আমার বাবা দলের ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’: সেলিমপুত্র

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৪:৪৩ পিএম, ২২ মে ২০২২

দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠানো আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে ‘দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ বলে উল্লেখ করেছেন তার ছেলে সোলায়মান সেলিম।

রোববার (২২ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলাম হাজী সেলিমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার পরই তিনি তাৎক্ষণিক এ প্রতিক্রিয়া দেন।

নিজের বাবা সম্পর্কে সোলায়মান সেলিম বলেন, আমার বাবা দলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি ছিলেন। অসংখ্য নেতাকর্মী গড়ার কারিগর তিনি। দলের জন্য, এলাকার মানুষের জন্য অনেক করেছেন। আমার বাবা খুব অসুস্থ, তিনি নিজে নিজে চলতে পারেন না। শারীরিক সুস্থতার জন্য তার চিকিৎসা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আইনের প্রতি আমরা শতভাগ আস্থাশীল। আমি আমার পরিবারের পক্ষ থেকে শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে উনার দ্রুত মুক্তি কামনা করছি।

দুর্নীতির মামলায় হাইকোর্টের রায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল থাকায় উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে এদিন বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন হাজী সেলিম। পরে শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিন দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে যে কোনো শর্তে জামিনের আবেদন করেন হাজী সেলিম।

জরুরি অবস্থার সময় ২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। এরপর ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল হাজী সেলিমকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

পরে ২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর হাজী সেলিম এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট ১৩ বছরের সাজা বাতিল করে রায় দেন।

হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করে দুদক। শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের ওই রায় বাতিল করেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে হাজী সেলিমের আপিল পুনরায় হাইকোর্টে শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে শুনানি শেষে চূড়ান্ত রায়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া ১৩ বছরের কারাদণ্ড কমিয়ে ১০ বছর সাজা বহাল রাখেন হাইকোর্ট।

রায়হান আহমেদ/জেএ/এমকেআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]