তারেক রহমানের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেছিল জাতি: হানিফ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ২৪ আগস্ট ২০২১
ফাইল ছবি

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মৃত্যুদণ্ড জাতি প্রত্যাশা করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ১৯৭৫ সালের হত্যাকাণ্ড এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা একই সূত্রে গাঁথা। এই নেপথ্যের কারিগরও একজনই। তাদের উদ্দেশ্যও একই ছিল। একাত্তরে পরাজিত হয়ে, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করার জন্যই একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। স্বাধীনতার পরাজিত শত্রুরাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করার জন্য এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

গ্রেনেড হামলার দায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এড়াতে পারেন না বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তানিরা জানত বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা বেঁচে থাকলে এই হত্যার বিচার অবশ্যই হবে। পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা ভেবেছিল বঙ্গবন্ধু পরিবারের কেউ বেঁচে থাকলে তাদের স্বপ্ন পূরণ কখনোই হবে না। তাই বঙ্গবন্ধু পরিবারের বাকি সদস্যদের হত্যা করতে হবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য বহুবার চেষ্টা করা হয়েছে।

ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে থেমে থাকেনি, তারা একের পর এক ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারণ স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা জানে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যরা যতদিন বেঁচে থাকবে স্বাধীনতাকে নস্যাৎ, ধ্বংস করা যাবে না। বাংলাদেশের উন্নয়ন পথ চলা কেউ রোধ করতে পারবে না। সেজন্যই শেখ হাসিনাকে আঘাত করা হয়েছে। এই প্রত্যেকটা ঘটনা বিএনপি-জামায়াত ঘটিয়েছে।

মাহবুব উল আলম হানিফ আরও বলেন, ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় বিএনপি যদি জড়িত না থাকে তাহলে কেন এত নাটক মিথ্যাচার করা হলো। এই মামলার রায় হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে, কিছু আসামির কারাদণ্ড হয়েছে। যদিও এই বিচারে অনেকেই খুশি হতে পারেননি। কারণ এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী মাস্টারমাইন্ড তারেক রহমানের মৃত্যুদণ্ড জাতি প্রত্যাশা করেছিল, সেটা হয়নি।

এসইউজে/জেডএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]