একুশে বাংলাদেশিদের মিলনমেলা সৌদিতে

ক ম জামাল উদ্দীন ক ম জামাল উদ্দীন , সৌদি আরব
প্রকাশিত: ০৮:৫৪ এএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যদায় সৌদি আরবে পালিত হয়েছে। দিনটিতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ, আসির প্রদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির ব্যবস্থাপনায় খামিস মুশাইতে স্থানীয় একটি হেটেল মিলয়াতনে এক আলোচনা সভা হয়।

সভায় সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আজাদ রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সৌদির কিং খালিদ বিশ্ব বিদ্যালয়ের ইংরেজি প্রভাষক অধ্যাপক উসামা খালিদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন এস এম জাহাঙ্গীর আলম, আনেয়ার মোস্তাক, আহমেদ আলী নঈমী, ওমর ফারুক। প্রধান বক্তা ছিলেন হোসাইন মো. কামাল চৌধুরী।

soudi-2

আরও বক্তব্য দেন এমদাদ হোসেন, আমান উল্লাহ, নুর কাশেম,মহিউদ্দীন, নাছির উদ্দীন,মুহাম্মদ আজম,ফারেস উদ্দীন, বেলাল হেসেন, তাফু বড়ুয়া, মনির আহমেদ, আমির হোসেন ও শহীদুল আলম প্রমুখ।

সংগঠনটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ইউছুফের কণ্ঠে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় বক্তরা সব ভাষা শহীদ ও গাজিদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

soudi-3

বক্তরা বলেন, পাকিস্তানি দোসররা আমাদের মায়ের ভাষা মুখ থেকে কেড়ে নিতে ছেয়েছিল কিন্তু বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা তাদের সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ছিল। বুকভরা সাহস নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল সেই প্রভাতফেরির দিন মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। সেদিন শহীদ হয়েছিলেন সালাম, জববার, রফিক, বরকাতসহ আরও অনেকে। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমাদের শহীদ দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে জাতিসংঘের ইউনেস্কো স্বীকৃতি প্রদান করেছে। এই দিবসটি পাকিস্তানেও পালিত হচ্ছে।

সভায় উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ সব শহীদ এবং গতকাল ঢাকার চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের নিহতদের সম্মানার্থে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন। ভাষা শহীদ ও চকবাজারে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল পরিচালিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা ইউছুফ।

soudi-4

সভায় সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুল পরিমাণ প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন। এ যেন বিদেশের মাটিতে নিজ মায়ের ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক মিলনমেলা।

জেডএ/এমকেএইচ

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]