‘আইসিইউতে শঙ্কামুক্ত খালেদা জিয়া’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৫৬ পিএম, ২৫ অক্টোবর ২০২১

অপারেশনের পর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘শঙ্কামুক্ত’ বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসক দলের অন্যতম সদস্য ও বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ডা. জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট একটি অপারেশন হয়েছে। তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর চিকিৎসকরা দেখলেন, উনার একটা বায়োপসি করা দরকার। এক জায়গায় ছোট একটা লাম্প আছে। যেহেতু লাম্প আছে, এর ন্যাচার অব ভিউ জানার জন্য লাম্পে বায়োপসি করা হয়েছে।

ডা. জাহিদ আরও জানান, অপারেশনের পর বেগম জিয়া সুস্থ আছেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলাপ করেছেন। এখন তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তিনি সব ধরনের বিদপমুক্ত।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

অপারেশনের পর ফলাফল পেতে কেমন সময় লাগতে পারে- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে জাহিদ হোসেন বলেন, এটা ৭২ ঘণ্টাও লাগতে পারে। এ ধরনের অপারেশনের পর কখনো ১৫ থেকে ২১ দিনও সময় লাগে। আমেরিকার মতো জায়গায়ও এমন হয়। ফলে আজই বলা যাবে না- ন্যাচার অব অরিজিন কী।

তিনি বলেন, বায়োপসি করার পরিপ্রেক্ষিতে রেজাল্ট পেতে সময় লাগে। তবে উনি (বেগম জিয়া) সুস্থ আছেন।

জাহিদ হোসেন আরও জানান, অপারেশনের পর বেগম জিয়ার ভাইটাল প্যারামিটারগুলো স্ট্যাবল আছে। এখন তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। বায়োপসি ডায়াগনস্টিক পার্ট ও পরবর্তী চিকিৎসা কী হবে, সেগুলো পরে ঠিক হবে।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের অন্যতম এ সদস্য বলেন, ডেডিকেটেড হাসপাতালে তার (খালেদা জিয়ার) চিকিৎসা প্রয়োজন। আপনারা সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন। তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং দেশের বাইরে যেন উনার চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে সবাই যথাযথ ভূমিকা পালন করবেন।

বেগম জিয়ার লাম্পটা কোন জায়গায়, এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পড়েন ডা. জাহিদ।

সাংবাদিকদের এ প্রশ্নে তিনি বলেন, এরকমভাবে কথা বলেন কেন। আমি বলেছি, একটা ছোট লাম্প আছে, সেটার জন্য বায়োপসি করতে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে। আর কিছু নয়।

এসময় পাশ থাকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাকে শান্ত করে মাইক নিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা মোরালিটির জায়গাটা দেখেন, ইথিক্সটা দেখেন। সে ব্যাপারে সহযোগিতা করে আমাদের পাশে থাকেন। আমরা বলেছি, কতটুকু কি হয়েছে। একটা পেশেন্টের প্রাইভেসি থাকে। কোথায় কি হয়েছে, সেটা বলা যায় না।

কেএইচ/এমকেআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]