ওমানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের রক্তদান কর্মসূচি

প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:৪৫ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

পলাশ শিল, ওমান থেকে

ওমানে সোশ্যাল ক্লাবের উদ্যোগে রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে দূর-দূরান্ত থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন। দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সরোয়ার অনলাইনে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

সোশ্যাল ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল হক ও সহ-সভাপতি রেজাউল করিমের রক্তদানের মধ্য দিয়েই কর্মসূচি শুরু হয়। এরপরে একের পর এক নারী-পুরুষ স্বেচ্ছাই রক্তদানে অংশ নেন।

জানা গেছে, রক্তদান কর্মসূচিতে ওমানের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রবাসীরা সকাল থেকেই জড়ো হতে থাকেন। কিন্ত প্রচুর সংখ্যক লোক সমাগমের কারণে ব্লাড ব্যাংকের কর্মকর্তারা মাঝপথে রক্ত নেওয়া বন্ধ করে দেয়। ফলে শতশত মানুষ স্বেচ্ছাই এসে রক্ত দিতে না পেরে ভারাক্রান্ত মনে ফিরে যান।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এন আমিন ভুল ভ্রান্তি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করেন। অনুষ্ঠানের সফলতার জন্য ক্লাবের নির্বাহী কমিটির সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা স্বীকার করে সবাইকেই আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

oman

আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সমৃদ্ধশালী ও শান্তিপূর্ণ দেশ ওমান। ৩ লাখ ৯ হাজার ৫০০ বর্গ কিলোমিটার বা ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ বর্গ মাইল আয়তনের বিশাল দেশটি মোট জনসংখ্যার বড় একটি অংশই প্রবাসী।

মাসকটে বসবাসকারী প্রবাসী শ্রমিকদের ৮২ শতাংশ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও গৃহস্থালি কাজে নিয়োজিত যারা সংখ্যায় ৭ লাখ ১৪ হাজার ১১১ জন। এই জনসংখ্যা ওমানে কাজ করা মোট প্রবাসী শ্রমিকদের ৪৩ শতাংশ। যদিও ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চের শেষে তাদের সংখ্যা কমেছে ৭.৮ শতাংশ।

ওমানে অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ। এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় আট লাখ, ভারতের সাত লাখ, পাকিস্তানের আড়াই লাখ; বাকি আড়াই লাখের মধ্যে রয়েছেন মিসর, নেপাল, ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কার নাগরিক।

২০১৯ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকের তুলনায় ২০২০ সালে আল উস্তা প্রদেশে প্রবাসীদের সংখ্যা বেড়েছে ৫.৭ শতাংশ। মূলত এটি ডুকম অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলাফল। এই দুই বছরের প্রথম তিন মাসের তথ্যে আল দাখিলিয়া প্রদেশে প্রবাসী বেড়েছে ১.০১ শতাংশ।

এমআরএম/পিআর

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]