কর্ম সম্পর্কের দেয়াল বিএনপিই তুলেছে: কাদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩৪ পিএম, ০৬ আগস্ট ২০২২
বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

১৫ আগস্টের খুনিদের নিরাপদে বিদেশে পাঠানো, বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান- সেটা কেন? বিএনপি নেতাদের প্রতি এই প্রশ্ন রেখেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, এদের সঙ্গে রাজনীতিতে কর্ম সম্পর্ক কীভাবে থাকবে। মাঝে মধ্যে ভাবি পঁচাত্তরের ঘাতকদের সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনে কীভাবে কর্ম সম্পর্ক রাখবো। এরা কারা? এরা তাদেরই রাজনীতি করে, যাদের রাজনীতি ছিল হত্যা-ষড়যন্ত্রের রাজনীতি।

শনিবার (৬ আগস্ট) জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘প্রেরণাদায়িনী মা’ শীর্ষক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটি এ আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বিএনপিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি আজ একটা প্রশ্ন করবো, আগস্ট এলে এ প্রশ্ন অনেকবার করেছি। জবাব পাইনি। ১৫ আগস্টের ঘটনায় জিয়াউর রহমান যদি জড়িত না থাকতেন, খুনিদের নিরাপদে বিদেশে পাঠানো, বাংলাদেশের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি কে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, পলাশীর মীর জাফরের জায়গায় খন্দকার মোশতাক। সেনাপতি ইয়ার লতিফ, রায় দুর্লভের জায়গায় জিয়াউর রহমান। কেন পঁচাত্তরের খুনিদের পুরস্কৃত করা হলো। এ পশ্নের জবাব বিএনপি কোনো দিনও দিতে পারবে না। খুনিদের বিচার বন্ধে ইনডেমনিটি অডিয়েন্সকে সংবিধানের ৫ম সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন তাদের নেতা জিয়াউর রহমান।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বন্দুকের নল থেকে যাদের জন্ম, বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের মাস্টারমাইন্ড, তারাই ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে প্রাইম টার্গেট করে গ্রেনেড হামলা করেছিল। কীভাবে এদের সঙ্গে রাজনীতি করবো। কর্ম সম্পর্কের দেওয়াল তো তারাই তুলেছেন।

তিনি বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব শুধু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী ছিলেন না, ছিলেন সহযোদ্ধা ও সহকর্মী। নীরবে রাজনৈতিক সহকর্মী। নীরবে রাজনীতির সহযোদ্ধা। বঙ্গমাতার তিন পুত্রকে হত্যা করা হয়েছিল ভবিষ্যতে রাজনীতি করবে বলে, সেজন্যই এ হামলা। কিন্তু আমি জানতে চাই, বেগম মুজিব তো সক্রিয় রাজনীতি করেননি। তিনি কেন হত্যাকাণ্ডের শিকার। নয় বছরের শিশুসন্তান শেখ রাসেল কেন হত্যাকাণ্ডের শিকার। কি অপরাধ তাদের?

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল খালেক, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ, চিত্রশিল্পী হাশেম খান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উপ-কমিটির সদস্য বদিউজ্জামান সোহাগ প্রমুখ।

এসইউজে/কেএসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]