল একটা আর সার্টিফিকেটে তারিখ আরেকটা। বিশেষ করে আমাদের জেনারেশনের সময়ে তখন সঠিকভাবে বাবা-মা জন্মতারিখ মনে রাখতেন না। ডায়েরি-টায়েরি মেইনটেইন করতেন না। ফলে দুই রকম হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা কোনো ইস্যু হতে পারে না। হ্যাঁ, এখন পার্টিকুলার (বিশেষ) একটা তারিখে কেউ জন্ম নিতে পারবে না, এটার একটা ঘোষণা দিয়ে দিলেই তো হয়ে যায়। তখন হিসাব করে আপনাকে সন্তানের জন্মদানের কথা চিন্তা করতে হবে। এছাড়া তো উপায় নেই।’

ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে ফখরুলের চিঠি

এদিকে, নিজের কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই বলে জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আমার নামে ফেসবুক, টুইটারে ভুয়া অ্যাকাউন্টের রহস্য নিয়ে আমি খুব উদ্বিগ্ন। আমি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার চিঠি দিয়েছি, উকিল নোটিশ দিয়েছি। তারপরেও দেখি, আমার নামে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট খোলা আছে।’

তিনি বলেন, ‘কোথায় যাবো বলেন? কোনো ফেসবুক নেই, যেগুলো আছে ফেক। আমি নিজে একবার বিবৃতি দিয়ে বলেছি। আমি থানায় জিডি করেছি, মামলাও করেছি। আইনি নোটিশ পাঠিয়েছি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে। কোনো সাড়া পায়নি।’

কেএইচ/এএএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]