সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন প্রত্যাহারের দাবি

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:২৯ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০২১
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

একটি লেখাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন হয়েছে চট্টগ্রামের আদালতে। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ, লেখকদের নামে মামলা মুক্তবুদ্ধি, চিন্তা ও বাক স্বাধীনতার ওপর ন্যাক্কারজনক ঘটনার সামিল।

নেতারা বলেন, দেশে যে মুহূর্তে উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির তাণ্ডব চলছে, প্রশাসন দাঙ্গা ও হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে ব্যর্থ সেই মুহূর্তে এ ধরনের ঘটনা সুদূরপ্রসারী চক্রন্তের সামিল। এ ধরনের ঘটনা প্রতিক্রিয়াশীল ধর্মান্ধ অপশক্তিকেই উৎসাহিত করবে।

তারা আরও বলেন, ছয় বছরের পুরানো কোনো লেখাকে কেন্দ্র করে এই মামলা দুরভিসন্ধির সামিল।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীরসহ তিন জনের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার আবেদন অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তির অভিযোগে ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম আদালতে নালিশি মামলার আবেদন করা হয়। মামলার অপর আসামিরা হলেন- লেখক নেছার আহমেদ ও সাহিত্যিক রাশেদ রউফ। নাজিম উদ্দীন সুজন নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই মামলার আবেদন করেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হোসেন মোহাম্মদ রেজার আদালতে মামলাটির আবেদন করা হয়। আদালত মামলাটির বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী রোববার (২৪ অক্টোবর) দিন ধার্য করেছেন।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘জাতির পিতা’ নামে একটি বইতে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি করেছেন। বইটির একাধিক স্থানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অবমাননাকর বাক্য ও শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। তাই আদালতে মামলাটি দায়েরের আবেদন করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহিদা নুর বলেন, বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তির অভিযোগে দায়ের করা মামলাটির অভিযোগ শুনে আদালত আদেশ প্রদানের জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেছেন।

এমইউ/এমআরআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]