দু’দিনের ব্যবধানে জার্মানিতে দুই বাংলাদেশি রাজনীতিবিদের মৃত্যু

হাবিবুল্লাহ আল বাহার
হাবিবুল্লাহ আল বাহার হাবিবুল্লাহ আল বাহার জার্মানি থেকে
প্রকাশিত: ০৮:৩৩ এএম, ২৭ জুন ২০২০

মাত্র দু’দিনের ব্যবধানে জার্মানিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির দু’জন প্রবীণ রাজনীতিবিদ মৃত্যুবরণ করেছেন। দু’জনই জার্মানিতে বাংলাদেশি কমিউনিটি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

এদের একজন হলেন- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) জার্মানি শাখার সভাপতি এবং ইউরোপ জাসদের কো-অর্ডিনেটর মুহিব উদ্দিন আহমেদ। তিনি বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। দেশটির ফ্রাঙ্কফুর্টেই বসবাস করতেন তিনি।

তিনি দুই পুত্র, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মুহিব উদ্দিন আহমেদের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথে। মুহিব উদ্দিন আহমেদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৯ জুন ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

এদিকে, জার্মানি আওয়ামী লীগের দীর্ঘ দিনের সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম রতন শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল ৫টায় মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। তিনি এক পুত্রসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আনোয়ারুল ইসলাম রতনের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়। পরপর দু’দিনে কমিউনিটির প্রবীণ দুই ব্যক্তির বিদায়ে জার্মানি প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

উল্লেখ্য, মুহিব উদ্দিন আহমেদ ৮০-এর দশক থেকে জার্মানিতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয়ে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি জার্মানির বাইরেও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জাসদের সংগঠন গড়ে তোলা এবং ইউরোপিয়ান কাউন্সিলে বাংলাদেশের পক্ষে মতামত তৈরিতে ভূমিকা রেখেছেন।

এদিকে, আনোয়ারুল ইসলাম রতন জার্মানি আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। বিগত সকল আন্দোলন সংগ্রামে তিনি জার্মানিতে দলের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

এফআর/এমএস

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]