ধর্মীয় উৎসব দেশের জনগোষ্ঠীকে শুভেচ্ছাবোধে উদ্দীপ্ত করে: ফখরুল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৫০ পিএম, ০৪ অক্টোবর ২০২২
ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই সাম্প্রদায়িক উসকানি, বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের দেবালয়ে আক্রমণ, প্রতিমা ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, এসবের মধ্যে দুর্গাপূজার মতো বড় ধর্মীয় উৎসব দেশের জনগোষ্ঠীকে সৌহার্দ্য ও শুভেচ্ছাবোধে উদ্দীপ্ত করে। যে কোনো বড় উৎসব জাতীয় জীবনে সংস্কৃতির দ্যোতক।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে আমি হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কামনা করি তাদের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও কল্যাণ।

তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। সুদীর্ঘকাল ধরেই এ উপমহাদেশে দুর্গাপূজা আনন্দঘন পরিবেশে পালিত হয়ে আসছে। এ উৎসবে ধনী-নির্ধন নির্বিশেষে সব মানুষেরই আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটে, নানা সম্প্রদায়কে সংযুক্ত করে নানাভাবে। এ উৎসব বাংলাদেশের একটি শাশ্বত সার্বজনীন উৎসব। উৎসব জাতি-রাষ্ট্রে সর্বমানুষের মিলন ক্ষেত্র। উৎসবের অন্তর্লোক হচ্ছে- শান্তি ও সহবস্থান। উৎসবের পরিসর বৃত্তাবদ্ধ নয় বরং বিস্তৃত ও সার্বজনীন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, হাজার হাজার বছর ধরে বাংলাদেশে সব সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে একত্রে বসবাস করছে। ধর্মীয় উৎসব সাম্প্রদায়িক সীমানা অতিক্রম করে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষকে এক বৃহত্তর শুভেচ্ছার প্রাঙ্গণে মিলিত করে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ। আমরা সবাই বাংলাদেশি, এটিই আমাদের গর্ব, এটিই আমাদের একমাত্র পরিচয়। আমি শারদীয় দুর্গাপূজার সার্বিক সাফল্য কামনা করি।

কেএইচ/আরএডি/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।