খালেদাকে ‘স্লো পয়জন’ দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে সরকার: আমান

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:২৫ পিএম, ২৭ নভেম্বর ২০২১

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জন দিয়ে সরকার মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে তার স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ অভিযোগ করেন।

আমান বলেন, খাবারের মধ্যে স্লো পয়জন দিয়ে ধীরে ধীরে খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে সরকার। উন্নত চিকিৎসা না দিয়ে তাকে তিলে তিলে শেষ করার চক্রান্ত চলছে।

এ সময় বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে কর্মসূচি চেয়ে আমান বলেন, কর্মসূচি দিন, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া না হলে দেশ অচল করে দেওয়া হবে। পুরো দেশকে ঢাকা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকার প্রধানসহ প্রত্যেককে হুকুমের আসামি করা হবে।

এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা জহির উদ্দিন স্বপন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দীন আলম, মোস্তাফিজুল ইসলাম বাবুল, জাগপা একাংশের সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রশ্ন করেন- দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল কি না?

বিএনপির মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়ার বয়স ৭৫ বছরের বেশি। তাকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিতে এক–এগারোর সময়ে যে চক্রান্ত শুরু হয়েছিল, সেই চক্রান্তের অংশ হিসেবে একটি সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কারাগারে দুই বছরের বেশি সময় আটক রাখা হয়েছিল। স্যাঁতসেঁতে কারাগারের কক্ষে ইঁদুর, চিকা ঘোরাঘুরি করত। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, সেখানে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। এখন অনেকের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, সেই সময়ে খালেদা জিয়াকে কোনো স্লো পয়জনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল কি না, আমরা পরিষ্কার করে জানতে চাই। তাদের পক্ষে কিছুই অসম্ভব নয়। এই দেশটাকে তারা বিক্রি করে দিয়েছিল। গণতন্ত্রকে তারা পুরোপুরি নির্বাসনে পাঠিয়েছে।

কেএইচ/কেএসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]