গ্রিস সমাচার ও করোনাকালে ভ্রমণ

রাকিব হাসান রাফি
রাকিব হাসান রাফি রাকিব হাসান রাফি , স্লোভেনিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৪:২৫ পিএম, ২৪ অক্টোবর ২০২০

থেসালোনিকির অবস্থান মেসিডোনিয়া এবং বুলগেরিয়ার সীমান্তের অনেকটা কাছে এবং একই সঙ্গে তুরস্কের সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে শুরু করে গোটা উত্তর গ্রিসে থেসালোনিকির সবচেয়ে বড় নগরী তাই প্রায়শ এ শহরটিকে ঘিরে মানবপাচার বা হিউম্যান ট্রাফিকিংয়ের কথা শোনা যায়।

এ কারণে এ শহরে পুলিশের তৎপরতা থাকে অনেক বেশি। এছাড়া তুরস্ক কিংবা বুলগেরিয়া অথবা মেসিডোনিয়া থেকে যে সকল অভিবাসনপ্রত্যাশী গ্রিসে প্রবেশ করেন তাদের অনেকের প্রথম গন্তব্য থাকে এ থেসালোনিকি। এ কারণে এ শহরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশসহ পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা বাংলাদেশের অনেক অভিবাসন প্রত্যাশীর দেখা মেলে এ শহরে।

কেউ গ্রিসে থেকে যান, অনেকে আবার মেসিডোনিয়া হয়ে সার্বিয়া এবং বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার মধ্য দিয়ে ক্রোয়েশিয়া এবং ক্রোয়েশিয়া থেকে স্লোভেনিয়া হয়ে ইতালি, স্পেন, ফ্রান্সসহ পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোতে পাড়ি জমানোর জন্য এক ভয়ঙ্কর জীবনযুদ্ধে পা রাখেন।

সুমন ভাইয়ের সাথে ঘুরতে ঘুরতে আর গল্প করতে করতে কীভাবে যে চোখের পলকে সময় কেঁটে গেল সেটা টের পেলাম না। স্থানীয় এক পাকিস্তানি রেস্টুরেন্ট থেকে আমরা দুপুরের খাবার সেরে নিই। সেখানে আমার সঙ্গে আরও এক বাংলাদেশির পরিচয় হয়। তিনিও সিলেটের অধিবাসী। খুব বেশি দিন হয়নি তিনি থেসালোনিকিতে এসেছেন।

এর আগে তিনি মানোলাদাতে বসবাস করতেন। মানোলাদা গ্রিসের রাজধানী এথেন্স থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দূরবর্তী ছোট একটি গ্রাম। এ গ্রামে বসবাসরত অভিবাসীদের সিংহভাগ বাংলাদেশি। আনুমানিক দশ হাজারের মতো বাংলাদেশি মানোলাদাতে বসবাস করেন বলে তিনি জানান।

তারা মূলত মৌসুমভিত্তিক কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি আরও বলেন, যেহেতু মানোলাদাতে কয়েক হাজার অভিবাসী শ্রমিকের সমাগম তাই সেখানে কাজের ক্ষেত্রে প্রত্যেক মালিকের একেকজন বাংলাদেশি মাস্তুরা বা ফোরম্যান এর আওতায় ৫০ থেকে ৫০০ জন পর্যন্ত লোক কাজ করে থাকে। আগত সব প্রবাসীদেরকে কতিপয় মস্তুরা বা ফোরম্যানরা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

তাদের কাজের হিসাব, থাকা খাওয়া এবং মজুরি বণ্টন থেকে শুরু করে সবকিছু এই মাস্তুরাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে। মালিক তার অধীনে কাজ করা সকল শ্রমিকদের দেখভাল করার জন্য একজন মাস্তুরা নিয়োগ দিয়ে থাকেন। শ্রমিকদের যাবতীয় মজুরি এ মাস্তুরার মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়।

যে সকল শ্রমিকেরা এখানে কাজ করেন তাদের বেশিরভাগই তেমন একটা গ্রিক ভাষায় পারদর্শী নন। অন্যদিকে মাস্তুরাদের প্রায় সকলে গ্রিক ভাষায় পারদর্শী হয়ে থাকেন। গ্রিসে পাড়ি জমানো অভিবাসীদের অনেকের কাছে বৈধ কাগজ-পত্র থাকে না। এ সকল দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে মাস্তুরারা অভিবাসী শ্রমিকদের ওপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার চালায়।

তাদেরকে ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করা হয়। মালিকের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের জন্য যে মজুরি কিংবা বোনাস ধার্য করা হয় অনেক সময় তার প্রায় পুরোটা চলে যায় এ সকল মাস্তুরার পকেটে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে অনেক সময় শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়। মানোলাদাতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দুরাবস্থার কথা তুলে ধরে তাই তিনি বাংলাদেশ সরকারের নিকট অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে তাদের প্রাপ্য অধিকারটুকু নিশ্চিতের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে সহায়তা করা হয়।

এছাড়াও তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার চাইলে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে মৌসুমভিত্তিক কৃষিকাজে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রফতানির জন্য গ্রিসের সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারে। হয়তোবা খুব সামান্য সময়ের জন্য এ দুইজন মানুষের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে কিন্তু এ দুইজন মানুষের আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে।

এই ছিল মোটামুটি থেসালুনিকির পর্ব। এরপর সেদিন সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার ট্রেনে থেসালোনিকি থেকে রাজধানী এথেন্সের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিই। থেসালোনিকি থেকে এথেন্সের দূরত্ব ৫০০ কিলোমিটারের কাছাকছি। ট্রেনে থেসালুনিকি থেকে এথেন্স পৌঁছাতে পাঁচ ঘণ্টার মতো সময় লাগে।

যাতায়াত খরচ ৪৩ ইউরো। করোনার প্রভাব দেখা গিয়েছিল গোটা ট্রেন যাত্রায়। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য গোটা ট্রেনের অর্ধেক সিট ফাঁকা রাখা হয়েছিল। ট্রেনের আসন বণ্টন এভাবে করা হয়েছিল যদি কোনো সিটে যাত্রী বসে থাকে তাহলে তার পাশের সিটটি ফাঁকা রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

দুইজন যাত্রীকে মুখোমুখি না বসিয়ে কোনাকনিভাবে তাদেরকে বসানো হয়েছিল। পুরো ট্রেন যাত্রায় সকলকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হয়েছিল। গ্রিসের আইন অনুযায়ী গণপরিবহনগুলোতে মাস্ক পরিধান না করলে ১৫০ ইউরো জরিমানা গুণতে হয় যদিও গ্রিস কিংবা বলকান দেশগুলোর মানুষ আইনের প্রতি তেমন একটা শ্রদ্ধাশীল নয়।

jagonews24

আরও একটা জিনিস আমার কাছে আশ্চর্য লেগেছে, গ্রিসে সময়ের ব্যাপারে মানুষজন তেমন একটা ধার ধারে না। তাই সোয়া ছয়টায় ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটা যেমনভাবে সঠিক সময়ে ছেড়ে যেতে পারেনি, অন্যদিকে এথেন্স পৌঁছাতেও নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়েছিল।

এথেন্সের সেন্ট্রাল স্টেশনে আমাকে গ্রহণ করার জন্য এসেছিলেন আমার এক পূর্বপরিচিত ব্যক্তি। নাম খন্দকার জুয়েল। তিনি সম্পর্কে আমার এক দুলাভাইয়ের মামা হন। তাই আমিও তাকে মামা বলেই সম্বোধন করি। তিনি প্রায় বাইশ বছর ধরে গ্রিসে বসবাস করেন। দু’দশক ধরেই তাই তিনি এ দেশটির নাড়ীনক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করেছেন।

এথেন্সের সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশন থেকে তার বাসা কিছুটা দূরে। গাড়ি ড্রাইভ করে সেখানে পৌঁছাতে পনেরো থেকে বিশ মিনিট সময় লাগে। যে দুই দিন আমি এথেন্সে ছিলাম সে দুই দিন তার বাসাতে ছিলাম এবং তিনি আমাকে বিশেষভাবে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেছিলেন। তাকেও জিজ্ঞেস করলাম গ্রিসের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার কথা এবং একই সাথে দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্পর্কেও তার থেকে জানতে চাইলাম।

তিনি আমাকে জানালেন তারা যে সময় গ্রিসে এসেছিলেন অর্থাৎ ১৯৯৮ কিংবা ১৯৯৯ সালের দিকে তখন গ্রিস ছিলও ইউরোপের মধ্যে সর্বোচ্চ আয়ের দেশগুলোর মাঝে একটি। গড় আয় হিসাব করলে সে সময় ইতালি কিংবা স্পেন অথবা ফ্রান্সের সাথে সে সময় গ্রিসের তেমন একটা পার্থক্য ছিলও না। সে সময় গ্রিস সরকার সে দেশের নাগরিক এমনকি সে দেশে বসবাস করা অভিবাসীদের জন্য বিশেষ কিছু সুবিধা বরাদ্দ করেছিল যেটা আমাদের অনেকের কাছে শুনলে অদ্ভুত লাগতে পারে।

নির্ধারিত সময়ে কাজে উপস্থিত থাকতে পারলে অতিরিক্ত বোনাস কিংবা কেউ যদি ইংরেজিতে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে তার বেতন দ্বিগুণ বৃদ্ধি করে দেয়ার মতো কিছু সুবিধা সে সময় গ্রিসের সরকার প্রবর্তন করেছিল। ব্যাংকগুলো সে সময় অনেক ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য জন্যও গ্রহীতাদের ঋণ দিতে শুরু করে। এমনকি সে সময় ছুটি কাঁটানোর জন্যও ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

দেশটির আপামর জনসাধারণ তখন এতটা ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল যে শেষ পর্যন্ত পরবর্তীতে অনেকে সেগুলো পূরণে ব্যর্থ হয়। ফলে একদিকে যেমন খেলাপি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে, অন্যদিকে ব্যাংকগুলো প্রচুর পরিমাণে বন্ড বিক্রি বাড়িয়ে দেয়। যা দেশটির ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে চরমভাবে।

এছাড়াও গ্রিসের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের আরও একটি কারণ হচ্ছে ২০০৪ সালে অনুষ্ঠিত এথেন্স অলিম্পিক। এ প্রসঙ্গে একটু পরে আসছি। ২০০৮ সালের থেকে সবকিছু উল্টা পথে হাঁটা শুরু করে। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা গ্রিসকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। পাশাপাশি গ্রিস সরকারের ঘোষিত বেশ কিছু পদক্ষেপকে তিনি দায়ী করেন দেশটির এ অর্থনৈতিক দুরাবস্থার কারণ হিসেবে।

অর্থনৈতিক মন্দা ও দেশটির ব্যাংকিং খাতে অস্থিতিশীলতার কারণে ২০১১ সাল থেকে শুরু করে পরবর্তী বছরগুলোতে অনেকবার দেশটির প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন ঘটে। সাম্প্রতিককালে আরও যুক্ত হয়েছে শরণার্থী সমস্যা। সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে গ্রিস একমাত্র সেনজনের অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে আফ্রিকা এমনকি এশিয়ার অনেক দেশ থেকে প্রতিনিয়ত অসংখ্য অভিবাসন প্রত্যাশী মানুষ গ্রিসে প্রবেশ করেন যদিও তাদের মাঝে খুব অল্পসংখ্যক মানুষ বৈধ উপায়ে গ্রিসে আসেন।

প্রতিবেশী দেশ তুরস্ক, মেসিডোনিয়া, আলবেনিয়া কারও সাথে গ্রিসের সম্পর্ক তেমন একটা উষ্ণ নয়। তুরস্কের সাথে গ্রিসের মৌখিক যুদ্ধ সব সময় লেগে থাকে। তাই উত্তেজনার মুহূর্তে তুরস্ক কিংবা মেসিডোনিয়া অথবা আলবেনিয়া থেকেও অনেক শরণার্থীকে গ্রিসে পুশ করা হয় দেশটির ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য। এমনটি দাবি করে থাকেন দেশটির অনেক সাধারণ মানুষ।

গ্রিসের থেকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্যান্য দেশে পৌঁছানো তেমন সহজ নয়। তাই বাধ্য হয়ে অনেকে গ্রিসে আটকা পড়ে যান। ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশ গ্রিসের জন্য এ সকল অনিয়মিত অভিবাসী অনেক বড় একটা ধাক্কা, আর এ কারণে দেশটির সাধারণ মানুষের মাঝে রক্ষণশীল ও অভিবাসন বিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে যেটি দশ বছর আগেও কল্পনা করা যেতো না বলে তিনি জানিয়েছেন।

গ্রিসের সাধারণ মানুষ বরাবর অতিথিপরায়ণ ও বন্ধুসুল্ভ আচরণের জন্য পুরো পৃথিবীব্যাপী সমাদৃত অথচ এখন গ্রিকরা তাদের সে মূল্যবোধ থেকে সরে আসছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশটির বর্তমান প্রজন্মের অনেকে গ্রিস ছেড়ে উন্নত জীবনের আশায় নরওয়ে, সুইডেন, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, গ্রেট ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড এসব দেশে পাড়ি জমাচ্ছেন।

আর গ্রিসে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্পর্কে জানতে চাইলে খন্দকার জুয়েল বলেন, ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় গ্রিসের আইন অনেকটা অদ্ভুত। বিশেষ করে অভিবাসীদের জন্য দেশটির আইন তেমন একটা বন্ধুসুল্ভ নয়। তাই অনেক বাংলাদেশি সেখানে দুই দশক বসবাস করার পরও স্থায়ীভাবে সে দেশের পাসপোর্টের অধিকারী হতে পারেন না।

jagonews24

বাংলাদেশি গ্রিক পাসপোর্ট পেয়েছেন এমন মানুষের সংখ্যা তাই যৎসামান্য। এছাড়াও যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন এ সকল দেশে অনেকে পরিবার নিয়ে বসবাস করতে পারেন কিন্তু গ্রিসে সে সুযোগ তেমন একটা নেই। গ্রিসের অধিবাসীরা সহজে বাহিরের দেশের মানুষের সাথে মিশতে চান না।

এমনকি রক্ষণশীল মনোভাবের কারণে গ্রিকরা সহজে অন্য জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সাথে সহজে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। গ্রিসের জাতীয় রাজনীতিতে অন্যকোনও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের উপস্থিতি তেমন একটা তাই চোখে পড়ে না। গ্রিস এবং সাইপ্রাসের বাহিরে অন্য কোনো দেশে গ্রিকভাষার তেমন একটা চর্চা হয় না।

দেশটির জনগণ যে খুব ভালো ইংরেজি বোঝেন তেমনটিও নয়। ইংরেজি মাধ্যমে লেখাপড়ার সুযোগ গ্রিসে তেমন একটা নেই, এছাড়াও যে সকল স্কুলে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা যায় সেগুলো অনেক বেশি ব্যয়বহুল। তাই সন্তানদের ভবিষ্যৎ বিকাশের সুযোগ দেশটিতে অপর্যাপ্ত বলা চলে। তিনি আরও বলেন, গ্রিসে বর্তমানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটা বড় অংশ অবৈধ উপায়ে গ্রিসে এসেছেন।

ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল এ সকল দেশের আইন তুলনামূলকভাবে অভিবাসন বান্ধব হওয়ায় অনেকে সে সকল দেশে সহজে স্থায়ী হতে পারেন। এমনকি এ সকল দেশের সরকারও মাঝে-মধ্যে অনিয়মিত অভিবাসীদেরকে বৈধ করার জন্য বিভিন্ন প্রস্তাবনা গ্রহণ করে থাকেন কিন্তু গ্রিসের ক্ষেত্রে এ রকম কোনও কিছু আকাশ-কুসুম কল্পনা ছাড়া আর কিছু নয়।

অনেকে পাঁচ থেকে দশ বছর থাকার পরও সে দেশে বৈধ হতে পারেন না। অতীতে অবৈধ অভিবাসীরা গ্রিসে কাজ করার সুযোগ পেলেও বর্তমান সরকারের সময় সেটি কঠিন হয়ে পড়েছে। গ্রিসের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিস সম্পূর্ণরূপে ডানপন্থী এবং অভিবাসনবিরোধী।

হার্ভার্ড গ্র্যাজুয়েট এ প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত বেশ কিছু পদক্ষেপ যেনও দেশটিতে বসবাসরত অভিবাসন প্রত্যাশীদের সকল আশার পথ রুদ্ধ করে দিয়েছে বলে তিনি জানান। তার মতে ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এ সকল দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা যেমনভাবে সুসংগঠিত, গ্রিসের বাংলাদেশ কমিউনিটি তেমন একটা সুসংগঠিত নয়।

সেজন্য নিজেদের মাঝে আন্তঃযোগাযোগ দেশটিতে থাকা বাংলাদেশিদের মাঝে তুলনামূলকভাবে দুর্বল। তাই অনেক বাংলাদেশি প্রায় পাকিস্তানি কিংবা আফগান অথবা আরব শরণার্থীদের দ্বারা হামলার শিকার হন। ইউরোপে যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স, পর্তুগাল ও স্পেনের পর সবচেয়ে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশির বসবাস গ্রিসে।

নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব না হলেও অন্তত পঁচিশ হাজারের মতো বাংলাদেশির বসবাস সেখানে। এথেন্সের মধ্যে ওমানিয়া ও আখারনুন এ দুইটি এলাকায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় প্রবাসী বাংলাদেশির বসবাস। এদের মাঝে কারও নিজস্ব ব্যবসা রয়েছে, কেউ আবার বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট কিংবা দোকানে কাজ করেন।

অনেকে আবার মৌসুমভিত্তিকভাবে কৃষিকাজের সাথে সংযুক্ত হন, কেউ আবার দ্বীপগুলোতে ছুটে যান কাজের জন্য। তবে একটি দিক থেকে গ্রিস অন্যান্য দেশের তুলনায় আলাদা। দেশটিতে জীবনযাত্রার খরচ এবং ট্যাক্সের হার তুলনামূলকভাবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্যান্য দেশের তুলনায় কম।

স্লোভেনিয়াতে প্রত্যেককে আলাদাভাবে তার নিজের বেতনের থেকে একটা নির্দিষ্ট অংশ সরকারকে দিতে হয় ট্যাক্স হিসেবে। গ্রিসে ট্যাক্স পরিশোধ করা হয় চাকরিদাতার পক্ষ থেকে। স্লোভেনিয়াতে যদি মাসিক বেতন ১০০০ ইউরোর কথা বলা হয় তাহলে সকল ধরনের ট্যাক্স ও পেনশনের টাকা পরিশোধ করার পর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে ৬৫০ ইউরোর মতো কিন্তু গ্রিসের ক্ষেত্রে এ ১০০০ ইউরোর পুরোটাই চাকরিজীবির লাভ।

মোটামুটি না কি ৩০০ ইউরো হলে গ্রিসের যে কোনও জায়গায় থাকা-খাওয়া সব মিলিয়ে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের এক মাস দিব্যি আনন্দে কেঁটে যায় যেটা ইউরোপের অন্যান্য দেশে কল্পনা করা যায় না।

এমআরএম/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,০৭,৮৭,৫৭২
আক্রান্ত

১৪,২৮,০২২
মৃত

৪,২০,৮৫,৭৬৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,৫৪,১৪৬ ৬,৪৮৭ ৩,৬৯,১৭৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৩১,৩৯,৮৮২ ২,৬৮,২৬২ ৭৮,০৮,০৫৯
ভারত ৯২,৬৬,৭০৫ ১,৩৫,২৬১ ৮৬,৭৯,১৩৮
ব্রাজিল ৬১,৬৬,৮৯৮ ১,৭০,৭৯৯ ৫৫,১২,৮৪৭
রাশিয়া ২১,৮৭,৯৯০ ৩৮,০৬২ ১৬,৮৫,৪৯২
ফ্রান্স ২১,৭০,০৯৭ ৫০,৬১৮ ১,৫৬,৫৫২
স্পেন ১৬,২২,৬৩২ ৪৪,০৩৭ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ১৫,৫৭,০০৭ ৫৬,৫৩৩ ৩৪৪
ইতালি ১৪,৮০,৮৭৪ ৫২,০২৮ ৬,৩৭,১৪৯
১০ আর্জেন্টিনা ১৩,৯০,৩৮৮ ৩৭,৭১৪ ১২,১৭,২৮৪
১১ কলম্বিয়া ১২,৭০,৯৯১ ৩৫,৮৬০ ১১,৭৪,৯৫৯
১২ মেক্সিকো ১০,৭০,৪৮৭ ১,০৩,৫৯৭ ৭,৯৮,০৩৭
১৩ জার্মানি ৯,৮৩,৭৩১ ১৫,৩৮১ ৬,৫৬,৪০০
১৪ পেরু ৯,৫৪,৪৫৯ ৩৫,৭২৭ ৮,৮৪,৭৪৭
১৫ পোল্যান্ড ৯,২৪,৪২২ ১৪,৯৮৮ ৪,৬৯,৫২৭
১৬ ইরান ৮,৯৪,৩৮৫ ৪৬,২০৭ ৬,২৫,৬০৬
১৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,৭৫,৫০২ ২১,২০১ ৭,১৬,৪৪৪
১৮ ইউক্রেন ৬,৭৭,১৮৯ ১১,৭১৭ ৩,১৭,৩৯৫
১৯ বেলজিয়াম ৫,৬১,৮০৩ ১৫,৯৩৮ ৩৬,৫৬৯
২০ চিলি ৫,৪৪,০৯২ ১৫,১৩৮ ৫,২০,১৮০
২১ ইরাক ৫,৪২,১৮৭ ১২,০৮৬ ৪,৭২,০৫৪
২২ ইন্দোনেশিয়া ৫,১৬,৭৫৩ ১৬,৩৫২ ৪,৩৩,৬৪৯
২৩ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,০৭,৫৪৯ ৭,৬৩৩ ৪,১৭,৬৫৭
২৪ নেদারল্যান্ডস ৪,৯৮,৬৫৩ ৯,১০৯ ২৫০
২৫ তুরস্ক ৪,৬৭,৭৩০ ১২,৮৪০ ৩,৮৫,৪৮০
২৬ রোমানিয়া ৪,৪০,৩৪৪ ১০,৫৪১ ৩,১৩,৮৮৫
২৭ ফিলিপাইন ৪,২৪,২৯৭ ৮,২৪২ ৩,৮৭,২৬৬
২৮ পাকিস্তান ৩,৮৬,১৯৮ ৭,৮৪৩ ৩,৩৪,৩৯২
২৯ সৌদি আরব ৩,৫৬,০৬৭ ৫,৮২৫ ৩,৪৪,৭৮৭
৩০ কানাডা ৩,৪৭,৪৬৬ ১১,৭১০ ২,৭৭,২৩২
৩১ মরক্কো ৩,৩৬,৫০৬ ৫,৫৩৯ ২,৮৪,৪৯৬
৩২ ইসরায়েল ৩,৩২,৩১৭ ২,৮২৬ ৩,২০,০৬৯
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৩,০৯,৪৬৯ ৪,৩৯৩ ২,১১,৫০০
৩৪ পর্তুগাল ২,৭৪,০১১ ৪,১২৭ ১,৮৯,৩৫৬
৩৫ অস্ট্রিয়া ২,৬০,৫১২ ২,৬৬৭ ১,৮৯,০৫৯
৩৬ সুইডেন ২,৩০,৫১৪ ৬,৫৫৫ ৪,৯৭১
৩৭ নেপাল ২,২৬,০২৬ ১,৩৮৯ ২,০৭,৯৯৮
৩৮ জর্ডান ১,৯৮,০২১ ২,৪৪২ ১,৩১,১৮১
৩৯ হাঙ্গেরি ১,৯২,০৪৭ ৪,২২৯ ৪৯,৬১৬
৪০ ইকুয়েডর ১,৮৭,২৩০ ১৩,২৮৮ ১,৬৪,০০৯
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৬২,৬৬২ ৫৬৩ ১,৫১,০৪৪
৪২ পানামা ১,৫৮,৫৩২ ৩,০০২ ১,৩৯,৩৫৬
৪৩ বলিভিয়া ১,৪৪,২৭৬ ৮,৯৩৩ ১,২০,২০৯
৪৪ কুয়েত ১,৪১,২১৭ ৮৭১ ১,৩৪,০৩৩
৪৫ সার্বিয়া ১,৪০,৬০৮ ১,৩১৫ ৩১,৫৩৬
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৩৯,৩৯৬ ২,৩১৫ ১,১৩,২৬৩
৪৭ কাতার ১,৩৭,৮৫১ ২৩৭ ১,৩৪,৯৫০
৪৮ জাপান ১,৩৫,৪০০ ২,০০১ ১,১৪,৭২৫
৪৯ কোস্টারিকা ১,৩৪,৫২০ ১,৬৭৪ ৮২,৬১১
৫০ বুলগেরিয়া ১,৩৩,০৬০ ৩,৩৬৭ ৪২,৬২০
৫১ আর্মেনিয়া ১,৩০,৮৭০ ২,০৬৮ ১,০৩,০৫৫
৫২ বেলারুশ ১,২৮,৪৪৯ ১,১১৯ ১,০৭,৪৫২
৫৩ কাজাখস্তান ১,২৮,৪০০ ১,৯৯০ ১,১৪,৮২১
৫৪ ওমান ১,২২,৫৭৯ ১,৩৯১ ১,১৩,৮৫৬
৫৫ লেবানন ১,২০,৩৪১ ৯৫০ ৭১,২৩৬
৫৬ গুয়াতেমালা ১,১৯,৯৮৯ ৪,১০৭ ১,০৮,৮৫৪
৫৭ জর্জিয়া ১,১৮,৬৯০ ১,১২৪ ৯৮,৭৮১
৫৮ মিসর ১,১৪,১০৭ ৬,৫৮৫ ১,০২,২০১
৫৯ ক্রোয়েশিয়া ১,১১,৬১৭ ১,৫০১ ৮৯,৪২৫
৬০ ইথিওপিয়া ১,০৭,১০৯ ১,৬৬৪ ৬৬,৫৭৪
৬১ হন্ডুরাস ১,০৬,১১৬ ২,৮৮৮ ৪৭,০০৬
৬২ আজারবাইজান ১,০২,৩৯৬ ১,২২৪ ৬৬,৯৬৩
৬৩ মলদোভা ১,০১,২০৩ ২,২০৯ ৮৩,৭৮৯
৬৪ ভেনেজুয়েলা ১,০০,৮১৭ ৮৮০ ৯৫,৬৬৯
৬৫ স্লোভাকিয়া ৯৯,৩০৪ ৭৩২ ৫৩,৫৪৭
৬৬ গ্রীস ৯৭,২৮৮ ১,৯০২ ৯,৯৮৯
৬৭ তিউনিশিয়া ৯১,৩০৭ ২,৯৮৩ ৬৬,৪৫৯
৬৮ চীন ৮৬,৪৯০ ৪,৬৩৪ ৮১,৫৫০
৬৯ বাহরাইন ৮৬,১৮৫ ৩৪০ ৮৪,৩৩৫
৭০ মায়ানমার ৮৩,৫৬৬ ১,৮১০ ৬৩,৩৬৬
৭১ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৮৩,৩২৮ ২,৪২৯ ৪৮,২১০
৭২ লিবিয়া ৭৯,৭৯৭ ১,১২৫ ৫০,৯১৪
৭৩ কেনিয়া ৭৯,৩২২ ১,৪১৭ ৫২,৯৭৪
৭৪ প্যারাগুয়ে ৭৮,৮৭৮ ১,৬৯১ ৫৬,০২৫
৭৫ আলজেরিয়া ৭৮,০২৫ ২,৩২৯ ৫০,৭১২
৭৬ ফিলিস্তিন ৭৬,৭২৭ ৬৬৫ ৬০,৪৯৯
৭৭ ডেনমার্ক ৭৪,২০৪ ৮০২ ৫৮,১৪৮
৭৮ উজবেকিস্তান ৭২,২২৭ ৬০৬ ৬৯,৪৭৭
৭৯ আয়ারল্যান্ড ৭১,১৮৭ ২,০৩৩ ২৩,৩৬৪
৮০ কিরগিজস্তান ৭১,১৭১ ১,৪৯৮ ৬২,৫৪৪
৮১ স্লোভেনিয়া ৬৯,৩০৬ ১,১৯৯ ৪৭,৭৭০
৮২ নাইজেরিয়া ৬৬,৮০৫ ১,১৬৯ ৬২,৪৯৩
৮৩ মালয়েশিয়া ৫৯,৮১৭ ৩৪৫ ৪৬,৫০১
৮৪ সিঙ্গাপুর ৫৮,১৯৫ ২৮ ৫৮,০৯১
৮৫ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৫৭,৪৫১ ১,৬০০ ৩৪,৯৭০
৮৬ লিথুনিয়া ৫৩,৭৫৭ ৪৪৯ ১২,৬৫৫
৮৭ ঘানা ৫১,২২৫ ৩২৩ ৫০,১২৭
৮৮ আফগানিস্তান ৪৫,৭১৬ ১,৭৩৭ ৩৬,২৩২
৮৯ এল সালভাদর ৩৭,৮৮৪ ১,০৮৬ ৩৪,৫৯৫
৯০ আলবেনিয়া ৩৪,৯৪৪ ৭৪৩ ১৭,০৩১
৯১ নরওয়ে ৩৪,২৬৮ ৩১৬ ২০,৯৫৬
৯২ মন্টিনিগ্রো ৩২,৮০৮ ৪৫৯ ২১,২২৯
৯৩ দক্ষিণ কোরিয়া ৩২,৩১৮ ৫১৫ ২৬,৯৫০
৯৪ লুক্সেমবার্গ ৩২,১০০ ২৮৮ ২২,৬৩০
৯৫ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৮৬৭ ৯০৭ ২৫,৫৬৫
৯৬ ক্যামেরুন ২৩,৯১৫ ৪৩৭ ২২,১৭৭
৯৭ ফিনল্যাণ্ড ২২,৬৫২ ৩৮৮ ১৬,৮০০
৯৮ শ্রীলংকা ২১,৪৬৯ ৯৬ ১৫,৪৪৭
৯৯ আইভরি কোস্ট ২১,১৬৮ ১৩১ ২০,৮৪৩
১০০ উগান্ডা ১৮,৮৯০ ১৯১ ৮,৮৩২
১০১ জাম্বিয়া ১৭,৫৩৫ ৩৫৭ ১৬,৭৫৫
১০২ মাদাগাস্কার ১৭,৩৪১ ২৫১ ১৬,৬৫৭
১০৩ সুদান ১৬,৬৪৯ ১,২১০ ৯,৯০৮
১০৪ সেনেগাল ১৫,৯২৭ ৩৩১ ১৫,৫৪০
১০৫ মোজাম্বিক ১৫,৩০২ ১২৮ ১৩,৪৫৯
১০৬ অ্যাঙ্গোলা ১৪,৮২১ ৩৪০ ৭,৫১৭
১০৭ লাটভিয়া ১৪,২৭৩ ১৮৪ ১,৬৮৬
১০৮ নামিবিয়া ১৪,০০৬ ১৪৫ ১৩,৩৩৯
১০৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৩,৭৮৩ ৭০ ৪,৮৪২
১১০ গিনি ১২,৯৪৯ ৭৬ ১১,৯২২
১১১ মালদ্বীপ ১২,৮৫৪ ৪৬ ১১,৬৮১
১১২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১২,৩৬৫ ৩৩১ ১১,৪৩৩
১১৩ তাজিকিস্তান ১২,০০৮ ৮৬ ১১,৩৯৫
১১৪ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১১,১১৬ ৭০ ৯,৯৯৫
১১৫ এস্তোনিয়া ১০,৯৫৫ ৯৯ ৬,৪৯৭
১১৬ কেপ ভার্দে ১০,৫২৬ ১০৪ ৯,৯০০
১১৭ জ্যামাইকা ১০,৪৮৮ ২৪৭ ৫,৬২৩
১১৮ বতসোয়ানা ৯,৯৯২ ৩১ ৭,৬৯২
১১৯ জিম্বাবুয়ে ৯,৫০৮ ২৭৪ ৮,৩৩৬
১২০ সাইপ্রাস ৯,৪৫৩ ৪৭ ২,০৫৫
১২১ মালটা ৯,২৫৩ ১২২ ৭,০৬২
১২২ হাইতি ৯,২৪৮ ২৩২ ৭,৯১৬
১২৩ গ্যাবন ৯,১৭৩ ৫৯ ৯,০১৬
১২৪ গুয়াদেলৌপ ৮,৩৪৪ ১৪৯ ২,২৪২
১২৫ মৌরিতানিয়া ৮,২৪৬ ১৭১ ৭,৬৪৬
১২৬ কিউবা ৮,০২৬ ১৩৩ ৭,৪৭০
১২৭ রিইউনিয়ন ৭,৮৩৬ ৩৯ ৬,৬৬০
১২৮ বাহামা ৭,৪৬৯ ১৬৩ ৫,৭৩৩
১২৯ সিরিয়া ৭,৪৫৯ ৩৯১ ৩,২৭১
১৩০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৬,৫০৩ ১১৬ ৫,৬৫৫
১৩১ এনডোরা ৬,৪২৮ ৭৬ ৫,৫৪২
১৩২ ইসওয়াতিনি ৬,২৭২ ১২০ ৫,৯০১
১৩৩ মালাউই ৬,০১৮ ১৮৫ ৫,৪৫০
১৩৪ হংকং ৫,৯৪৮ ১০৮ ৫,৩০০
১৩৫ নিকারাগুয়া ৫,৭৮৪ ১৬০ ৪,২২৫
১৩৬ রুয়ান্ডা ৫,৭৭৯ ৪৭ ৫,৩১৭
১৩৭ জিবুতি ৫,৬৭০ ৬১ ৫,৫৭৫
১৩৮ কঙ্গো ৫,৬৩২ ১১৪ ৪,৯৮৮
১৩৯ বেলিজ ৫,৪২৩ ১২৯ ২,৯৮৬
১৪০ মার্টিনিক ৫,৪১৩ ৪০ ৯৮
১৪১ আইসল্যান্ড ৫,৩১২ ২৬ ৫,১১০
১৪২ সুরিনাম ৫,৩০৫ ১১৭ ৫,১৮৪
১৪৩ গায়ানা ৫,২৩৬ ১৪৭ ৪,২৪২
১৪৪ মায়োত্তে ৫,১৮১ ৪৯ ২,৯৬৪
১৪৫ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,১৩৭ ৮৫ ৫,০০৫
১৪৬ উরুগুয়ে ৪,৯৮৮ ৭৩ ৩,৯২৩
১৪৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯১১ ৬৩ ১,৯২৪
১৪৮ আরুবা ৪,৭৭৮ ৪৫ ৪,৬৩২
১৪৯ মালি ৪,৪৬১ ১৪৮ ৩,০৬০
১৫০ সোমালিয়া ৪,৪৪৫ ১১৩ ৩,৪১২
১৫১ থাইল্যান্ড ৩,৯৪২ ৬০ ৩,৭৮৮
১৫২ গাম্বিয়া ৩,৭২৭ ১২৩ ৩,৫৮৭
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ৩,০৭৩ ৬১ ২,৯৩৮
১৫৪ বেনিন ২,৯৭৪ ৪৩ ২,৫৭৯
১৫৫ টোগো ২,৮৮৯ ৬৪ ২,৩২০
১৫৬ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৭৭৭ ৬৮ ২,৫৬৭
১৫৭ গিনি বিসাউ ২,৪২২ ৪৩ ২,৩০৯
১৫৮ সিয়েরা লিওন ২,৪০৮ ৭৪ ১,৮২৯
১৫৯ ইয়েমেন ২,১২৪ ৬১১ ১,৪৭৪
১৬০ লেসোথো ২,০৯২ ৪৪ ১,২৭৭
১৬১ নিউজিল্যান্ড ২,০৪০ ২৫ ১,৯৫৫
১৬২ কিউরাসাও ১,৯২৯ ১,০৫৭
১৬৩ চাদ ১,৬৫৫ ১০১ ১,৪৯৪
১৬৪ লাইবেরিয়া ১,৫৭৮ ৮৩ ১,৩৪০
১৬৫ সান ম্যারিনো ১,৪৯২ ৪৫ ১,২২১
১৬৬ নাইজার ১,৪১৯ ৭০ ১,১৭০
১৬৭ ভিয়েতনাম ১,৩২১ ৩৫ ১,১৫৩
১৬৮ লিচেনস্টেইন ১,১৮৩ ১৪ ৯৮৫
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ১,১৪৭ ৪৮ ৯৬০
১৭০ সিন্ট মার্টেন ১,০৩৬ ২৫ ৯১৯
১৭১ জিব্রাল্টার ৯৯১ ৮৯৫
১৭২ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭৪৬ ৭০০
১৭৩ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭৪ মঙ্গোলিয়া ৭১২ ৩৪৫
১৭৫ সেন্ট মার্টিন ৬৯০ ১২ ৫৯৮
১৭৬ বুরুন্ডি ৬৭৩ ৫৭৫
১৭৭ পাপুয়া নিউ গিনি ৬৪৫ ৫৮৮
১৭৮ তাইওয়ান ৬২৫ ৫৫৫
১৭৯ কমোরস ৬০৭ ৫৭৯
১৮০ মোনাকো ৫৯৪ ৫৩০
১৮১ ইরিত্রিয়া ৫৫৮ ৪৭৩
১৮২ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৮৩ ফারে আইল্যান্ড ৫০০ ৪৯৮
১৮৪ মরিশাস ৪৯৭ ১০ ৪৪০
১৮৫ ভুটান ৩৮৬ ৩৬৭
১৮৬ আইল অফ ম্যান ৩৬৯ ২৫ ৩৩৮
১৮৭ কম্বোডিয়া ৩০৭ ২৯৮
১৮৮ কেম্যান আইল্যান্ড ২৬৯ ২৪৯
১৮৯ বার্বাডোস ২৬৩ ২৪৩
১৯০ বারমুডা ২৩৯ ২০৫
১৯১ সেন্ট লুসিয়া ২৩৫ ১০৯
১৯২ সিসিলি ১৬৬ ১৫৯
১৯৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৬১ ১৫৫
১৯৪ ব্রুনাই ১৫০ ১৪৫
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৪০ ১২৯
১৯৬ সেন্ট বারথেলিমি ১২৭ ৯৪
১৯৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৮৪ ৭৮
১৯৮ ডোমিনিকা ৭৭ ৬৩
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
২০০ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০১ গ্রেনাডা ৪১ ৩০
২০২ লাওস ৩৯ ২৪
২০৩ ফিজি ৩৮ ৩৩
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৩২ ৩২
২০৫ পূর্ব তিমুর ৩০ ৩১
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২২ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৮ ১৮
২০৯ সলোমান আইল্যান্ড ১৭
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৬ ১৩
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১২ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৩ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৪ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]