যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স্লোভেনিয়া সফর

রাকিব হাসান রাফি
রাকিব হাসান রাফি রাকিব হাসান রাফি , স্লোভেনিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৫:২২ পিএম, ১৪ আগস্ট ২০২০

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ১৩ আগস্ট স্লোভেনিয়া সফর করেছেন। দেশটির পররাষ্ট্র দফতর ও স্লোভেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পৃথক পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং স্লোভেনিয়ার মধ্যকার ফাইভ জি নেটওয়ার্ক সুরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করতেই তার এ সফর।

বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, বর্তমান বিশ্বে চলমান যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের মধ্যকার বাণিজ্য যুদ্ধে কৌশল নির্ধারণী অংশ হিসেবে পাইক পম্পেও এর এ স্লোভেনিয়া সফর। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র মরগান অর্টাগুস বলেন, গতকাল স্লোভেনিয়ায় স্বাক্ষরিত ওই সমঝোতা স্মারকপত্রে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষেত্রে ফাইভ জি নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সে কথারই স্বীকৃতি পাওয়া গেছে।

এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, স্লোভেনিয়া বর্তমানে সে সকল রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত হলো যারা তাদের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা এবং সম্পদ সুরক্ষায় নিবেদিত। এছাড়াও বিগত বছরগুলোতে পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া এবং চেক প্রজাতন্ত্রসহ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই মর্মে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যে নিরপেক্ষ বিচারিক পর্যালোচনা ছাড়া ফাইভ জি সরবরাহকারীরা কোন বিদেশি সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রত হবে না যা স্বভাবতই চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এর বাইরে রাখছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের পর মাইক পম্পেও এর স্লোভেনিয়া সফর ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম সে দেশ সফর। ফাইভ জি নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াও মাইক পম্পেওর অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল স্লোভেনিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইয়ানেজ ইনশা এবং রাষ্ট্রপতি বৈরুট পাহোরের সাথে বৈঠক।

যেখানে দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর মাঝে আন্তঃসম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার ও জ্বালানি বিষয়গুলো উঠে আসে। এর আগে গত ১১ ও ১২ আগস্ট তিনি চেক রিপাবলিক সফর করেন। সেখানে এক আলোচনায় তিনি বলেন, স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার সোভিয়েত ইউনিয়নের চেয়েও আজকের দিনের চীনের অর্থনৈতিক শক্তি বিশ্বে এখন আরও বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।

শেষে মাইক পম্পেও স্লোভেনিয়ার অন্যতম জনপ্ৰিয় পর্যটন স্থল লেক ব্লেড ভ্রমণ করেন। আজ তার অস্ট্রিয়া সফরের কথা রয়েছে।

এমআরএম/জেআইএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]