বাংলাদেশি তরুণের হাত ধরে চীনে মানবিক সংগঠনের যাত্রা

প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:১৯ এএম, ০৬ মার্চ ২০২১

একদল উদ্যমী ও উৎসাহী তরুণের সমন্বয়ে চীনের চিয়াংশি প্রদেশের নানছাং শহরের চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অব ফিন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিক্স বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আন্তর্জাতিক এবং চাইনিজ শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাত্রা শুরু করলো সেচ্ছাসেবী সংগঠন লেই ফাং ইন্টারন্যাশনাল ভলান্টিয়ার টিম।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রােগ্রামে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে এই স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন গঠনের উদ্যোগ নেন।

শুক্রবার (৫ মার্চ) বিকেলে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে কেক কেটে লেই ফাং ডে উদযাপনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। সংগঠনটি চাইনিজ কমিউনিটিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুসহ এতিম এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করবে।

jagonews24

বিশ্ববিদ্যালয়ের ওভারসিজ এডুকেশন স্কুলের সার্বিক সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা লেই ফাং ডে উদযাপনের জন্য নানা কর্মসূচি পালন করেন। তারা নানছাং শিহু ডিস্ট্রিক্ট মডার্ন হ্যান্ডিক্যাপড এডুকেশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের মাঝে খাবার এবং উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীরা নাচ, গান এবং নানা ধরনের গেম আয়োজনের মাধ্যমে শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও টিম লিডার মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলাম বলেন, ‘লেই ফাং পিপলস লিবারেশন আর্মির একজন সৈনিক ছিলেন। তিনি চীনসহ সকল দেশের স্বেচ্ছাসেবীদের আইকন। যখন আমরা লি ফ্যাং নিয়ে চিন্তা করি তখন আমরা নিঃস্বার্থ, বিনয় এবং উৎসর্গ সম্পর্কে চিন্তা করি।’

jagonews24

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের স্লোগান হল ‘ফর এ স্মাইল’। মানুষ হিসেবে প্রত্যেকের সমাজের প্রতি দায়িত্ব আছে। আমরা সবাই পৃথিবী নামক একটা পরিবারে সদস্য। আমরা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুসহ এতিম এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের মাঝে হাসি ফোটাতে চাই।’

লেই ফাং ডে উপলক্ষে লেই ফাংয়ের জীবনীর উপর এক বিশেষ আলোচনা সভারও আয়োজন করা হয়। সভায় অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওভারসিজ এডুকেশন স্কুলের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মিস ফান ইং, নানছাং শিহু ডিস্ট্রিক্ট মডার্ন হ্যান্ডিক্যাপড এডুকেশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের ব্রাঞ্চ পরিচালক মিস ঝু লেই, চাইনিজ ভলান্টিয়ার টিমের লিডার ওয়াং শিআও, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কারমেন এবং মিগুয়েল।

সভায় বাংলাদেশি, আন্তর্জাতিক এবং চাইনিজ শিক্ষার্থী ছাড়াও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পিতামাতারা উপস্থিত ছিলেন।

ইএ/এমএস

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]