নিউইয়র্কে রেস্টুরেন্টের ভেতরে বসে খাবারের অনুমতি

প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৫২ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

নিউইয়র্ক সিটির রেস্টুরেন্টগুলোতে ভেতরে বসে খাবারের অনুমতি দিয়েছে স্টেট প্রশাসন। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে রেস্টুরেন্টের ভেতরে বসে খাবার খাওয়া যাবে। স্থবির হওয়া রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় প্রাণ ফেরাতে প্রশাসন এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

নিউইয়র্ক স্টেট গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো বলেছেন, টানা ৩০ দিনে যদি করোনা সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাহলে ১ নভেম্বর থেকে ভেতরের ৫০ শতাংশ জায়গায় চেয়ার-টেবিল বসানোর অনুমতি দেওয়া হবে।

সিটি মেয়র বিল ডি ব্লাসিয়ো বলেছেন, সিটি কাউন্সিলে বিল পাস করতে হবে রেস্টুরেন্টের সামনে অস্থায়ী আসনগুলোকে স্থায়ী করতে। শীতে যাতে উত্তাপ ছড়ানো সম্ভব হয়, সে ব্যবস্থাও করা হবে। এখানকার ২৫ হাজারের অধিক রেস্টুরেন্টকে ঘুরে দাঁড়াতে এসব পদক্ষেপ মন্ত্রের মতো কাজ করবে।

করোনা সংক্রমণ রোধে গত মার্চে লকডাউন শুরু হওয়ার দিন থেকেই নিউইয়র্ক সিটির রেস্টুরেন্টগুলোয় বসে খাবারের অনুমতি নিষিদ্ধ করা হয়। জুনের শেষ সপ্তাহে প্রকোপ কিছুটা কমলে রেস্টুরেন্টের বাইরে চেয়ার-টেবিল বসিয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী খাবারের অনুমতি দেওয়া হয়।

জ্যামাইকার ফাতেমা গ্রোসারির ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার বলেন, ‘বাজারে এখন অনেক কিছুর সংকট রয়েছে। বিশেষ করে করোনার কারণে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশ থেকে যেসব পণ্য আসতো। তা বন্ধ ছিল। আবার করোনার কারণে শাকসবজি বাগানেও লোকজনের সংকট রয়েছে। যে কারণে বাজারে সবুজ সবজি ও ফলমূলের সংকট রয়েছে। সংকটের কারণে কিছু কিছু পণ্যের দামও একটু বেশি।

এ অবস্থায় সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে আসায় দীর্ঘ পর্যবেক্ষণের পর সিটি ও স্টেট প্রশাসন ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে বিভিন্ন শর্তে রেস্টরেন্টের ভেতরে বসে খাবারের অনুমতি দিল। একই সঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাইরে সাজানো চেয়ার-টেবিলও বহাল থাকবে।

নিউইয়র্ক সিটির রেস্টুরেন্টগুলোতে বসে খাওয়ার সেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো ও নগরীর মেয়র বিল ডি ব্লাসিও। এই ঘোষণায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে প্রথম করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে এই ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বজুড়ে এর মধ্যেই প্রায় ১০ লাখ মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে করোনাভাইরাস।

এমআরএম/পিআর

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]