ভ্যাকসিন প্রদানের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চায় ওয়ার্কার্স পার্টি

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১২:০৮ এএম, ১৮ জুন ২০২১

‘করোনা প্রতিরোধে অবিলম্বে দেশের বেশিরভাগ জনগণকে টিকাদান করতে হবে এবং টিকাদানের বয়সসীমা ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে করতে হবে। করোনা সংক্রমণ রোধে এই মুহূর্তে ভ্যাকসিনই হচ্ছে প্রধান বিকল্প।’

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সভায় এমন প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় করোনা মহামারি মোকাবিলাসহ জীবন ও জীবিকা রক্ষায় জনগণের পাশে দাঁড়াতে ১৮ দফা নির্দেশনা কর্মসূচির কার্যক্রম সম্পর্কে রিপোর্ট তুলে ধরেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা।

আলোচনা সভায় বলা হয়, সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে টিকা যোগানের কথা বললেও বাস্তবে টিকা প্রাপ্তির তেমন কোনো আলামত দেখা যাচ্ছে না। ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে জনগণের টিকা পাওয়ার সম্ভাবনা হতাশায় পরিণত হচ্ছে।

এ নিয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি ও কূটনীতি বাদ দিয়ে যেকোনোভাবে পর্যাপ্ত টিকা সংগ্রহ করে তা দেশের বেশির মানুষকে প্রদানে টিকাদান কর্মসূচির একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তেরির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সভায় নেতারা বলেন, টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে হটাৎ করে টিকাদান স্থগিত রাখায় সরকারের টিকাদান কর্মসূচির প্রাথমিক সাফল্যকে যেমন ম্লান করেছে, তেমনি জনগণের জীবন ও জীবিকাকেও ঝুঁকিতে ফেলেছে।

প্রস্তাবে আরও বলা হয়, করোনা সংক্রমণে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে তা থেকে উদ্ধার পেতে জরুরিভিত্তিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আওতায় এনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

সভায় উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশ নেন আনিসুর রহমান মল্লিক, সুশান্ত দাস, মাহমুদুল হাসান মানিক, নুর আহমেদ বকুল, কামরুল আহসান, আমিনুল ইসলাম গোলাপ, হাজী বশিরুল আলম, নজরুল ইসলাম হাক্কানী, আলী আহমেদ এনামুল হক এমরান।

এমইউ/এমআরআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]