বাংলাদেশ হাইকমিশনের জব পোর্টাল চালুর সমালোচনায় মালয়েশিয়ান মন্ত্রী

প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৩৫ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০২১

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান তাদের না জানিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ‘চাকরির খোঁজ’ নামে একটি জব পোর্টাল চালুর সমালোচনা করেছেন। রিক্যালিব্রেসি প্রক্রিয়ায় অবৈধদের বৈধ হতে সহযোগিতার নামে এই পোর্টাল চালুর বিষয়টিকে ‘দায়িত্বহীনতার পরিচয়’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

সারাভানানের বরাত দিয়ে সেখানকার দৈনিক ‘ফ্রি-মালয়েশিয়া টুডে’ ও ‘স্টার’ পত্রিকা সংবাদ প্রকাশ করে। এতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের জব পোর্টাল চালুর বিষয়ে ব্যাপক সমালোচনা করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ হাইকমিশন এ বিষয়ে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেনি। তারা দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। বাংলাদেশ হাইকমিশনের এ কার্যক্রমে মালয়েশিয়ায় চার শতাধিক বৈধ এজেন্সি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এর জবাবে হাইকমিশনার শুক্রবার একটি বিবৃতি দেন। এতে বলা হয়, মালয়েশিয়া সরকার রিক্যালিব্রেসি নামে অবৈধ বিদেশি কর্মীদের বৈধ হতে একটি সুযোগ দিয়েছেন। এ সুযোগ চলবে জুন পর্যন্ত। এ কারণেই জব পোর্টালটি বাংলাদেশ হাইকমিশন তাদের দায়িত্ববোধ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশিদের কল্যাণে চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাইকমিশনার গোলাম সারওয়ার।

তিনি বলেন, অনেক মালয়েশিয়ান কোম্পানির মালিক ‘রিক্যালিব্রেশন’ প্রক্রিয়ায় বৈধতার জন্য কাগজপত্রবিহীন বাংলাদেশিদের খুঁজে একত্রিত করার একটি উপযুক্ত পদ্ধতি চালুর অনুরোধ জানায় হাইকমিশনকে। পোর্টালের মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষ ছাড়া মালিক-শ্রমিকের সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করবে।

এছাড়া মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিয়ম মেনে বাংলাদেশ থেকে নতুন করে শ্রমিক আনার ব্যাপারে খুব শিগগিরই একটি ফলাফল আসবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন হাইকমিশনার।

উল্লেখ্য, এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী শহরিয়ার আলম ও মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার এই ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করেন।

এ সময় যুক্ত ছিলেন মালয়েশিয়ার শ্রম বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল মোহাম্মদ আজরি আব্দুল ওয়াহাব, প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. আহমেদ মনিরুস সালেহিন ও টেকনোলজি পার্টনার ডটলাইনের প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল মতিন।

অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ হাইকমিশনের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। ‘চাকরির খোঁজ’ নামে ওয়েবসাইট উদ্বোধনের পর প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগে এবং প্রতিদিন হাইকমিশনে যোগাযোগ করতে থাকেন প্রবাসীরা।

এমআরএম/এএসএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]