সার্ভিস সেক্টরেও বৈধ হওয়ার সুযোগ মালয়েশিয়ায়

আহমাদুল কবির
আহমাদুল কবির আহমাদুল কবির , মালয়েশিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৮:৫০ পিএম, ২২ এপ্রিল ২০২১

মালয়েশিয়ায় থ্রি-ডি সেক্টরসহ সার্ভিস সেক্টরেও অবৈধ অভিবাসী বৈধ হতে পারবেন। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামজাহ জয়নুদিন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি হামজাহ জয়নুদিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভানান।

বৈঠকে চলমান রিক্যালিব্রেসি প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন ও সফল করতে নিয়োগকর্তার পাশাপাশি বেসরকারি কর্মসংস্থান সংস্থা আইন-১৯৮১ (আইন ২৪৬) এর অধীন লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেসরকারি কর্মসংস্থান এজেন্সিগুলিকে (এপিএস), সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

jagonews24

গত বছরের ১৬ নভেম্বর অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের বৈধতা দিতে রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রাম নামে একটি প্রোগ্রাম চালু করে সরকার। এই প্রেগ্রামে নিয়োগকর্তা কর্তৃক নিবন্ধন ও স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবর্তন। এ প্রক্রিয়া চলবে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত।

রিক্যালিব্রেসি প্রক্রিয়া প্রথমে শুধু নির্মাণ, উৎপাদন, চাষ ও কৃষি খাতে সোর্সকান্ট্রি বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশের অবৈধ বিদেশি কর্মী কর্মীদের বৈধতার জন্য তাদের নিয়োগকর্তারা অনলাইনে আবেদন করার কথা থাকলেও এখন থেকে সার্ভিস সেক্টরের চারটি সাব সেক্টর-রেস্তোরাঁ, কার্গো, পরিষেবা এবং হোলসেল ও রিটেইলারে আবেদন করতে পারবে।

তবে এক্ষেত্রে নিয়োগকর্তারা সরাসরি ইমিগ্রেশন ও লেবার ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে। এদিকে মালয়েশিয়া সরকার ২০১১ সালে ৬ পি এবং ২০১৬ সালে রি-হায়ারিং প্রোগ্রামে নাম নিবন্ধন করেও বৈধ হতে পারেননি সে সকল কর্মী বৈধতা নিতে নিবন্ধিত হতে পারবে বলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।

jagonews24

এছাড়া যেসব কর্মী তাদের কোম্পানি থেকে পালিয়ে অন্যত্রে চলে গেছে তবে তাদের বিরুদ্ধে কোম্পানি কর্তৃক যদি কোনো রিপোর্ট না থাকে তাহলে তারাও বৈধ হতে পারবেন।

এদিকে রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রাম এ পর্যন্ত এক লাখ ৪৫ হাজার ৮৩০ জন অভিবাসী কর্মী নিবন্ধিত হয়েছেন। এর মধ্যে ৭৩ হাজার ৫০৬ জন বৈধতা পেতে নিবন্ধন করেছেন এবং ৭২ হাজার ৩২৪ জন অভিবাসী তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এমআরএম/এএসএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]